হাদীস অনুসন্ধানের ফলাফল

সহীহ বুখারী

হাদীস নং: ৩০১
আন্তর্জাতিক নং: ৩০৭
- হায়েয-ইস্তিহাযার অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ২১১। হায়যের রক্ত ধুয়ে ফেলা
৩০১। আব্দুল্লাহ ইবনে ইউসুফ (রাহঃ) .... আসমা বিনতে আবু বকর সিদ্দীক (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেনঃ এক মহিলা রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-কে জিজ্ঞাসা করলেনঃ ইয়া রাসুলাল্লাহ! আমাদের কারো কাপড়ে হায়যের রক্ত লাগলে কি করবে? রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বললেনঃ তোমাদের কারো কাপড়ে হায়যের রক্ত লাগলে সে তা রগড়িয়ে, তারপর পানিতে ধুয়ে নেবে এবং সে কাপড়ে নামায আদায় করবে।
كتاب الحيض
باب غَسْلِ دَمِ الْمَحِيضِ
307 - حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ يُوسُفَ، قَالَ: أَخْبَرَنَا مَالِكٌ، عَنْ هِشَامِ بْنِ عُرْوَةَ، عَنْ فَاطِمَةَ بِنْتِ المُنْذِرِ، عَنْ أَسْمَاءَ بِنْتِ أَبِي بَكْرٍ الصِّدِّيقِ أَنَّهَا قَالَتْ: سَأَلَتِ امْرَأَةٌ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَقَالَتْ: يَا رَسُولَ اللَّهِ، أَرَأَيْتَ إِحْدَانَا إِذَا أَصَابَ ثَوْبَهَا الدَّمُ مِنَ الحَيْضَةِ كَيْفَ تَصْنَعُ؟ فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «إِذَا أَصَابَ ثَوْبَ إِحْدَاكُنَّ الدَّمُ مِنَ الحَيْضَةِ فَلْتَقْرُصْهُ، ثُمَّ لِتَنْضَحْهُ بِمَاءٍ، ثُمَّ لِتُصَلِّي فِيهِ»

সহীহ বুখারী

হাদীস নং: ৩০২
আন্তর্জাতিক নং: ৩০৮
- হায়েয-ইস্তিহাযার অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ২১১। হায়যের রক্ত ধুয়ে ফেলা
৩০২। আসবাগ (রাহঃ) ......... আয়িশা (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেনঃ আমাদের কারো হায়েয হলে, পাক হওয়ার পর রক্ত রগড়িয়ে কাপড় পানি দিয়ে ধুয়ে সেই কাপড়ে তিনি নামায আদায় করতেন।
كتاب الحيض
باب غَسْلِ دَمِ الْمَحِيضِ
308 - حَدَّثَنَا أَصْبَغُ، قَالَ: أَخْبَرَنِي ابْنُ وَهْبٍ، قَالَ: أَخْبَرَنِي عَمْرُو بْنُ الحَارِثِ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ القَاسِمِ، حَدَّثَهُ عَنْ أَبِيهِ، عَنْ عَائِشَةَ، قَالَتْ: «كَانَتْ إِحْدَانَا تَحِيضُ، ثُمَّ تَقْتَرِصُ الدَّمَ مِنْ ثَوْبِهَا عِنْدَ طُهْرِهَا، فَتَغْسِلُهُ وَتَنْضَحُ عَلَى سَائِرِهِ، ثُمَّ تُصَلِّي فِيهِ»

সহীহ বুখারী

হাদীস নং: ৩০৩
আন্তর্জাতিক নং: ৩০৯
- হায়েয-ইস্তিহাযার অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ২১২। মুসতাহাযা’র ই’তিকাফ
৩০৩। ইসহাক ইবনে শাহীন (রাহঃ) ......... আয়িশা (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেনঃ নবী (ﷺ) এর সঙ্গে তাঁর কোন এক স্ত্রী ইস্তিহাযার অবস্থায় ই’তিকাফ করেন। তিনি রক্ত দেখতেন এবং স্রাবের কারণে প্রায়ই তার নীচে একটি পাত্র রাখতেন। রাবী বলেনঃ আয়িশা (রাযিঃ) হলুদ রংয়ের পানি দেখে বলেছেন, এ যেন রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এর অমুক স্ত্রীর ইস্তিহাযার রক্ত।
كتاب الحيض
باب الاِعْتِكَافِ لِلْمُسْتَحَاضَةِ
309 - حَدَّثَنَا إِسْحَاقُ، قَالَ: حَدَّثَنَا خَالِدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ، عَنْ خَالِدٍ، عَنْ عِكْرِمَةَ، عَنْ عَائِشَةَ، «أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ اعْتَكَفَ مَعَهُ بَعْضُ نِسَائِهِ وَهِيَ مُسْتَحَاضَةٌ تَرَى الدَّمَ» ، فَرُبَّمَا وَضَعَتِ الطَّسْتَ تَحْتَهَا مِنَ الدَّمِ، وَزَعَمَ أَنَّ عَائِشَةَ رَأَتْ مَاءَ العُصْفُرِ، فَقَالَتْ: كَأَنَّ هَذَا شَيْءٌ كَانَتْ فُلاَنَةُ تَجِدُهُ

সহীহ বুখারী

হাদীস নং: ৩০৪
আন্তর্জাতিক নং: ৩১০
- হায়েয-ইস্তিহাযার অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ২১২। মুসতাহাযা’র ই’তিকাফ
৩০৪। কুতায়বা (রাহঃ) .... আয়িশা (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেনঃ রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এর সঙ্গে তার কোন একজন স্ত্রী ই’তিকাফ করেছিলেন। তিনি রক্ত ও হলদে পানি বের হতে দেখতেন আর তাঁর নীচে একটা পাত্র বসিয়ে রাখতেন এবং সে অবস্থায় নামায আদায় করতেন।
كتاب الحيض
باب الاِعْتِكَافِ لِلْمُسْتَحَاضَةِ
310 - حَدَّثَنَا قُتَيْبَةُ، قَالَ: حَدَّثَنَا يَزِيدُ بْنُ زُرَيْعٍ، عَنْ خَالِدٍ، عَنْ عِكْرِمَةَ، عَنْ عَائِشَةَ، قَالَتْ: «اعْتَكَفَتْ مَعَ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ امْرَأَةٌ مِنْ أَزْوَاجِهِ، فَكَانَتْ تَرَى الدَّمَ وَالصُّفْرَةَ وَالطَّسْتُ تَحْتَهَا وَهِيَ تُصَلِّي»

