হাদীস অনুসন্ধানের ফলাফল

সহীহ বুখারী

হাদীস নং: ৩৬১
আন্তর্জাতিক নং: ৩৬৮
- নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ২৫১। লজ্জাস্থান ঢাকা
৩৬১। কাবীসা ইবনে উকবা (রাহঃ) ......... আবু হুরায়রা (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেনঃ নবী (ﷺ) দু’ধরনের ক্রয়-বিক্রয় নিষেধ করেছেন। তা হল লিমাস ও নিবায* আর ইশতিমালে সাম্মা এবং এক কাপড়ে ইহতিবা করতে নিষেধ করেছেন।

*লিমাস ও নিবাযঃ জাহিলী যুগের ক্রয়-বিক্রয়ের দুটি পদ্ধতি। লিমাস বলতে ক্রেতা কর্তৃক কোন বস্তুকে স্পর্শ করামাত্র অনিচ্ছা সত্ত্বেও ক্রয় করতে বাধ্য হওয়া বুঝায়। আর নিবায বলতে ক্রেতা বা বিক্রেতা কর্তৃক কোন বস্তুর উপর পাথর ছুড়ে মারামাত্র অনিচ্ছা সত্ত্বেও ক্রয় করতে বাধ্য হওয়া বুঝায়। (বুখারী, ১ম খণ্ড, হাশিয়া নং ৪, পৃ. ৫৬)। বিস্তারিত জানার জন্য ক্রয়-বিক্রয় অধ্যায় দেখুন।
كتاب الصلاة
باب مَا يَسْتُرُ مِنَ الْعَوْرَةِ
368 - حَدَّثَنَا قَبِيصَةُ بْنُ عُقْبَةَ، قَالَ: حَدَّثَنَا سُفْيَانُ، عَنْ أَبِي الزِّنَادِ، عَنِ الأَعْرَجِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ: «نَهَى النَّبِيُّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ عَنْ بَيْعَتَيْنِ عَنِ اللِّمَاسِ وَالنِّبَاذِ، وَأَنْ يَشْتَمِلَ الصَّمَّاءَ، وَأَنْ يَحْتَبِيَ الرَّجُلُ فِي ثَوْبٍ وَاحِدٍ»

সহীহ বুখারী

হাদীস নং: ৩৬২
আন্তর্জাতিক নং: ৩৬৯
- নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ২৫১। লজ্জাস্থান ঢাকা
৩৬২। ইসহাক (রাহঃ) .... আবু হুরায়রা (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেনঃ আমাকে আবু বকর (রাযিঃ) [যখন রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এর পক্ষ থেকে তাঁকে হজ্জের আমীর বানানো হয়েছিল] কুরবানীর দিন ঘোষকদের সাথে মিনায় এ ঘোষণা করার জন্য পাঠালেন যে, এ বছরের পরে কোন মুশরিক বায়তুল্লাহর হজ্জ করতে পারবে না। আর কোন উলঙ্গ লোকও বায়তুল্লাহ তওয়াফ করতে পারবে না।
হুমায়দ ইবনে আব্দুর রহমান (রাহঃ) বলেনঃ এরপর রাসূলুল্লাহ (ﷺ) আলী (রাযিঃ)-কে আবু বকর (রাযিঃ) এর পেছনে প্রেরণ করেন আর তাঁকে সূরা বারাআতের (প্রথম অংশের) ঘোষণা করার নির্দেশ দেন। আবু হুরায়রা (রাযিঃ) বলেনঃ তখন আমাদের সঙ্গে আলী (রাযিঃ) কুরবানীর দিন মিনায় ঘোষণা দেন যে, এ বছরের পর থেকে আর কোন মুশরিক হজ্জ করতে পারবে না এবং কোন উলঙ্গ ব্যক্তিও আর তাওয়াফ করতে পারবে না।
كتاب الصلاة
باب مَا يَسْتُرُ مِنَ الْعَوْرَةِ
369 - حَدَّثَنَا إِسْحَاقُ، قَالَ: حَدَّثَنَا يَعْقُوبُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، قَالَ: حَدَّثَنَا ابْنُ أَخِي ابْنِ شِهَابٍ، عَنْ عَمِّهِ، قَالَ: أَخْبَرَنِي حُمَيْدُ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ عَوْفٍ، أَنَّ أَبَا هُرَيْرَةَ، قَالَ: بَعَثَنِي أَبُو بَكْرٍ فِي تِلْكَ الحَجَّةِ فِي مُؤَذِّنِينَ [ص:83] يَوْمَ النَّحْرِ، نُؤَذِّنُ بِمِنًى: أَنْ لاَ يَحُجَّ بَعْدَ العَامِ مُشْرِكٌ وَلاَ يَطُوفَ بِالْبَيْتِ عُرْيَانٌ " قَالَ حُمَيْدُ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ: ثُمَّ أَرْدَفَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ عَلِيًّا، فَأَمَرَهُ أَنْ يُؤَذِّنَ بِبَرَاءَةٌ، قَالَ أَبُو هُرَيْرَةَ: فَأَذَّنَ مَعَنَا عَلِيٌّ فِي أَهْلِ مِنًى يَوْمَ النَّحْرِ: «لاَ يَحُجُّ بَعْدَ العَامِ مُشْرِكٌ وَلاَ يَطُوفُ بِالْبَيْتِ عُرْيَانٌ»

সহীহ বুখারী

হাদীস নং: ৩৬৩
আন্তর্জাতিক নং: ৩৭০
- নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ২৫২। চাদর গায়ে না দিয়ে নামায আদায় করা
৩৬৩। আব্দুল আযীয ইবনে আব্দুল্লাহ (রাহঃ) ..... মুহাম্মাদ ইবনুল মুনকাদির (রাহঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেনঃ আমি জাবির ইবনে আব্দুল্লাহ (রাহঃ)-এর কাছে গিয়ে দেখি তিনি একটি মাত্র কাপড় নিজের শরীরে জড়িয়ে নামায আদায় করছেন অথচ তাঁর একটা চাঁদর সেখানে রাখা ছিল। নামাযের পর আমরা বললামঃ হে আবু আব্দুল্লাহ! আপনি নামায আদায় করছেন, অথচ আপনার চাঁদর তুলে রেখেছেন? তিনি বললেন, হ্যাঁ, তোমাদের মত নির্বোধদের দেখানোর জন্য আমি এরূপ করেছি। আমি নবী (ﷺ)-কে এভাবে নামায আদায় করতে দেখেছি।
كتاب الصلاة
باب الصَّلاَةِ بِغَيْرِ رِدَاءٍ
370 - حَدَّثَنَا عَبْدُ العَزِيزِ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ، قَالَ: حَدَّثَنِي ابْنُ أَبِي المَوَالِي، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ المُنْكَدِرِ، قَالَ: دَخَلْتُ عَلَى جَابِرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ: وَهُوَ «يُصَلِّي فِي ثَوْبٍ مُلْتَحِفًا بِهِ، وَرِدَاؤُهُ مَوْضُوعٌ» ، فَلَمَّا انْصَرَفَ قُلْنَا: يَا أَبَا عَبْدِ اللَّهِ تُصَلِّي وَرِدَاؤُكَ مَوْضُوعٌ، قَالَ: نَعَمْ، أَحْبَبْتُ أَنْ يَرَانِي الجُهَّالُ مِثْلُكُمْ «رَأَيْتُ النَّبِيَّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يُصَلِّي هَكَذَا»

