আল মুসনাদুস সহীহ- ইমাম মুসলিম রহঃ

১৬- হজ্ব - উমরার অধ্যায়

হাদীস নং: ৩০৯০
আন্তর্জাতিক নং: ১৩২৮-১
- হজ্ব - উমরার অধ্যায়
৬৪. বিদায়ী তাওয়াফ বাধ্যতামুলক কিন্তু ঋতুবতী মহিলার ক্ষেত্রে তা পরিত্যাজ্য
৩০৯০। সাঈদ ইবনে মানসুর ও আবু বকর ইবনে আবি শাঈবা (রাহঃ) ......... ইবনে আব্বাস (রাযিঃ) বলেন, লোকদেরকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে (প্রত্যাবর্তনকালে) তাদের সর্বশেষ কাজ যেন হয় বায়তুল্লাহ তাওয়াফ। কিন্তু ঋতুবতী মহিলাদেরকে তা থেকে রেহাই দেয়া হয়েছে।
كتاب الحج
باب وُجُوبِ طَوَافِ الْوَدَاعِ وَسُقُوطِهِ عَنِ الْحَائِضِ
حَدَّثَنَا سَعِيدُ بْنُ مَنْصُورٍ، وَأَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ - وَاللَّفْظُ لِسَعِيدٍ - قَالاَ حَدَّثَنَا سُفْيَانُ، عَنِ ابْنِ طَاوُسٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، قَالَ أُمِرَ النَّاسُ أَنْ يَكُونَ، آخِرُ عَهْدِهِمْ بِالْبَيْتِ إِلاَّ أَنَّهُ خُفِّفَ عَنِ الْمَرْأَةِ الْحَائِضِ .

হাদীসের ব্যাখ্যা:

এ হাদীসে যেমন স্পষ্ট উল্লেখিত হয়েছে যে, প্রথম প্রথম লোকেরা বিদায়ী তাওয়াফের প্রতি যত্নবান থাকত না। ১২ অথবা ১৩ই যিলহজ্ব পর্যন্ত মিনায় অবস্থান করে কংকর মারা ইত্যাদি হজ্বের কাজ সেরে নিজ নিজ দেশে ফিরে যেত। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এ নির্দেশ দ্বারা যেন এর গুরুত্ব ও ওয়াজিব হওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন। এ জন্যই ফুকাহায়ে কেরাম তাওয়াফে বিদাকে ওয়াজিব বলেছেন। তবে হাদীসে এটাও আছে যে, যেসব মহিলা এ সময় তাদের বিশেষ দিন আসার কারণে তাওয়াফ করতে অপারগ, তারা যদি আগেই তাওয়াফে যিয়ারত করে নিয়ে থাকে, তাহলে বিদায়ী তাওয়াফ না করেই দেশে ফিরে যেতে পারবে। তাদের ছাড়া প্রত্যেক বহিরাগত হাজীর জন্য জরুরী যে, তারা দেশে রওয়ানা হওয়ার আগে বিদায়ের নিয়তেই শেষ ও বিদায়ী তাওয়াফ করে নিবে। আর এটাই হজ্ব সংক্রান্ত তার শেষ কাজ।
ব্যাখ্যা সূত্রঃ_ মা'আরিফুল হাদীস (মাওলানা মনযূর নোমানী রহ.)
tahqiqতাহকীক:বিশুদ্ধ (পারিভাষিক সহীহ)
সহীহ মুসলিম - হাদীস নং ৩০৯০ | মুসলিম বাংলা