সহীহ বুখারী

হাদীস নং: ৩০৫
আন্তর্জাতিক নং: ৩১১
- হায়েয-ইস্তিহাযার অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ২১২। মুসতাহাযা’র ই’তিকাফ
৩০৫। মুসাদ্দাদ (রাহঃ) ......... আয়িশা (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত, উম্মুল-মু’মিনীনের একজন ইস্তিহাযা অবস্থায় ই'তিকাফ করেছিলেন।
كتاب الحيض
باب الاِعْتِكَافِ لِلْمُسْتَحَاضَةِ
311 - حَدَّثَنَا مُسَدَّدٌ، قَالَ: حَدَّثَنَا مُعْتَمِرٌ، عَنْ خَالِدٍ، عَنْ عِكْرِمَةَ، عَنْ عَائِشَةَ، «أَنَّ بَعْضَ أُمَّهَاتِ المُؤْمِنِينَ اعْتَكَفَتْ وَهِيَ مُسْتَحَاضَةٌ»

সহীহ বুখারী

হাদীস নং: ৩০৬
আন্তর্জাতিক নং: ৩১২
- হায়েয-ইস্তিহাযার অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ২১৩। হায়য অবস্থায় পরিহিত পোশাকে নামায আদায় করা যায় কি?
৩০৬। আবু নুআয়ম (রাহঃ) .... আয়িশা (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেনঃ আমাদের কারো একটির বেশী কাপড় ছিল না। তিনি হায়েয অবস্থায়ও এই কাপড়খানিই ব্যবহার করতেন, তাতে রক্ত লাগলে থুথু দিয়ে ভিজিয়ে নখ দ্বারা রগড়িয়ে নিতেন।
كتاب الحيض
بَابٌ: هَلْ تُصَلِّي المَرْأَةُ فِي ثَوْبٍ حَاضَتْ فِيهِ؟
312 - حَدَّثَنَا أَبُو نُعَيْمٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ نَافِعٍ، عَنِ ابْنِ أَبِي نَجِيحٍ، عَنْ مُجَاهِدٍ، قَالَ: قَالَتْ عَائِشَةُ: «مَا كَانَ لِإِحْدَانَا إِلَّا ثَوْبٌ وَاحِدٌ تَحِيضُ فِيهِ، فَإِذَا أَصَابَهُ شَيْءٌ مِنْ دَمٍ قَالَتْ بِرِيقِهَا، فَقَصَعَتْهُ بِظُفْرِهَا»

সহীহ বুখারী

হাদীস নং: ৩০৭
আন্তর্জাতিক নং: ৩১৩
- হায়েয-ইস্তিহাযার অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ২১৪। হায়য থেকে পবিত্রতার গোসলে সুগন্ধি ব্যবহার।
৩০৭। আব্দুল্লাহ ইবনে আব্দুল ওয়াহহাব (রাহঃ) ..... উম্মে আতিয়্যা (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেনঃ কোন মৃত ব্যক্তির জন্য আমাদের তিন দিনের বেশী শোক পালন করা থেকে নিষেধ করা হত। কিন্তু স্বামীর ক্ষেত্রে চার মাস দশ দিন (শোক পালনের অনুমতি ছিল)। আমরা তখন সুরমা লাগাতাম না, সুগন্ধি ব্যবহার করতাম না, ইয়ামানের তৈরী রংিন কাপড় ছাড়া অন্য কোন রংিন কাপড় পরতাম না। তবে হায়য থেকে পবিত্রতার গোসলে আযফারের খোশবু মিশ্রিত বস্ত্রখণ্ড ব্যবহারের অনুমতি ছিল। আর আমাদের জানাযার পেছনে যাওয়া নিষিদ্ধ ছিল।
এই বর্ণনা হিশাম ইবনে হাসসান (রাহঃ) হাফসা (রাযিঃ) থেকে, তিনি উম্মে আতিয়্যা (রাযিঃ) থেকে এবং তিনি নবী (ﷺ) থেকে বিবৃত করেছেন।
كتاب الحيض
باب الطِّيبِ لِلْمَرْأَةِ عِنْدَ غُسْلِهَا مِنَ الْمَحِيضِ
313 - حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ عَبْدِ الوَهَّابِ، قَالَ: حَدَّثَنَا حَمَّادُ بْنُ زَيْدٍ، عَنْ أَيُّوبَ، عَنْ حَفْصَةَ، قَالَ أَبُو عَبْدِ اللَّهِ: أَوْ هِشَامِ بْنِ حَسَّانَ، عَنْ حَفْصَةَ، عَنْ أُمِّ عَطِيَّةَ، عَنِ النَّبِيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَتْ: «كُنَّا نُنْهَى أَنْ نُحِدَّ عَلَى مَيِّتٍ فَوْقَ ثَلاَثٍ، إِلَّا عَلَى زَوْجٍ أَرْبَعَةَ أَشْهُرٍ وَعَشْرًا، وَلاَ نَكْتَحِلَ وَلاَ نَتَطَيَّبَ وَلاَ نَلْبَسَ ثَوْبًا مَصْبُوغًا، إِلَّا ثَوْبَ عَصْبٍ، وَقَدْ رُخِّصَ لَنَا عِنْدَ الطُّهْرِ إِذَا اغْتَسَلَتْ إِحْدَانَا مِنْ مَحِيضِهَا فِي نُبْذَةٍ مِنْ كُسْتِ أَظْفَارٍ، وَكُنَّا نُنْهَى عَنِ اتِّبَاعِ الجَنَائِزِ» ، قَالَ أَبُو عَبْدِ اللَّهِ: رَوَاهُ هِشَامُ بْنُ حَسَّانَ، عَنْ حَفْصَةَ [ص:70]، عَنْ أُمِّ عَطِيَّةَ عَنِ النَّبِيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ

সহীহ বুখারী

হাদীস নং: ৩০৮
আন্তর্জাতিক নং: ৩১৪
- হায়েয-ইস্তিহাযার অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ২১৫। হায়যের পরে পবিত্রতা অর্জনের সময় দেহ ঘষামাজা করা, গোসলের পদ্ধতি এবং মিশকযুক্ত বস্ত্রখণ্ড দিয়ে রক্তের চিহ্ন পরিষ্কার করা।
৩০৮। ইয়াহয়া (রাহঃ) .... আয়িশা (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত, এক মহিলা রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-কে হায়যের গোসল সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলেন। তিনি তাকে গোসলের নিয়ম বলে দিলেন যে, এক টুকরা কস্তুরী লাগানো নেকড়া নিয়ে পবিত্রতা হাসিল কর। মহিলা বললেনঃ কিভাবে? রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বললেনঃ তা দিয়ে পবিত্রতা হাসিল কর। মহিলা (তৃতীয়বার) বললেন; কিভাবে? রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বললেনঃ সুবহানাল্লাহ! তা দিয়ে তুমি পবিত্রতা হাসিল কর। আয়িশা (রাযিঃ) বলেনঃ তখন আমি তাকে টেনে আমার কাছে নিয়ে আসলাম এবং বললামঃ তা দিয়ে রক্তের চিহ্ন বিশেষভাবে মুছে ফেল।
كتاب الحيض
باب دَلْكِ الْمَرْأَةِ نَفْسَهَا إِذَا تَطَهَّرَتْ مِنَ الْمَحِيضِ وَكَيْفَ تَغْتَسِلُ، وَتَأْخُذُ فِرْصَةً مُمَسَّكَةً فَتَتَّبِعُ بِهَا أَثَرَ الدَّمِ
314 - حَدَّثَنَا يَحْيَى، قَالَ: حَدَّثَنَا ابْنُ عُيَيْنَةَ، عَنْ مَنْصُورِ بْنِ صَفِيَّةَ، عَنْ أُمِّهِ، عَنْ عَائِشَةَ، أَنَّ امْرَأَةً سَأَلَتِ النَّبِيَّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ عَنْ غُسْلِهَا مِنَ المَحِيضِ، فَأَمَرَهَا كَيْفَ تَغْتَسِلُ، قَالَ: «خُذِي فِرْصَةً مِنْ مَسْكٍ، فَتَطَهَّرِي بِهَا» قَالَتْ: كَيْفَ أَتَطَهَّرُ؟ قَالَ: «تَطَهَّرِي بِهَا» ، قَالَتْ: كَيْفَ؟، قَالَ: «سُبْحَانَ اللَّهِ، تَطَهَّرِي» فَاجْتَبَذْتُهَا إِلَيَّ، فَقُلْتُ: تَتَبَّعِي بِهَا أَثَرَ الدَّمِ

সহীহ বুখারী

হাদীস নং: ৩০৯
আন্তর্জাতিক নং: ৩১৫
- হায়েয-ইস্তিহাযার অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ২১৬। হায়যের গোসলের বিবরণ।
৩০৯। মুসলিম (রাহঃ) .... আয়িশা (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত যে, একজন আনসারী মহিলা রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-কে জিজ্ঞাসা করলেনঃ আমি কিভাবে হায়যের গোসল করবো? রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বললেনঃ এক টুকরা কস্তুরীযুক্ত নেকড়া লও এবং তিনবার ধুয়ে নাও। নবী (ﷺ) এরপর লজ্জাবশত অন্যদিকে মুখ ফিরিয়ে নিলেন অথবা বললেনঃ তা দিয়ে তুমি পবিত্র হও। আয়িশা (রাযিঃ) বলেনঃ আমি তাকে নিজের দিকে টেনে নিলাম। তারপর তাকে নবী (ﷺ) এর কথার মর্ম বুঝিয়ে দিলাম।
كتاب الحيض
باب غُسْلِ الْمَحِيضِ
315 - حَدَّثَنَا مُسْلِمُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، قَالَ: حَدَّثَنَا وُهَيْبٌ، حَدَّثَنَا مَنْصُورٌ، عَنْ أُمِّهِ، عَنْ عَائِشَةَ، أَنَّ امْرَأَةً مِنَ الأَنْصَارِ قَالَتْ لِلنَّبِيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: كَيْفَ أَغْتَسِلُ مِنَ المَحِيضِ؟ قَالَ: «خُذِي فِرْصَةً مُمَسَّكَةً، فَتَوَضَّئِي ثَلاَثًا» ثُمَّ إِنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ اسْتَحْيَا، فَأَعْرَضَ بِوَجْهِهِ، أَوْ* قَالَ: «تَوَضَّئِي بِهَا» فَأَخَذْتُهَا فَجَذَبْتُهَا، فَأَخْبَرْتُهَا بِمَا يُرِيدُ النَّبِيُّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ

সহীহ বুখারী

হাদীস নং: ৩১০
আন্তর্জাতিক নং: ৩১৬
- হায়েয-ইস্তিহাযার অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ২১৭। হায়যের গোসলের সময় চুল আঁচড়ানো
৩১০। মুসা ইবনে ঈসমাঈল (রাহঃ) ...... আয়িশা (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেনঃ আমি রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এর সঙ্গে বিদায় হজ্জের ইহরাম বেঁধেছিলাম। আমিও তাদেরই একজন ছিলাম যারা তামাত্তুর* নিয়ত করেছিল এবং কুরবানীর পশু নেয়নি। তিনি বলেনঃ তাঁর হায়য শুরু হয় এবং আরাফা-এর রাত পর্যন্ত তিনি পাক হন নি। আয়িশা (রাযিঃ) বলেনঃ আমি বললাম, ইয়া রাসূলাল্লাহ! আজ তো আরাফার রাত, আর আমি হজ্জের সঙ্গে উমরারও নিয়ত করেছি। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) তাকে বললেনঃ মাথার বেণী খুলে ফেল, চুল আঁচড়াও আর উমরা থেকে বিরত থাক। আমি তা-ই করলাম। হজ্জ সমাধা করার পর রাসূলুল্লাহ (ﷺ) আব্দুর রহমান (রাযিঃ)-কে ‘হাসবায়’ অবস্থানের রাতে (আমাকে উমরা করানোর) নির্দেশ দিলেন। তিনি তানঈম থেকে আমাকে উমরা করালেন, যেখান থেকে আমি উমরার ইহরাম বেঁধেছিলাম।