সহীহ বুখারী

হাদীস নং: ৩৬৪
আন্তর্জাতিক নং: ৩৭১
- নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ২৫৩। উরু সম্পর্কে বর্ণনা।
আবু আব্দুল্লাহ (রাহঃ) বলেন, বর্ণিত আছে যে, ইবনে আব্বাস, জারহাদ ও মুহাম্মাদ ইবনে জাহশ (রাযিঃ) নবী (ﷺ) থেকে বর্ণনা করেছেন যে, উরু সতরের অন্তর্ভুক্ত।
আর আনাস (রাযিঃ) বলেনঃ নবী (ﷺ) তাঁর উরু থেকে কাপড় সরিয়েছিলেন।
আবু আব্দুল্লাহ বুখারী (রাহঃ) বলেন, সনদের দিক থেকে আনাস (রাযিঃ)-এর হাদীস অধিক সহীহ আর জারহাদ (রাযিঃ)-এর হাদীস অধিকতর সতর্কতামূলক। এভাবেই আমরা মতবিরোধ এড়াতে পারি।
আর আবু মুসা (রাযিঃ) বলেছেনঃ উসমান (রাযিঃ)-এর আগমনে নবী (ﷺ) তাঁর হাঁটু ঢেকে নেন।
যায়দ ইবনে সাবিত (রাযিঃ) বলেনঃ আল্লাহ তাআলা তাঁর রাসূল (ﷺ) এর উপর ওহী নাযিল করেছেন এমন অবস্থায় যখন তাঁর উরু ছিল আমার উরুর উপর। আমার কাছে তাঁর উরু এত ভারী বোধ হচ্ছিল যে, আমি আশঙ্কা করছিলাম, হয়ত আমার উরুর হাড় ভেঙ্গে যাবে।
৩৬৪। ইয়াকুব ইবনে ইবরাহীম (রাহঃ) .... আনাস ইবনে মালিক (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত যে, নবী (ﷺ) খায়বর যুদ্ধে বের হয়েছিলেন। সেখানে আমরা ফজরের নামায খুব ভোরে আদায় করলাম। তারপর নবী (ﷺ) সওয়ার হলেন। আবু তালহা (রাযিঃ)-ও সওয়ার হলেন, আর আমি আবু তালহার পেছনে বসা ছিলাম। নবী (ﷺ) তাঁর সওয়ারীকে খায়বরের পথে চালিত করলেন। আমার হাঁটু নবী (ﷺ) এর উরুতে লাগছিল। এরপর নবী (ﷺ) এর উরু থেকে ইযার সরে গেল। এমনকি নবী (ﷺ) এর উরুর উজ্জ্বলতা যেন এখনও আমি দেখছি। তিনি যখন নগরে প্রবেশ করলেন তখন বললেনঃ আল্লাহু আকবার। খায়বর ধ্বংস হউক। আমরা যখন কোন কওমের প্রাঙ্গণে অবতরণ করি তখন সতর্কীকৃতদের ভোর হবে কতই না মন্দ! এ কথা তিনি তিনবার উচ্চারণ করলেন।
আনাস (রাযিঃ) বলেনঃ খায়বরের অধিবাসীরা নিজেদের কাজে বেরিয়েছিল। তারা বলে উঠলঃ মুহাম্মাদ! আব্দুল আযীয (রাহঃ) বলেনঃ আমাদের কোন কোন সাথী “পূর্ণ বাহিনীসহ” (ওয়াল খামীস) শব্দও যোগ করেছেন। পরে যুদ্ধের মাধ্যমে আমরা খায়বর জয় করলাম। তখন যুদ্ধবন্দীদের সমবেত করা হল। দিহয়া (রাযিঃ) এসে বললেনঃ হে আল্লাহর নবী! বন্দীদের থেকে আমাকে একটি দাসী দিন। তিনি বললেনঃ যাও তুমি একটি দাসী নিয়ে যাও। তিনি সাফিয়্যা বিনতে হুওয়াই (রাযিঃ)-কে নিলেন। তখন এক ব্যক্তি নবী (ﷺ) এর কাছে এসে বললঃ ইয়া নবীয়াল্লাহ! বনু কুরাইযা ও বনু নাযীরের অন্যতম নেত্রী সাফিয়্যা বিনতে হুয়াইকে আপনি দিহয়াকে দিচ্ছেন? তিনি তো একমাত্র আপনারই যোগ্য। তিনি বললেনঃ দিহয়াকে সাফিয়্যাসহ ডেকে আন। তিনি সাফিয়্যাসহ উপস্থিত হলেন। যখন নবী (ﷺ) সাফিয়্যা (রাযিঃ)-কে দেখলেন তখন (দিহয়াকে) বললেনঃ তুমি বন্দীদের থেকে অন্য একটি দাসী দেখে নাও। রাবী বলেনঃ নবী (ﷺ) সাফিয়্যা (রাযিঃ)-কে আযাদ করে দিলেন এবং তাঁকে বিয়ে করলেন।
রাবী সাবিত (রাহঃ) আবু হামযা (আনাস) (রাযিঃ)-কে জিজ্ঞাসা করলেনঃ নবী (ﷺ) তাঁকে কি মোহর দিলেন? আনাস (রাযিঃ) জওয়াব দিলেন তাঁকে আযাদ করাই তাঁর মোহর। এর বিনিময়ে তিনি তাঁকে বিয়ে করেছেন। এরপর পথে উম্মে সুলায়ম (রাযিঃ) সাফিয়্যা (রাযিঃ)-কে সাজিয়ে রাতে রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এর খিদমতে পেশ করলেন। নবী (ﷺ) বাসর রাত যাপন করে ভোরে উঠলেন। তিনি ঘোষণা দিলেনঃ যার কাছে খানার কিছু আছে সে যেন তা নিয়ে আসে। এ বলে তিনি একটা চামড়ার দস্তরখান বিছালেন। কেউ খেজুর নিয়ে আসলো, কেউ ঘি আনলো। আব্দুল আযীয (রাহঃ) বলেনঃ আমার মনে হয় আনাস (রাযিঃ) ছাতুর কথাও উল্লেখ করেছেন। তারপর তাঁরা এসব মিশিয়ে খাবার তৈরী করলেন। এ-ই ছিল রাসূল (ﷺ) এর ওয়ালীমা।
كتاب الصلاة
باب مَا يُذْكَرُ فِي الْفَخِذِ وَيُرْوَى عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ وَجَرْهَدٍ وَمُحَمَّدِ بْنِ جَحْشٍ عَنِ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: الْفَخِذُ عَوْرَةٌوَقَالَ أَنَسٌ حَسَرَ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ عَنْ فَخِذِهِ. وَحَدِيثُ أَنَسٍ أَسْنَدُ، وَحَدِيثُ جَرْهَدٍ أَحْوَطُ* حَتَّى يُخْرَجَ مِنِ اخْتِلاَفِهِمْ. وَقَالَ أَبُو مُوسَى غَطَّى النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ رُكْبَتَيْهِ حِينَ دَخَلَ عُثْمَانُ. وَقَالَ زَيْدُ بْنُ ثَابِتٍ أَنْزَلَ اللَّهُ عَلَى رَسُولِهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَفَخِذُهُ عَلَى فَخِذِي فَثَقُلَتْ عَلَيَّ حَتَّى خِفْتُ أَنْ تُرَضَّ فَخِذِي
*(أسند) أقوى وأحسن سندا. (احوط) أكثر احتياطا في أمر الستر. (اختلافهم) أي العلماء فإن الجمهور قالوا بوجوب ستر الفخذ وأنه عورة وهو مذهب أبي حنيفة والشافعي ومالك في أصح أقواله وأحمد في أصح روايتيه فالأخذ به أسلم.
371 - حَدَّثَنَا يَعْقُوبُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، قَالَ: حَدَّثَنَا إِسْمَاعِيلُ بْنُ عُلَيَّةَ، قَالَ: حَدَّثَنَا عَبْدُ العَزِيزِ بْنُ صُهَيْبٍ، عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ غَزَا خَيْبَرَ، فَصَلَّيْنَا عِنْدَهَا صَلاَةَ الغَدَاةِ بِغَلَسٍ، فَرَكِبَ نَبِيُّ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَرَكِبَ أَبُو طَلْحَةَ، وَأَنَا رَدِيفُ أَبِي طَلْحَةَ، فَأَجْرَى نَبِيُّ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فِي زُقَاقِ خَيْبَرَ، وَإِنَّ رُكْبَتِي لَتَمَسُّ فَخِذَ نَبِيِّ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، ثُمَّ حَسَرَ الإِزَارَ عَنْ فَخِذِهِ حَتَّى إِنِّي أَنْظُرُ إِلَى بَيَاضِ فَخِذِ نَبِيِّ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، فَلَمَّا دَخَلَ القَرْيَةَ قَالَ: " اللَّهُ أَكْبَرُ خَرِبَتْ خَيْبَرُ إِنَّا إِذَا نَزَلْنَا بِسَاحَةِ قَوْمٍ {فَسَاءَ صَبَاحُ المُنْذَرِينَ} [الصافات: 177] " قَالَهَا ثَلاَثًا، قَالَ: وَخَرَجَ القَوْمُ إِلَى أَعْمَالِهِمْ، فَقَالُوا: مُحَمَّدٌ، قَالَ عَبْدُ العَزِيزِ: وَقَالَ بَعْضُ أَصْحَابِنَا: وَالخَمِيسُ - يَعْنِي الجَيْشَ - قَالَ: فَأَصَبْنَاهَا عَنْوَةً، فَجُمِعَ السَّبْيُ، فَجَاءَ دِحْيَةُ الكَلْبِيُّ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ، فَقَالَ: يَا نَبِيَّ اللَّهِ، أَعْطِنِي جَارِيَةً مِنَ السَّبْيِ، قَالَ: «اذْهَبْ فَخُذْ جَارِيَةً» ، فَأَخَذَ صَفِيَّةَ بِنْتَ حُيَيٍّ، فَجَاءَ رَجُلٌ إِلَى النَّبِيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَقَالَ: يَا نَبِيَّ اللَّهِ، أَعْطَيْتَ دِحْيَةَ صَفِيَّةَ بِنْتَ حُيَيٍّ، سَيِّدَةَ قُرَيْظَةَ وَالنَّضِيرِ، لاَ تَصْلُحُ إِلَّا لَكَ، قَالَ: «ادْعُوهُ بِهَا» فَجَاءَ بِهَا، فَلَمَّا نَظَرَ إِلَيْهَا النَّبِيُّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ: «خُذْ جَارِيَةً مِنَ السَّبْيِ غَيْرَهَا» ، قَالَ: فَأَعْتَقَهَا النَّبِيُّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَتَزَوَّجَهَا، فَقَالَ لَهُ ثَابِتٌ: يَا أَبَا حَمْزَةَ، مَا أَصْدَقَهَا؟ قَالَ: نَفْسَهَا، أَعْتَقَهَا وَتَزَوَّجَهَا، حَتَّى إِذَا كَانَ بِالطَّرِيقِ، جَهَّزَتْهَا لَهُ أُمُّ [ص:84] سُلَيْمٍ، فَأَهْدَتْهَا لَهُ مِنَ اللَّيْلِ، فَأَصْبَحَ النَّبِيُّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ عَرُوسًا، فَقَالَ: «مَنْ كَانَ عِنْدَهُ شَيْءٌ فَلْيَجِئْ بِهِ» وَبَسَطَ نِطَعًا، فَجَعَلَ الرَّجُلُ يَجِيءُ بِالتَّمْرِ، وَجَعَلَ الرَّجُلُ يَجِيءُ بِالسَّمْنِ، قَالَ: وَأَحْسِبُهُ قَدْ ذَكَرَ السَّوِيقَ، قَالَ: فَحَاسُوا حَيْسًا، فَكَانَتْ وَلِيمَةَ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ

সহীহ বুখারী

হাদীস নং: ৩৬৫
আন্তর্জাতিক নং: ৩৭২
- নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ২৫৪। মহিলারা নামায আদায় করতে কয়টি কাপড় পরবে।
ইকরিমা (রাহঃ) বলেনঃ যদি একটি কাপড়ে মহিলার সমস্ত শরীর ঢেকে যায় তবে তাতেই নামায জায়েয হবে।
৩৬৫। আবুল ইয়ামান (রাহঃ) .... আয়িশা (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেনঃ নবী (ﷺ) ফযরের নামায আদায় করতেন আর তাঁর সঙ্গে অনেক মু’মিন মহিলা চাদর দিয়ে গা ঢেকে শরীক হতেন। তারপর তাঁরা নিজ নিজ ঘরে ফিরে যেতেন। আর তাঁদের কেউ চিনতে পারতো না।
كتاب الصلاة
باب فِي كَمْ تُصَلِّي الْمَرْأَةُ فِي الثِّيَابِ وَقَالَ عِكْرِمَةُ لَوْ وَارَتْ جَسَدَهَا فِي ثَوْبٍ لأَجَزْتُهُ
372 - حَدَّثَنَا أَبُو اليَمَانِ، قَالَ: أَخْبَرَنَا شُعَيْبٌ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، قَالَ: أَخْبَرَنِي عُرْوَةُ، أَنَّ عَائِشَةَ، قَالَتْ: لَقَدْ «كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يُصَلِّي الفَجْرَ، فَيَشْهَدُ مَعَهُ نِسَاءٌ مِنَ المُؤْمِنَاتِ مُتَلَفِّعَاتٍ فِي مُرُوطِهِنَّ، ثُمَّ يَرْجِعْنَ إِلَى بُيُوتِهِنَّ مَا يَعْرِفُهُنَّ أَحَدٌ»