*একই সফরে হজ্জ ও উমরা করা।
كتاب الحيض
باب امْتِشَاطِ الْمَرْأَةِ عِنْدَ غُسْلِهَا مِنَ الْمَحِيضِ
316 - حَدَّثَنَا مُوسَى بْنُ إِسْمَاعِيلَ، حَدَّثَنَا إِبْرَاهِيمُ، حَدَّثَنَا ابْنُ شِهَابٍ، عَنْ عُرْوَةَ، أَنَّ عَائِشَةَ، قَالَتْ: أَهْلَلْتُ مَعَ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فِي حَجَّةِ الوَدَاعِ، فَكُنْتُ مِمَّنْ تَمَتَّعَ وَلَمْ يَسُقْ الهَدْيَ، فَزَعَمَتْ أَنَّهَا حَاضَتْ وَلَمْ تَطْهُرْ حَتَّى دَخَلَتْ لَيْلَةُ عَرَفَةَ، فَقَالَتْ: يَا رَسُولَ اللَّهِ، هَذِهِ لَيْلَةُ عَرَفَةَ وَإِنَّمَا كُنْتُ تَمَتَّعْتُ بِعُمْرَةٍ، فَقَالَ لَهَا رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «انْقُضِي رَأْسَكِ وَامْتَشِطِي، وَأَمْسِكِي عَنْ عُمْرَتِكِ» ، فَفَعَلْتُ، فَلَمَّا قَضَيْتُ الحَجَّ أَمَرَ عَبْدَ الرَّحْمَنِ لَيْلَةَ الحَصْبَةِ، فَأَعْمَرَنِي مِنَ التَّنْعِيمِ مَكَانَ عُمْرَتِي الَّتِي نَسَكْتُ

সহীহ বুখারী

হাদীস নং: ৩১১
আন্তর্জাতিক নং: ৩১৭
- হায়েয-ইস্তিহাযার অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ২১৮। হায়যের গোসলে চুল খোলা
৩১১। উবাইদ ইবনে ইসমাঈল (রাহঃ) .... আয়িশা (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেনঃ আমরা যিলহজ্জ মাসের চাঁদ দেখার সময় নিকটবর্তী হলে বেরিয়ে পড়লাম। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বললেনঃ যে উমরার ইহরাম বাঁধতে চায় সে তা করতে পারে। কারণ, আমি সাথে কুরবানীর পশু না আনলে উমরার ইহরামই বাঁধতাম। তারপর কেউ উমরার ইহরাম বাঁধলেন, আর কেউ হজ্জের ইহরাম বাঁধলেন। আমি ছিলাম উমরার ইহরামকারীদের মধ্যে। আরাফার দিনে আমি ঋতুবতী ছিলাম। আমি নবী (ﷺ) এর কাছে আমার অসুবিধার কথা বললাম। তিনি বললেনঃ তোমার উমরা ছেড়ে দাও, মাথার বেণী খুলে চুল আঁচড়াও, আর হজ্জের ইহরাম বাঁধ। আমি তাই করলাম। ‘হাসবা’ নামক স্থানে অবস্থানের রাতে নবী (ﷺ) আমার সাথে আমার ভাই আব্দুর রহমান ইবনে আবু বকর (রাযিঃ)-কে পাঠালেন। আমি তানঈমের দিকে বের হলাম। সেখানে পূর্বের উমরার পরিবর্তে ইহরাম বাঁধলাম।
হিশাম (রাহঃ) বলেনঃ এসব কারণে কোন দম (কুরবানী), রোযা বা সাদ্‌কা দিতে হয় নি।
كتاب الحيض
باب نَقْضِ الْمَرْأَةِ شَعَرَهَا عِنْدَ غُسْلِ الْمَحِيضِ
317 - حَدَّثَنَا عُبَيْدُ بْنُ إِسْمَاعِيلَ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَبُو أُسَامَةَ، عَنْ هِشَامٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ عَائِشَةَ، قَالَتْ: خَرَجْنَا مُوَافِينَ لِهِلاَلِ ذِي الحِجَّةِ، فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «مَنْ أَحَبَّ أَنْ يُهِلَّ بِعُمْرَةٍ فَلْيُهْلِلْ، فَإِنِّي لَوْلاَ أَنِّي أَهْدَيْتُ لَأَهْلَلْتُ بِعُمْرَةٍ» فَأَهَلَّ بَعْضُهُمْ بِعُمْرَةٍ، وَأَهَلَّ بَعْضُهُمْ بِحَجٍّ، وَكُنْتُ أَنَا مِمَّنْ أَهَلَّ بِعُمْرَةٍ، فَأَدْرَكَنِي يَوْمُ عَرَفَةَ وَأَنَا حَائِضٌ، فَشَكَوْتُ إِلَى النَّبِيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَقَالَ: «دَعِي عُمْرَتَكِ، وَانْقُضِي رَأْسَكِ، وَامْتَشِطِي وَأَهِلِّي بِحَجٍّ» ، فَفَعَلْتُ حَتَّى إِذَا كَانَ لَيْلَةُ الحَصْبَةِ، أَرْسَلَ مَعِي أَخِي عَبْدَ الرَّحْمَنِ بْنَ أَبِي بَكْرٍ فَخَرَجْتُ إِلَى التَّنْعِيمِ، فَأَهْلَلْتُ بِعُمْرَةٍ مَكَانَ عُمْرَتِي قَالَ هِشَامٌ: «وَلَمْ يَكُنْ فِي شَيْءٍ مِنْ ذَلِكَ هَدْيٌ، وَلاَ صَوْمٌ وَلاَ صَدَقَةٌ»

সহীহ বুখারী

হাদীস নং: ৩১২
আন্তর্জাতিক নং: ৩১৮
- হায়েয-ইস্তিহাযার অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ২১৯। আল্লাহর বাণী "পূর্ণাকৃতি ও অপূর্ণাকৃতি গোশত পিণ্ড" (২২ঃ:৫) প্রসঙ্গে
৩১২। মুসাদ্দাদ (রাহঃ) .... আনাস ইবনে মালিক (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেনঃ নবী (ﷺ) বলেনঃ আল্লাহ তাআলা মাতৃগর্ভের জন্য একজন ফিরিশতা নির্ধারণ করেছেন। তিনি (পর্যায়ক্রমে) বলতে থাকেন, হে রব! এখন বীর্য-আকৃতিতে আছে। হে রব! এখন জমাট রক্তে পরিণত হয়েছে। হে রব! এখন গোশতপিণ্ডে পরিণত হয়েছে। এরপর আল্লাহ তাআলা যখন সৃষ্টি পূর্ণ করতে চান, তখন জিজ্ঞাসা করেনঃ পুরুষ, না স্ত্রী? সৌভাগ্যবান না দুর্ভাগা? রিযক ও বয়স কত? রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ তার মাতৃগর্ভে থাকতেই তা লিখে দেওয়া হয়।
كتاب الحيض
بَابُ قَوْلِ اللَّهِ عَزَّ وَجَلَّ: {مُخَلَّقَةٍ وَغَيْرِ مُخَلَّقَةٍ} [الحج: 5]
318 - حَدَّثَنَا مُسَدَّدٌ، قَالَ: حَدَّثَنَا حَمَّادٌ، عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ بْنِ أَبِي بَكْرٍ، عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ، عَنِ النَّبِيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ: " إِنَّ اللَّهَ عَزَّ وَجَلَّ وَكَّلَ بِالرَّحِمِ مَلَكًا [ص:71]، يَقُولُ: يَا رَبِّ نُطْفَةٌ، يَا رَبِّ عَلَقَةٌ، يَا رَبِّ مُضْغَةٌ، فَإِذَا أَرَادَ أَنْ يَقْضِيَ خَلْقَهُ قَالَ: أَذَكَرٌ أَمْ أُنْثَى، شَقِيٌّ أَمْ سَعِيدٌ، فَمَا الرِّزْقُ وَالأَجَلُ، فَيُكْتَبُ فِي بَطْنِ أُمِّهِ "

সহীহ বুখারী

হাদীস নং: ৩১৩
আন্তর্জাতিক নং: ৩১৯
- হায়েয-ইস্তিহাযার অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ২২০। ঋতুবতী কিভাবে হজ্জ ও উমরার ইহরাম বাঁধবে?
৩১৩। ইয়াহয়া ইবনে বুকাইর (রাহঃ) .... আয়িশা (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেনঃ আমরা রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এর সঙ্গে বিদায় হজ্জের সময় বের হয়েছিলাম। আমাদের কেউ ইহরাম বেঁধেছিল উমরার আর কেউ ইহরাম বেঁধেছিল হজ্জের। আমরা মক্কায় এসে পৌঁছালে রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বললেনঃ যারা উমরার ইহরাম বেঁধেছে কিন্তু কুরবানীর পশু সাথে আনেনি, তারা যেন ইহরাম খুলে ফেলে। আর যারা উমরার ইহরাম বেঁধেছে ও কুরবানীর পশু সাথে এনেছে, তারা যেন কুরবানী করা পর্যন্ত ইহরাম না খোলে। আর যারা হজ্জের ইহরাম বেঁধেছে, তারা যেন হজ্জ পূর্ণ করে।
আয়িশা (রাযিঃ) বলেনঃ এরপর আমার হায়য শুরু হয় এবং আরাফার দিনেও তা বহাল থাকে। আমি শুধু উমরার ইহরাম বেঁধেছিলাম। নবী (ﷺ) আমাকে মাথার বেণী খোলার, চুল আঁচড়িয়ে নেয়ার এবং উমরার ইহরাম ছেড়ে হজ্জের ইহরাম বাঁধার নির্দেশ দিলেন। আমি তাই করলাম। পরে হজ্জ সমাধা করলাম। এরপর আব্দুর রহমান ইবনে আবু বকর (রাযিঃ)-কে আমার সাথে পাঠালেন। তিনি আমকে তানঈম থেকে আমার আগের নিয়তকৃত উমরার পরিবর্তে উমরা করতে নির্দেশ দিলেন।
كتاب الحيض
باب كَيْفَ تُهِلُّ الْحَائِضُ بِالْحَجِّ وَالْعُمْرَةِ
319 - حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ بُكَيْرٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا اللَّيْثُ، عَنْ عُقَيْلٍ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، عَنْ عُرْوَةَ، عَنْ عَائِشَةَ، قَالَتْ: خَرَجْنَا مَعَ النَّبِيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فِي حَجَّةِ الوَدَاعِ، فَمِنَّا مَنْ أَهَلَّ بِعُمْرَةٍ، وَمِنَّا مَنْ أَهَلَّ بِحَجٍّ، فَقَدِمْنَا مَكَّةَ، فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «مَنْ أَحْرَمَ بِعُمْرَةٍ وَلَمْ يُهْدِ، فَلْيُحْلِلْ، وَمَنْ أَحْرَمَ بِعُمْرَةٍ وَأَهْدَى، فَلاَ يُحِلُّ حَتَّى يُحِلَّ بِنَحْرِ هَدْيِهِ، وَمَنْ أَهَلَّ بِحَجٍّ، فَلْيُتِمَّ حَجَّهُ» قَالَتْ: فَحِضْتُ فَلَمْ أَزَلْ حَائِضًا حَتَّى كَانَ يَوْمُ عَرَفَةَ، وَلَمْ أُهْلِلْ إِلَّا بِعُمْرَةٍ، فَأَمَرَنِي النَّبِيُّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَنْ أَنْقُضَ رَأْسِي وَأَمْتَشِطَ، وَأُهِلَّ بِحَجٍّ وَأَتْرُكَ العُمْرَةَ، فَفَعَلْتُ ذَلِكَ حَتَّى قَضَيْتُ حَجِّي، فَبَعَثَ مَعِي عَبْدَ الرَّحْمَنِ بْنَ أَبِي بَكْرٍ الصِّدِّيقِ، وَأَمَرَنِي أَنْ أَعْتَمِرَ مَكَانَ عُمْرَتِي مِنَ التَّنْعِيمِ