সহীহ বুখারী

হাদীস নং: ৩৬৬
আন্তর্জাতিক নং: ৩৭৩
- নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ২৫৫। কারুকার্য খচিত কাপড়ে নামায আদায় করা এবং ঐ কারুকার্যে দৃষ্টি পড়া
৩৬৬। আহমদ ইবনে ইউনুস (রাহঃ) .... আয়িশা (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেনঃ রাসূলুল্লাহ (ﷺ) একদা একটি কারুকার্য খচিত চাদর গায়ে দিয়ে নামায আদায় করলেন। আর নামাযে সে চাদরের কারুকার্যের প্রতি তাঁর দৃষ্টি পড়ল। নামায শেষে তিনি বললেনঃ এ চাদরখানা আবু জাহমের কাছে নিয়ে যাও, আর তার কাছ থেকে আমবিজানিয়্যা (কারুকার্য ছাড়া মোটা চাঁদর) নিয়ে আস। এটা তো আমাকে নামায থেকে অমনোযোগী করে দিচ্ছিল।
হিশাম ইবনে উরওয়া (রাহঃ) তাঁর পিতা থেকে এবং তিনি ’আয়িশা (রাযিঃ) থেকে বর্ণনা করেন যে, নবী (ﷺ) বলেছেনঃ আমি নামায আদায়ের সময় এর কারুকার্যের প্রতি আমার দৃষ্টি পড়ে। তখন আমি আশঙ্কা করছিলাম যে, এটা আমাকে ফিতনায় ফেলে দিতে পারে।
كتاب الصلاة
باب إِذَا صَلَّى فِي ثَوْبٍ لَهُ أَعْلاَمٌ وَنَظَرَ إِلَى عَلَمِهَا
373 - حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ يُونُسَ، قَالَ: حَدَّثَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ سَعْدٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا ابْنُ شِهَابٍ، عَنْ عُرْوَةَ، عَنْ عَائِشَةَ، أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ صَلَّى فِي خَمِيصَةٍ لَهَا أَعْلاَمٌ، فَنَظَرَ إِلَى أَعْلاَمِهَا نَظْرَةً، فَلَمَّا انْصَرَفَ قَالَ: «اذْهَبُوا بِخَمِيصَتِي هَذِهِ إِلَى أَبِي جَهْمٍ وَأْتُونِي بِأَنْبِجَانِيَّةِ أَبِي جَهْمٍ، فَإِنَّهَا أَلْهَتْنِي آنِفًا عَنْ صَلاَتِي» وَقَالَ هِشَامُ بْنُ عُرْوَةَ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ عَائِشَةَ، قَالَ النَّبِيُّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «كُنْتُ أَنْظُرُ إِلَى عَلَمِهَا، وَأَنَا فِي الصَّلاَةِ فَأَخَافُ أَنْ تَفْتِنَنِي»

সহীহ বুখারী

হাদীস নং: ৩৬৭
আন্তর্জাতিক নং: ৩৭৪
- নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ২৫৬। ক্রুশ চিহ্ন অথবা ছবিযুক্ত কাপড়ে নামায ফাসিদ হবে কিনা এবং এ সম্মন্ধে নিষেধাজ্ঞা
৩৬৭। আবু মা’মার আব্দুল্লাহ ইবনে আমর (রাহঃ) .... আনাস (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত, আয়িশা (রাযিঃ)-এর কাছে একটা বিচিত্র রংের পাতলা পর্দার কাপড় ছিল। তিনি তা ঘরের একদিকে পর্দা হিসেবে ব্যবহার করছিলেন। নবী (ﷺ) বললেনঃ আমার সম্মুখ থেকে এই পর্দা সরিয়ে নাও। কারণ নামায আদায় করার সময় এর ছবিগুলো আমার সামনে ভেসে ওঠে।
كتاب الصلاة
بَابُ إِنْ صَلَّى فِي ثَوْبٍ مُصَلَّبٍ أَوْ تَصَاوِيرَ هَلْ تَفْسُدُ صَلاَتُهُ وَمَا يُنْهَى عَنْ ذَلِكَ
374 - حَدَّثَنَا أَبُو مَعْمَرٍ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ عَمْرٍو، قَالَ: حَدَّثَنَا عَبْدُ الوَارِثِ، قَالَ: حَدَّثَنَا عَبْدُ العَزِيزِ بْنُ صُهَيْبٍ، عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ، كَانَ قِرَامٌ لِعَائِشَةَ سَتَرَتْ بِهِ جَانِبَ بَيْتِهَا، فَقَالَ النَّبِيُّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «أَمِيطِي عَنَّا قِرَامَكِ هَذَا، فَإِنَّهُ لاَ تَزَالُ تَصَاوِيرُهُ تَعْرِضُ فِي صَلاَتِي»

সহীহ বুখারী

হাদীস নং: ৩৬৮
আন্তর্জাতিক নং: ৩৭৫
- নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ২৫৭। রেশমী জুব্বা পরে নামায আদায় করা ও পরে তা খুলে ফেলা
৩৬৮। আব্দুল্লাহ ইবনে ইউসুফ (রাহঃ) .... উকবা ইবনে আমির (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেনঃ নবী (ﷺ)-কে একটা রেশমি জুব্বা হাদিয়া হিসাবে দেওয়া হয়েছিল। তিনি তা পরিধান করে নামায আদায় করলেন। কিন্তু নামায শেষ হওয়ার সাথে সাথে দ্রুত তা খুলে ফেললেন, যেন তিনি তা পরা অপছন্দ করছিলেন। তারপর তিনি বললেনঃ মুত্তাকীদের জন্যে এই পোশাক সমীচীন নয়।
كتاب الصلاة
باب مَنْ صَلَّى فِي فَرُّوجِ حَرِيرٍ ثُمَّ نَزَعَهُ
375 - حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ يُوسُفَ، قَالَ: حَدَّثَنَا اللَّيْثُ، عَنْ يَزِيدَ بْنِ أَبِي حَبِيبٍ، عَنْ أَبِي الخَيْرِ، عَنْ عُقْبَةَ بْنِ عَامِرٍ، قَالَ: أُهْدِيَ إِلَى النَّبِيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَرُّوجُ حَرِيرٍ، فَلَبِسَهُ، فَصَلَّى فِيهِ، ثُمَّ انْصَرَفَ، فَنَزَعَهُ نَزْعًا شَدِيدًا كَالكَارِهِ لَهُ، وَقَالَ: «لاَ يَنْبَغِي هَذَا لِلْمُتَّقِينَ»