সহীহ বুখারী

হাদীস নং: ৩১৪
আন্তর্জাতিক নং: ৩২০
- হায়েয-ইস্তিহাযার অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ২২১। হায়য শুরু ও শেষ হওয়া।
স্ত্রীলোকেরা আয়িশা (রাযিঃ) এর কাছে কৌটায় করে তুলা পাঠাতো। তাতে হলুদ রং দেখলে আয়িশা (রাযিঃ) বলতেনঃ তাড়াহুড়া করো না, সাদা পরিস্কার দেখা পর্যন্ত অপেক্ষা কর। এ দ্বারা তিনি হায়য থেকে পবিত্রতা বোঝাতেন।
যায়দ ইবনে সাবিত (রাযিঃ) এর কন্যার কাছে সংবাদ এলো যে, স্ত্রীলোকেরা রাতের অন্ধকারে প্রদীপ চেয়ে নিয়ে হায়য থেকে পাক হলো কিনা তা দেখতেন। তিনি বললেনঃ স্ত্রীলোকেরা (পূর্বে) এমনটি করতেন না। তিনি তাদের দোষারোপ করেন।
৩১৪। আব্দুল্লাহ ইবনে মুহাম্মাদ (রাহঃ) .... আয়িশা (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেনঃ ফাতিমা বিনতে আবু হুবাইশ (রাযিঃ)-এর ইস্তিহাযা হতো। তিনি এ বিষয়ে নবী (ﷺ)-কে জিজ্ঞাসা করলেন। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বললেনঃ এ হচ্ছে রগের রক্ত, হায়যের রক্ত নয়। সুতরাং হায়য শুরু হলে নামায ছেড়ে দেবে। আর হায়য শেষ হলে গোসল করে নামায আদায় করবে।
كتاب الحيض
باب إِقْبَالِ الْمَحِيضِ وَإِدْبَارِهِ وَكُنَّ نِسَاءٌ يَبْعَثْنَ إِلَى عَائِشَةَ بِالدُّرْجَةِ فِيهَا الْكُرْسُفُ فِيهِ الصُّفْرَةُ فَتَقُولُ لاَ تَعْجَلْنَ حَتَّى تَرَيْنَ الْقَصَّةَ الْبَيْضَاءَ. تُرِيدُ بِذَلِكَ الطُّهْرَ مِنَ الْحَيْضَةِ. وَبَلَغَ ابْنَةَ زَيْدِ بْنِ ثَابِتٍ أَنَّ نِسَاءً يَدْعُونَ بِالْمَصَابِيحِ مِنْ جَوْفِ اللَّيْلِ يَنْظُرْنَ إِلَى الطُّهْرِ فَقَالَتْ مَا كَانَ النِّسَاءُ يَصْنَعْنَ هَذَا. وَعَابَتْ عَلَيْهِنَّ
320 - حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا سُفْيَانُ، عَنْ هِشَامٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ عَائِشَةَ، أَنَّ فَاطِمَةَ بِنْتَ أَبِي حُبَيْشٍ، كَانَتْ تُسْتَحَاضُ، فَسَأَلَتِ النَّبِيَّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَقَالَ: «ذَلِكِ عِرْقٌ وَلَيْسَتْ بِالحَيْضَةِ، فَإِذَا أَقْبَلَتِ الحَيْضَةُ، فَدَعِي الصَّلاَةَ وَإِذَا أَدْبَرَتْ فَاغْتَسِلِي وَصَلِّي»

সহীহ বুখারী

হাদীস নং: ৩১৫
আন্তর্জাতিক নং: ৩২১
- হায়েয-ইস্তিহাযার অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ২২২। হায়যকালীন নামাযের কাযা নেই।
জাবির ইবনে আব্দুল্লাহ ও আবু সাঈদ খুদরী (রাযিঃ) নবী (ﷺ) থেকে বর্ণনা করেন যে, (স্ত্রীলোক হায়যকালীন সময়) নামায ছেড়ে দেবে।
৩১৫। মুসা ইবনে ইসমাঈল (রাহঃ) .... মুআযা (রাহঃ) থেকে বর্ণিত, এক মহিলা আয়িশা (রাযিঃ)-কে বললেনঃ আমাদের জন্য হায়যকালীন কাযা নামায পবিত্র হওয়ার পর আদায় করলে চলবে কি না? আয়িশা (রাযিঃ) বললেনঃ তুমি কি হারুরিয়্যা?* আমরা নবী (ﷺ) এর সময়ে ঋতুবতী হতাম কিন্তু তিনি আমাদের নামায কাযার নির্দেশ দিতেন না। অথবা তিনি [আয়িশা (রাযিঃ)] বলেনঃ আমরা তা কাযা করতাম না।

* খারিজীদের একটি দল যারা ঋতুবতীর জন্য নামাযের কাযা ওয়াজিব মনে করত। আইনী ৩ঃ৩০০
كتاب الحيض
باب لاَ تَقْضِي الْحَائِضُ الصَّلاَةَ وَقَالَ جَابِرٌ وَأَبُو سَعِيدٍ عَنِ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ تَدَعُ الصَّلاَةَ
321 - حَدَّثَنَا مُوسَى بْنُ إِسْمَاعِيلَ، قَالَ: حَدَّثَنَا هَمَّامٌ، قَالَ: حَدَّثَنَا قَتَادَةُ، قَالَ: حَدَّثَتْنِي مُعَاذَةُ، أَنَّ امْرَأَةً قَالَتْ لِعَائِشَةَ: أَتَجْزِي إِحْدَانَا صَلاَتَهَا إِذَا طَهُرَتْ؟ فَقَالَتْ: أَحَرُورِيَّةٌ أَنْتِ؟ «كُنَّا نَحِيضُ مَعَ النَّبِيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَلاَ يَأْمُرُنَا بِهِ» أَوْ قَالَتْ: فَلاَ نَفْعَلُهُ

সহীহ বুখারী

হাদীস নং: ৩১৬
আন্তর্জাতিক নং: ৩২২
- হায়েয-ইস্তিহাযার অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ২২৩। ঋতুবতী মহিলার সঙ্গে হায়যের কাপড় পরিহিত অবস্থায় একত্রে শয়ন
৩১৬। সা’দ ইবনে হাফস (রাহঃ) .... উম্মে সালামা (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেনঃ নবী (ﷺ) এর সঙ্গে একই চাঁদরের নীচে শায়িত অবস্থায় আমার হায়য দেখা দিল। তখন আমি চুপিসারে বেরিয়ে এসে হায়যের কাপড় পরে নিলাম। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) আমাকে বললেনঃ তোমার কি নিফাস (হায়য) শুরু হয়েছে? আমি বললামঃ হ্যাঁ। তখন তিনি আমকে ডেকে নিয়ে তাঁর চাঁদরের নীচে স্থান দিলেন।
বর্ণনাকারী যয়নাব (রাহঃ) বলেনঃ আমাকে উম্মে সালামা (রাযিঃ) এও বলেছেন যে, নবী (ﷺ) রোযা রাখা অবস্থায় তাকে চুমু খেতেন। [উম্মে সালামা (রাযিঃ) আরও বলেন] আমি ও নবী (ﷺ) একই পাত্র থেকে পানি নিয়ে জানাবাতের গোসল করতাম।
كتاب الحيض
باب النَّوْمِ مَعَ الْحَائِضِ وَهْىَ فِي ثِيَابِهَا
322 - حَدَّثَنَا سَعْدُ بْنُ حَفْصٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا شَيْبَانُ، عَنْ يَحْيَى، عَنْ أَبِي سَلَمَةَ، عَنْ زَيْنَبَ بِنْتِ أَبِي سَلَمَةَ، حَدَّثَتْهُ أَنَّ أُمَّ سَلَمَةَ، قَالَتْ: حِضْتُ وَأَنَا مَعَ النَّبِيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فِي الخَمِيلَةِ، فَانْسَلَلْتُ فَخَرَجْتُ مِنْهَا، فَأَخَذْتُ ثِيَابَ حِيضَتِي فَلَبِسْتُهَا، فَقَالَ لِي رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «أَنُفِسْتِ» قُلْتُ: نَعَمْ، فَدَعَانِي، فَأَدْخَلَنِي مَعَهُ فِي الخَمِيلَةِ
قَالَتْ: وَحَدَّثَتْنِي أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «كَانَ يُقَبِّلُهَا وَهُوَ صَائِمٌ»
«وَكُنْتُ أَغْتَسِلُ أَنَا وَالنَّبِيُّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مِنْ إِنَاءٍ وَاحِدٍ مِنَ الجَنَابَةِ»

সহীহ বুখারী

হাদীস নং: ৩১৭
আন্তর্জাতিক নং: ৩২৩
- হায়েয-ইস্তিহাযার অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ২২৪। হায়যের জন্য স্বতন্ত্র কাপড় পরিধান করা
৩১৭। মুআয ইবনে ফাযালা (রাহঃ) .... উম্মে সালামা (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেনঃ এক সময় আমি ও নবী (ﷺ) একই চাঁদরের নীচে শুয়েছিলাম। আমার হায়য শুরু হল। তখন আমি চুপিসারে বেরিয়ে এসে হায়যের কাপড় পরে নিলাম। তিনি জিজ্ঞাসা করলেনঃ তোমার কি হায়য আরম্ভ হয়েছে? আমি বললামঃ হ্যাঁ। তিনি আমকে ডেকে নিলেন এবং আমি তাঁর সঙ্গে একই চাঁদরের নীচে শুয়ে পড়লাম।
كتاب الحيض
باب مَنِ اتَّخَذَ ثِيَابَ الْحَيْضِ سِوَى ثِيَابِ الطُّهْرِ
323 - حَدَّثَنَا مُعَاذُ بْنُ فَضَالَةَ، قَالَ: حَدَّثَنَا هِشَامٌ، عَنْ يَحْيَى، عَنْ أَبِي سَلَمَةَ، عَنْ زَيْنَبَ بِنْتِ أَبِي سَلَمَةَ، عَنْ أُمِّ سَلَمَةَ، قَالَتْ بَيْنَا أَنَا مَعَ النَّبِيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مُضْطَجِعَةٌ فِي خَمِيلَةٍ حِضْتُ، فَانْسَلَلْتُ، فَأَخَذْتُ ثِيَابَ حِيضَتِي، فَقَالَ: «أَنُفِسْتِ» ، فَقُلْتُ: نَعَمْ فَدَعَانِي، فَاضْطَجَعْتُ مَعَهُ فِي الخَمِيلَةِ "