সহীহ বুখারী

হাদীস নং: ৩৬৯
আন্তর্জাতিক নং: ৩৭৬
- নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ২৫৮। লাল কাপড় পরে নামায আদায় করা
৩৬৯। মুহাম্মাদ ইবনে আরআরা (রাহঃ) .... আবু জুহায়ফা (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেনঃ আমি রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-কে চামড়ার একটা লাল তাঁবুতে দেখলাম এবং তাঁর জন্য উযুর পানি নিয়ে বিলাল (রাযিঃ)-কে উপস্থিত দেখলাম। আর লোকেরা তাঁর উযুর পানির জন্য প্রতিযোগিতা করছে। কেউ সামান্য পানি পাওয়া মাত্র তা দিয়ে শরীর মুছে নিচ্ছে। আর যে পায়নি সে তাঁর সাথীর ভেজা হাত থেকে নিয়ে নিচ্ছে। তারপর বিলাল (রাযিঃ) রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এর একটি লৌহফলকযুক্ত ছড়ি নিয়ে এসে তা মাটিতে পুতে দিলেন। নবী (ﷺ) একটা লাল ডোরাযুক্ত পোশাক পরে বের হলেন, তাঁর তহবন্দ কিঞ্চিত উঁচু করে পরা ছিল। সে ছড়িটি সামনে রেখে লোকদের নিয়ে দুরাকআত নামায আদায় করলেন। আর মানুষ ও জন্তু -জানোয়ার ঐ ছড়িটির বাইরে চলাফেরা করছিলো।
كتاب الصلاة
باب الصَّلاَةِ فِي الثَّوْبِ الأَحْمَرِ
376 - حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَرْعَرَةَ، قَالَ: حَدَّثَنِي عُمَرُ بْنُ أَبِي زَائِدَةَ، عَنْ عَوْنِ بْنِ أَبِي جُحَيْفَةَ، عَنْ أَبِيهِ، قَالَ: «رَأَيْتُ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فِي قُبَّةٍ حَمْرَاءَ مِنْ أَدَمٍ، وَرَأَيْتُ بِلاَلًا أَخَذَ وَضُوءَ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، وَرَأَيْتُ النَّاسَ يَبْتَدِرُونَ ذَاكَ الوَضُوءَ، فَمَنْ أَصَابَ مِنْهُ شَيْئًا تَمَسَّحَ بِهِ، وَمَنْ لَمْ يُصِبْ مِنْهُ شَيْئًا أَخَذَ مِنْ بَلَلِ يَدِ صَاحِبِهِ، ثُمَّ رَأَيْتُ بِلاَلًا أَخَذَ عَنَزَةً، فَرَكَزَهَا وَخَرَجَ النَّبِيُّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فِي حُلَّةٍ حَمْرَاءَ، مُشَمِّرًا [ص:85] صَلَّى إِلَى العَنَزَةِ بِالنَّاسِ رَكْعَتَيْنِ، وَرَأَيْتُ النَّاسَ وَالدَّوَابَّ يَمُرُّونَ مِنْ بَيْنِ يَدَيِ العَنَزَةِ»

সহীহ বুখারী

হাদীস নং: ৩৭০
আন্তর্জাতিক নং: ৩৭৭
- নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ২৫৯। ছাদ, মিম্বর ও কাঠের উপর নামায আদায় করা।
আবু আব্দুল্লাহ (ইমাম বুখারী) (রাহঃ) বলেনঃ হাসান বসরী (রাহঃ) বরফ ও পুলের উপর নামায আদায় করা দূষণীয় মনে করতেন না-যদিও তার নীচ দিয়ে, উপর দিয়ে অথবা সামনের দিক দিয়ে পেশাব প্রবাহিত হয়; যদি উভয়ের মাঝে কোন ব্যবধান থাকে।
আবু হুরায়ারা (রাযিঃ) মসজিদের ছাদে ইমামের সাথে নামায আদায় করেছিলেন।
ইবনে উমর (রাযিঃ) বরফের উপর নামায আদায় করেছেন।
৩৭০। আলী ইবনে আব্দুল্লাহ (রাহঃ) ..... আবু হাযিম (রাহঃ) থেকে বর্ণিত যে, লোকেরা সাহল ইবনে সা’দ (রাযিঃ)-কে জিজ্ঞাসা করলঃ (নবী (ﷺ) এর) মিম্বর কিসের তৈরী ছিল? তিনি বললেনঃ এ বিষয়ে আমার চাইতে জ্ঞাত আর কেউ নেই। তা ছিল গাবা নামক স্থানের ঝাউগাছের কাঠ দিয়ে তৈরী। অমুক মহিলার আযাদকৃত দাস অমুক ব্যক্তি রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এর জন্য তা তৈরী করেছিল। তা পুরোপুরি তৈরী ও স্থাপিত হওয়ার পর রাসূলুল্লাহ (ﷺ) তার উপর দাড়িয়ে কিবলার দিকে মুখ করে তাকবীর বললেন। লোকেরা তাঁর পেছনে দাঁড়িয়ে গেলেন। তারপর তিনি কিরাআত পড়লেন ও রুকূতে গেলেন। সকলেই তাঁর পেছনে রুকূতে গেলেন। তারপর তিনি মাথা তুলে পেছনে সরে গিয়ে মাটিতে সিজদা করলেন। আবার মিম্বরে ফিরে আসলেন এবং কিরাআত পড়ে রুকূতে গেলেন। তারপর তাঁর মাথা তুললেন এবং পেছনে সরে গিয়ে মাটিতে সিজদা করলেন। এ হল মিম্বরের ইতিহাস।

আবু আব্দুল্লাহ (ইমাম বুখারী) (রাহঃ) বলেনঃ আলী ইবনে আব্দুল্লাহ (রাহঃ) বলেছেন যে, আমাকে আহমদ ইবনে হাম্বল (রাহঃ) এ হাদীস সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করেছিলেন এবং বলেছিলেনঃ আমার ধারণা, নবী (ﷺ) সবচাইতে উঁচু স্থানে ছিলেন। সুতরাং ইমামের মুক্তাদীরের চাইতে উঁচু স্থানে দাঁড়ানোতে কোন দোষ নেই।

আলী ইবনে আব্দুল্লাহ (রাহঃ) বলেনঃ আমি আহমদ ইবনে হাম্বল (রাহঃ)-কে বললামঃ সুফিয়ান ইবনে উয়াইনা (রাহঃ)-কে এ বিষয়ে বহুবার প্রশ্ন করা হয়েছে, আপনি তাঁর কাছে এ বিষয়ে কিছু শোনেন নি? তিনি জবাব দিলেনঃ না।
كتاب الصلاة
باب الصَّلاَةِ فِي السُّطُوحِ وَالْمِنْبَرِ وَالْخَشَبِ قَالَ أَبُو عَبْدِ اللَّهِ وَلَمْ يَرَ الْحَسَنُ بَأْسًا أَنْ يُصَلَّى عَلَى الْجَمْدِ وَالْقَنَاطِرِ، وَإِنْ جَرَى تَحْتَهَا بَوْلٌ أَوْ فَوْقَهَا أَوْ أَمَامَهَا، إِذَا كَانَ بَيْنَهُمَا سُتْرَةٌ. وَصَلَّى أَبُو هُرَيْرَةَ عَلَى ظَهْرِ الْمَسْجِدِ بِصَلاَةِ الإِمَامِ. وَصَلَّى ابْنُ عُمَرَ عَلَى الثَّلْجِ
377 - حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ، قَالَ: حَدَّثَنَا سُفْيَانُ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَبُو حَازِمٍ، قَالَ: سَأَلُوا سَهْلَ بْنَ سَعْدٍ: مِنْ أَيِّ شَيْءٍ المِنْبَرُ؟ فَقَالَ: مَا بَقِيَ بِالنَّاسِ أَعْلَمُ مِنِّي، هُوَ مِنْ أَثْلِ الغَابَةِ عَمِلَهُ فُلاَنٌ مَوْلَى فُلاَنَةَ لِرَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، «وَقَامَ عَلَيْهِ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ حِينَ عُمِلَ وَوُضِعَ، فَاسْتَقْبَلَ القِبْلَةَ، كَبَّرَ وَقَامَ النَّاسُ خَلْفَهُ، فَقَرَأَ وَرَكَعَ وَرَكَعَ النَّاسُ، خَلْفَهُ ثُمَّ رَفَعَ رَأْسَهُ ثُمَّ رَجَعَ القَهْقَرَى، فَسَجَدَ عَلَى الأَرْضِ، ثُمَّ عَادَ إِلَى المِنْبَرِ، ثُمَّ رَكَعَ ثُمَّ رَفَعَ رَأْسَهُ، ثُمَّ رَجَعَ القَهْقَرَى حَتَّى سَجَدَ بِالأَرْضِ» ، فَهَذَا شَأْنُهُ، قَالَ أَبُو عَبْدِ اللَّهِ: قَالَ عَلِيُّ بْنُ المَدِينِيِّ: " سَأَلَنِي أَحْمَدُ بْنُ حَنْبَلٍ رَحِمَهُ اللَّهُ عَنْ هَذَا الحَدِيثِ، قَالَ: فَإِنَّمَا أَرَدْتُ أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ كَانَ أَعْلَى مِنَ النَّاسِ فَلاَ بَأْسَ أَنْ يَكُونَ الإِمَامُ أَعْلَى مِنَ النَّاسِ بِهَذَا الحَدِيثِ، قَالَ: فَقُلْتُ: إِنَّ سُفْيَانَ بْنَ عُيَيْنَةَ كَانَ يُسْأَلُ عَنْ هَذَا كَثِيرًا فَلَمْ تَسْمَعْهُ مِنْهُ قَالَ: لاَ "

সহীহ বুখারী

হাদীস নং: ৩৭১
আন্তর্জাতিক নং: ৩৭৮
- নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ২৫৯। ছাদ, মিম্বর ও কাঠের উপর নামায আদায় করা।
৩৭১। মুহাম্মাদ ইবনে আব্দুর রহীম (রাহঃ) .... আনাস ইবনে মালিক (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত যে, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) একবার ঘোড়া থেকে পড়ে গেলেন, এতে তাঁর পায়ের ‘গোছায়’ অথবা (রাবী বলেছেন) ‘কাঁধে’ আঘাত পান। তিনি তাঁর স্ত্রীদের থেকে এক মাসের জন্য পৃথক হয়ে থাকেন। তখন তিনি ঘরের উপরের কক্ষে অবস্থান করেন যার সিড়ি ছিল খেজুর গাছের কান্ডের তৈরী। সাহাবীগণ তাঁকে দেখতে এলেন, তিনি তাঁদের নিয়ে বসে নামায আদায় করলেন, আর তাঁরা ছিল দাঁড়ানো। সালাম ফিরিয়ে তিনি বললেনঃ ইমাম এজন্য যে মুক্তাদীরা তার অনুসরণ করবে।* সুতরাং ইমাম তাকবীর বললে তোমরাও তাকবীর বলবে, তিনি রুকু করলে তোমরাও রুকু করবে। তিনি সিজদা দিলে তোমরাও করবে। ইমাম দাঁড়িয়ে নামায আদায় করলে তোমরাও দাঁড়িয়ে নামায আদায় করবে। তারপর উনত্রিশ দিন পূর্ণ হলে তিনি নেমে আসলেন। তখন লোকেরা বললেন, ইয়া রাসুলাল্লাহ! আপনি তো এক মাসের শপথ করেছিলেন। তিনি বললেনঃ এ মাস উনত্রিশ দিনের।

*রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর আখেরী আমলের দ্বারা ওযরবশতঃ ইমাম বসে নামায আদায় করলে মুক্তাদীগণেরও বসে নামায আদায় করার হুকুম রহিত হয়ে গিয়েছে। (উমদাতুল ক্বারী ৪খ. পৃ. ১০৬)
كتاب الصلاة
باب الصَّلاَةِ فِي السُّطُوحِ وَالْمِنْبَرِ وَالْخَشَبِ
378 - حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ الرَّحِيمِ، قَالَ: حَدَّثَنَا يَزِيدُ بْنُ هَارُونَ، قَالَ: أَخْبَرَنَا حُمَيْدٌ الطَّوِيلُ، عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ: أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ سَقَطَ عَنْ فَرَسِهِ فَجُحِشَتْ سَاقُهُ - أَوْ كَتِفُهُ - وَآلَى مِنْ نِسَائِهِ شَهْرًا، فَجَلَسَ فِي مَشْرُبَةٍ لَهُ دَرَجَتُهَا مِنْ جُذُوعٍ، فَأَتَاهُ أَصْحَابُهُ يَعُودُونَهُ، فَصَلَّى بِهِمْ جَالِسًا وَهُمْ قِيَامٌ، فَلَمَّا سَلَّمَ قَالَ: «إِنَّمَا جُعِلَ الإِمَامُ لِيُؤْتَمَّ بِهِ، فَإِذَا كَبَّرَ فَكَبِّرُوا، وَإِذَا رَكَعَ فَارْكَعُوا، وَإِذَا سَجَدَ فَاسْجُدُوا، وَإِنْ صَلَّى قَائِمًا فَصَلُّوا قِيَامًا» وَنَزَلَ لِتِسْعٍ وَعِشْرِينَ، فَقَالُوا: يَا رَسُولَ اللَّهِ، إِنَّكَ آلَيْتَ شَهْرًا، فَقَالَ: «إِنَّ الشَّهْرَ تِسْعٌ وَعِشْرُونَ»

সহীহ বুখারী

হাদীস নং: ৩৭২
আন্তর্জাতিক নং: ৩৭৯
- নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ২৬০। মুসল্লীর কাপড় সিজদা করার সময় স্ত্রীর গায়ে লাগা
৩৭২। মুসাদ্দাদ (রাহঃ) ..... মায়মুনা (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেনঃ রাসূলুল্লাহ (ﷺ) যখন নামায আদায় করতেন তখন হায়য অবস্থায় থাকা সত্ত্বেও আমি তাঁর বরাবর বসে থাকতাম। কখনো কখনো তিনি সিজদা করার সময় তাঁর কাপড় আমার গায়ে লাগতো। আর তিনি ছোট চাটাইয়ের উপর নামায আদায় করতেন।
كتاب الصلاة
باب إِذَا أَصَابَ ثَوْبُ الْمُصَلِّي امْرَأَتَهُ إِذَا سَجَدَ
379 - حَدَّثَنَا مُسَدَّدٌ، عَنْ خَالِدٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا سُلَيْمَانُ الشَّيْبَانِيُّ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ شَدَّادٍ، عَنْ مَيْمُونَةَ، قَالَتْ: كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ " يُصَلِّي وَأَنَا حِذَاءَهُ، وَأَنَا حَائِضٌ، وَرُبَّمَا أَصَابَنِي ثَوْبُهُ إِذَا سَجَدَ، قَالَتْ: وَكَانَ يُصَلِّي عَلَى الخُمْرَةِ "

সহীহ বুখারী

হাদীস নং: ৩৭৩
আন্তর্জাতিক নং: ৩৮০
- নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ২৬১। চাটাইয়ের উপর নামায আদায় করা।
জাবির ইবনে আব্দুল্লাহ ও আবু সাঈদ (রাযিঃ) নৌকায় দাঁড়িয়ে নামায আদায় করেছেন।
হাসান (রাহঃ) বলেন, যতক্ষণ পর্যন্ত সাথীদের জন্য কষ্টকর না হয়, ততক্ষণ পর্যন্ত দাঁড়িয়ে নামায আদায় করবে। আর নৌকার দিক পরিবর্তনের সাথে সাথে ঘুরে যাবে। অন্যথায় বসে নামায আদায় করবে।
৩৭৩। আব্দুল্লাহ ইবনে ইউসুফ (রাহঃ) ..... আনাস ইবনে মালিক (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত যে, তাঁর দাদী মুলায়কাহ (রাযিঃ) রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-কে খাওয়ার দাওয়াত দিলেন, যা তাঁর জন্যই তৈরী করেছিলেন। তিনি তা থেকে খেলেন, এরপর বললেনঃ উঠ, তোমাদের নিয়ে আমি নামায আদায় করি। আনাস (রাযিঃ) বলেনঃ আমি আমাদের একটি চাটাই আনার জন্য উঠলাম, তা অধিক ব্যবহারে কাল হয়ে গিয়েছিল। তাই আমি সেটি পানি দিয়ে পরিষ্কার করে নিলাম। তারপর রাসূলুল্লাহ (ﷺ) নামাযের জন্য দাঁড়ালেন। আমি ও একজন ইয়াতীম বালক (যুমায়রা) তাঁর পেছনে দাঁড়ালাম আর বৃদ্ধা দাদী আমাদের পেছনে ছিলেন। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) আমাদের নিয়ে দু’রাকআত নামায আদায় করলেন। তারপর তিনি চলে গেলেন।
كتاب الصلاة
باب الصَّلاَةِ عَلَى الْحَصِيرِ وَصَلَّى جَابِرٌ وَأَبُو سَعِيدٍ فِي السَّفِينَةِ قَائِمًا. وَقَالَ الْحَسَنُ تُصَلِّي قَائِمًا مَا لَمْ تَشُقَّ عَلَى أَصْحَابِكَ، تَدُورُ مَعَهَا وَإِلاَّ فَقَاعِدًا
380 - حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ يُوسُفَ، قَالَ: أَخْبَرَنَا مَالِكٌ، عَنْ إِسْحَاقَ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ أَبِي طَلْحَةَ، عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ، أَنَّ جَدَّتَهُ مُلَيْكَةَ دَعَتْ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ لِطَعَامٍ صَنَعَتْهُ لَهُ، فَأَكَلَ مِنْهُ، ثُمَّ قَالَ: «قُومُوا فَلِأُصَلِّ لَكُمْ» قَالَ أَنَسٌ: فَقُمْتُ إِلَى حَصِيرٍ لَنَا، قَدِ اسْوَدَّ مِنْ طُولِ مَا لُبِسَ، فَنَضَحْتُهُ بِمَاءٍ، فَقَامَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، وَصَفَفْتُ وَاليَتِيمَ وَرَاءَهُ، وَالعَجُوزُ مِنْ وَرَائِنَا، فَصَلَّى لَنَا رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ رَكْعَتَيْنِ، ثُمَّ انْصَرَفَ

সহীহ বুখারী

হাদীস নং: ৩৭৪
আন্তর্জাতিক নং: ৩৮১
- নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ২৬২। ছোট চাটায়ের উপর নামায আদায় করা
৩৭৪। আবুল ওলীদ (রাহঃ) ......... মায়মুনা (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেনঃ নবী (ﷺ) ছোট চাটায়ের উপর নামায আদায় করতেন।
كتاب الصلاة
باب الصَّلاَةِ عَلَى الْخُمْرَةِ
381 - حَدَّثَنَا أَبُو الوَلِيدِ، قَالَ: حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، قَالَ: حَدَّثَنَا سُلَيْمَانُ الشَّيْبَانِيُّ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ شَدَّادٍ، عَنْ مَيْمُونَةَ، قَالَتْ: «كَانَ النَّبِيُّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يُصَلِّي عَلَى الخُمْرَةِ»

সহীহ বুখারী

হাদীস নং: ৩৭৫
আন্তর্জাতিক নং: ৩৮২
- নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ২৬৩। বিছানায় নামায আদায় করা।
আনাস ইবনে মালিক (রাযিঃ) নিজের বিছানায় নামায আদায় করতেন। আনাস (রাযিঃ) বলেনঃ আমরা নবী (ﷺ) এর সঙ্গে নামায আদায় করতাম। আমাদের কেউ কেউ নিজ কাপড়ের উপর সিজদা করতো।
৩৭৫। ইসমাঈল (রাহঃ) .... নবী (ﷺ) এর স্ত্রী আয়িশা (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেনঃ আমি রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর সামনে ঘুমাতাম, আমার পা দু’খানা তাঁর কিবলার দিকে ছিল। তিনি সিজদায় গেলে আমার পায়ে মৃদু চাপ দিতেন, তখন আমি পা দু’খানা সংকুচিত করতাম। আর তিনি দাঁড়িয়ে গেলে আমি পা দু’খানা সম্প্রসারিত করতাম। তিনি বলেনঃ সে সময় ঘরগুলোতে বাতি ছিল না।
كتاب الصلاة
باب الصَّلاَةِ عَلَى الْفِرَاشِ وَصَلَّى أَنَسٌ عَلَى فِرَاشِهِ. وَقَالَ أَنَسٌ كُنَّا نُصَلِّي مَعَ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَيَسْجُدُ أَحَدُنَا عَلَى ثَوْبِهِ
382 - حَدَّثَنَا إِسْمَاعِيلُ، قَالَ: حَدَّثَنِي مَالِكٌ، عَنْ أَبِي النَّضْرِ مَوْلَى عُمَرَ بْنِ عُبَيْدِ اللَّهِ، عَنْ أَبِي سَلَمَةَ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ، عَنْ عَائِشَةَ زَوْجِ النَّبِيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، أَنَّهَا قَالَتْ: «كُنْتُ أَنَامُ بَيْنَ يَدَيْ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَرِجْلاَيَ، فِي قِبْلَتِهِ فَإِذَا سَجَدَ غَمَزَنِي، فَقَبَضْتُ رِجْلَيَّ، فَإِذَا قَامَ بَسَطْتُهُمَا» ، قَالَتْ: وَالبُيُوتُ يَوْمَئِذٍ لَيْسَ فِيهَا مَصَابِيحُ

সহীহ বুখারী

হাদীস নং: ৩৭৬
আন্তর্জাতিক নং: ৩৮৩
- নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ২৬৩। বিছানায় নামায আদায় করা।
৩৭৬। ইয়াহয়া ইবনে বুকায়র (রাহঃ) ..... আয়িশা (রাযিঃ) উরওয়া (রাহঃ)-কে বলেন যে, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) নামায আদায় করতেন আর তিনি [আয়িশা (রাযিঃ)] রাসূলুল্লাহ (ﷺ) ও তাঁর কিবলার মধ্যে পারিবারিক বিছানায় জানাযার মত আড়াআড়িভাবে শুয়ে থাকতেন।
كتاب الصلاة
باب الصَّلاَةِ عَلَى الْفِرَاشِ
383 - حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ بُكَيْرٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا اللَّيْثُ، حَدَّثَنِي عُقَيْلٌ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، قَالَ: أَخْبَرَنِي عُرْوَةُ، أَنَّ عَائِشَةَ أَخْبَرَتْهُ، «أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ كَانَ يُصَلِّي وَهِيَ بَيْنَهُ وَبَيْنَ القِبْلَةِ عَلَى فِرَاشِ أَهْلِهِ اعْتِرَاضَ الجَنَازَةِ»

সহীহ বুখারী

হাদীস নং: ৩৭৭
আন্তর্জাতিক নং: ৩৮৪
- নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ২৬৩। বিছানায় নামায আদায় করা।
৩৭৭। আব্দুল্লাহ ইবনে ইউসুফ (রাহঃ) .... উরওয়া (রাঃ) থেকে বর্ণিত যে, নবী (ﷺ) নামায আদায় করতেন, আর আয়িশা (রাযিঃ) তাঁর ও তাঁর কিবলার মাঝখানে তাঁদের বিছানায় শুয়ে থাকতেন।
كتاب الصلاة
باب الصَّلاَةِ عَلَى الْفِرَاشِ
384 - حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ يُوسُفَ، قَالَ: حَدَّثَنَا اللَّيْثُ، عَنْ يَزِيدَ، عَنْ عِرَاكٍ، عَنْ عُرْوَةَ، «أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ كَانَ يُصَلِّي وَعَائِشَةُ مُعْتَرِضَةٌ بَيْنَهُ وَبَيْنَ القِبْلَةِ عَلَى الفِرَاشِ الَّذِي يَنَامَانِ عَلَيْهِ»

সহীহ বুখারী

হাদীস নং: ৩৭৮
আন্তর্জাতিক নং: ৩৮৫
- নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ২৬৪। প্রচণ্ড গরমের সময় কাপড়ের উপর সিজদা করা।
হাসান বসরী (রাহঃ) বলেন, লোকেরা পাগড়ী ও টুপির উপর সিজদা করতো আর তাঁদের হাত থাকতো আস্তিনের ভিতর।
৩৭৮। আবুল ওলীদ হিশাম ইবনে আব্দুল মালিক (রাহঃ) ..... আনাস ইবনে মালিক (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন যে, আমরা নবী (ﷺ) এর সাথে নামায আদায় করতাম। আমাদের কেউ কেউ সিজদার সময় অধিক গরমের কারণে কাপড়ের প্রান্ত সিজদার স্থানে রাখতো।
كتاب الصلاة
باب السُّجُودِ عَلَى الثَّوْبِ فِي شِدَّةِ الْحَرِّ وَقَالَ الْحَسَنُ كَانَ الْقَوْمُ يَسْجُدُونَ عَلَى الْعِمَامَةِ وَالْقَلَنْسُوَةِ وَيَدَاهُ فِي كُمِّهِ
385 - حَدَّثَنَا أَبُو الوَلِيدِ هِشَامُ بْنُ عَبْدِ المَلِكِ، قَالَ: حَدَّثَنَا بِشْرُ بْنُ المُفَضَّلِ، قَالَ: حَدَّثَنِي غَالِبٌ القَطَّانُ، عَنْ بَكْرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ، عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ، قَالَ: «كُنَّا نُصَلِّي مَعَ النَّبِيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، فَيَضَعُ أَحَدُنَا طَرَفَ الثَّوْبِ مِنْ شِدَّةِ الحَرِّ فِي مَكَانِ السُّجُودِ»

সহীহ বুখারী

হাদীস নং: ৩৭৯
আন্তর্জাতিক নং: ৩৮৬
- নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ২৬৫। জুতা পরে নামায আদায় করা
৩৭৯। আদম ইবনে আবু ইয়াস (রাহঃ) .... আবু মাসলামা সাঈদ ইবনে ইয়াযীদ আযদী (রাহঃ) বলেনঃ আমি আনাস ইবনে মালিক (রাযিঃ) কে জিজ্ঞাসা করেছিলাম, নবী (ﷺ) কি তাঁর না’লাইন (চপ্পল) পরে নামায আদায় করতেন? তিনি বললেন, হ্যাঁ।
كتاب الصلاة
باب الصَّلاَةِ فِي النِّعَالِ
386 - حَدَّثَنَا آدَمُ بْنُ أَبِي إِيَاسٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، قَالَ: أَخْبَرَنَا أَبُو مَسْلَمَةَ سَعِيدُ بْنُ يَزِيدَ الأَزْدِيُّ، قَالَ: سَأَلْتُ أَنَسَ بْنَ مَالِكٍ: أَكَانَ النَّبِيُّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يُصَلِّي فِي نَعْلَيْهِ؟ قَالَ: «نَعَمْ»

সহীহ বুখারী

হাদীস নং: ৩৮০
আন্তর্জাতিক নং: ৩৮৭
- নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ২৬৬। মোজা পরে নামায আদায় করা
৩৮০। আদম (রাহঃ) ..... হাম্মাম ইবনে হারিস (রাহঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেনঃ আমি জারীর ইবনে আব্দুল্লাহ (রাযিঃ)-কে দেখলাম যে, তিনি পেশাব করলেন। তারপর উযু করলেন আর উভয় মোজার উপরে মাসাহ করলেন। তারপর তিনি দাঁড়িয়ে নামায আদায় করলেন। তাঁকে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি বললেনঃ আমি নবী (ﷺ)-কেও এরূপ করতে দেখেছি।

ইবরাহীম (রাহঃ) বলেনঃ এই হাদীস মুহাদ্দিসীনের কাছে অত্যন্ত পছন্দনীয়। কারণ জারীর (রাযিঃ) ছিলেন নবী (ﷺ) এর শেষ যুগের ইসলাম গ্রহণকারীদের একজন।
كتاب الصلاة
باب الصَّلاَةِ فِي الْخِفَافِ
387 - حَدَّثَنَا آدَمُ، قَالَ: حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، عَنِ الأَعْمَشِ، قَالَ: سَمِعْتُ إِبْرَاهِيمَ، يُحَدِّثُ عَنْ هَمَّامِ بْنِ الحَارِثِ، قَالَ: رَأَيْتُ جَرِيرَ بْنَ عَبْدِ اللَّهِ «بَالَ، ثُمَّ تَوَضَّأَ وَمَسَحَ عَلَى خُفَّيْهِ، ثُمَّ قَامَ فَصَلَّى» فَسُئِلَ، فَقَالَ: «رَأَيْتُ النَّبِيَّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ صَنَعَ مِثْلَ هَذَا» قَالَ إِبْرَاهِيمُ: «فَكَانَ يُعْجِبُهُمْ لِأَنَّ جَرِيرًا كَانَ مِنْ آخِرِ مَنْ أَسْلَمَ»