সহীহ বুখারী

হাদীস নং: ৩১৮
আন্তর্জাতিক নং: ৩২৪
- হায়েয-ইস্তিহাযার অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ২২৫। ঋতুবতী মহিলাদের উভয় ঈদ ও মুসলমানদের দুআর সমাবেশে উপস্থিত হওয়া এবং ঈদগাহ থেকে দূরে অবস্থান করা।
৩১৮। মুহাম্মাদ ইবনে সালামা (রাহঃ) .... হাফসা (রাহঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেনঃ আমরা আমাদের যুবতীদের ঈদের নামাযে বের হতে নিষেধ করতাম। এক মহিলা বনু খালাফের মহলে এসে পৌঁছলেন এবং তিনি তাঁর বোন থেকে বর্ণনা করলেন, তাঁর ভগ্নীপতি নবী (ﷺ) এর সঙ্গে বারটি গাযওয়ায় অংশগ্রহণ করেছিলেন। তিনি বলেনঃ আমার বোনও তাঁর সঙ্গে ছয়টি গাযওয়ায় শরীক ছিল। সেই বোন বলেনঃ আমাদের কারো ওড়না না থাকার কারণে বের না হলে কোন অসুবিধা আছে কি? রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বললেনঃ তাঁর সাথীর ওড়না তাকে পরিয়ে দেবে, যাতে সে ভালো মজলিস ও মুমিনদের দু'আয় শরীক হতে পারে।
যখন উম্মে আতিয়্যা (রাযিঃ) আসলেন, আমি তাকে জিজ্ঞাসা করলামঃ আপনি কি নবী (ﷺ) থেকে এরূপ শুনেছেন? উত্তরে তিনি বললেঃ আমার পিতা তাঁর জন্য কুরবান হোক। হ্যাঁ, তিনি এরূপ বলেছিলেন। নবী (ﷺ)-এর কথা আলোচিত হলেই তিনি বলতেন “আমার পিতা তাঁর জন্য কুরবান হোক”। আমি নবী (ﷺ)-কে বলতে শুনেছি যে, যুবতী, পর্দানশীন ও ঋতুবতী মহিলারা বের হবে এবং ভাল স্থানে ও মু’মিনদের দুআয় অংশগ্রহণ করবে। অবশ্য ঋতুবতী মহিলা ঈদগাহ থেকে দূরে থাকবে। হাফসা (রাহঃ) বলেনঃ আমি জিজ্ঞাসা করলামঃ ঋতুবতীও কি বের হবে? তিনি বলেনঃ সে কি আরাফাতে ও অমুক অমুক স্থানে উপস্থিত হবে না?
كتاب الحيض
باب شُهُودِ الْحَائِضِ الْعِيدَيْنِ، وَدَعْوَةَ الْمُسْلِمِينَ، وَيَعْتَزِلْنَ الْمُصَلَّى
324 - حَدَّثَنَا مُحَمَّدٌ هُوَ ابْنُ سَلاَمٍ، قَالَ: أَخْبَرَنَا عَبْدُ الوَهَّابِ، عَنْ أَيُّوبَ، عَنْ حَفْصَةَ، قَالَتْ: كُنَّا نَمْنَعُ عَوَاتِقَنَا أَنْ يَخْرُجْنَ فِي العِيدَيْنِ، فَقَدِمَتِ امْرَأَةٌ، فَنَزَلَتْ قَصْرَ بَنِي خَلَفٍ، فَحَدَّثَتْ عَنْ أُخْتِهَا، وَكَانَ زَوْجُ أُخْتِهَا غَزَا مَعَ النَّبِيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ ثِنْتَيْ عَشْرَةَ غَزْوَةً، وَكَانَتْ أُخْتِي مَعَهُ فِي سِتٍّ، قَالَتْ: كُنَّا نُدَاوِي الكَلْمَى، وَنَقُومُ عَلَى المَرْضَى، فَسَأَلَتْ أُخْتِي النَّبِيَّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: أَعَلَى إِحْدَانَا بَأْسٌ إِذَا لَمْ يَكُنْ لَهَا جِلْبَابٌ أَنْ لاَ تَخْرُجَ؟ قَالَ: «لِتُلْبِسْهَا صَاحِبَتُهَا مِنْ جِلْبَابِهَا وَلْتَشْهَدِ الخَيْرَ وَدَعْوَةَ المُسْلِمِينَ» ، فَلَمَّا قَدِمَتْ أُمُّ عَطِيَّةَ، سَأَلْتُهَا أَسَمِعْتِ النَّبِيَّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ؟ قَالَتْ: بِأَبِي، نَعَمْ، وَكَانَتْ لاَ تَذْكُرُهُ إِلَّا قَالَتْ: بِأَبِي، سَمِعْتُهُ يَقُولُ: «يَخْرُجُ العَوَاتِقُ وَذَوَاتُ الخُدُورِ، أَوِ العَوَاتِقُ ذَوَاتُ الخُدُورِ، وَالحُيَّضُ، وَلْيَشْهَدْنَ الخَيْرَ، وَدَعْوَةَ المُؤْمِنِينَ، وَيَعْتَزِلُ الحُيَّضُ المُصَلَّى» ، قَالَتْ حَفْصَةُ: فَقُلْتُ الحُيَّضُ، فَقَالَتْ: أَلَيْسَ تَشْهَدُ عَرَفَةَ، وَكَذَا وَكَذَا

সহীহ বুখারী

হাদীস নং: ৩১৯
আন্তর্জাতিক নং: ৩২৫
- হায়েয-ইস্তিহাযার অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ২২৬। একই মাসে তিন হায়য হলে সম্ভাব্য হায়য ও গর্ভধারণের ব্যাপারে স্ত্রীলোকের কথা গ্রহণযোগ্য। কারণ আল্লাহর ঘোষণা রয়েছেঃ وَلاَ يَحِلُّ لَهُنَّ أَنْ يَكْتُمْنَ مَا خَلَقَ اللَّهُ فِي أَرْحَامِهِنَّ মহিলাদের গর্ভে আল্লাহ যা সৃষ্টি করেছেন সে বিষয়টি গোপন করা তাদের পক্ষে বৈধ নয়। (২ঃ ২২৮)
আলী (রাযিঃ) ও শুরায়হ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত, যদি মহিলার নিজ পরিবারের দ্বীনদার কেউ সাক্ষ্য দেয় যে, এ মহিলা মাসে তিনবার ঋতুবতী হয়েছে, তবে তাঁর কথা গ্রহণযোগ্য হবে।
আতা (রাহঃ) বলেনঃ মহিলার হায়যের দিন গণনা করা হবে তাঁর পূর্ব অভ্যাস অনুযায়ী।
ইবরাহীম (রাহঃ)-ও অনুরূপ বলেন। আতা (রাহঃ) আরো বলেনঃ হায়য একদিন থেকে ১৫ দিন পর্যন্ত হতে পারে।**
মু’তামির তাঁর পিতা থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেছেনঃ আমি ইবনে সীরীন (রাহঃ)-কে এমন মহিলা সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলাম যে তার পূর্ব অভ্যাস অনুযায়ী হায়যের পাঁচ দিন পূর্ণ হওয়ার পরও রক্ত দেখে? তিনি জবাবে বললেনঃ এ ব্যাপারে মহিলারা ভালো জানে।

** বিভিন্ন হাদীসের আলোকে ইমাম আবূ হানীফা (রাহঃ)-এর মত হলো হায়যের মুদ্দত কমপক্ষে তিন দিন এবং উর্ধ্বে দশ দিন। (আইনী, ৩খ, ৩০৯ পৃ.)
৩১৯। আহমদ ইবনে আবু রাজা’ (রাহঃ) .... আয়িশা (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেনঃ ফাতিমা বিনতে আবু হুবায়শ (রাযিঃ) নবী (ﷺ) কে জিজ্ঞাসা করলেন, আমার ইস্তিহাযা হয়েছে এবং পবিত্র হচ্ছি না। আমি কি নামায ছেড়ে দেব? নবী (ﷺ) বললেনঃ না, এ হল রগ-নির্গত রক্ত। তবে এরূপ হওয়ার আগে যতদিন হায়য হতো সে কয়দিন নামায অবশ্যই ছেড়ে দাও। তারপর গোসল করে নিবে ও নামায আদায় করবে।
كتاب الحيض
بَابُ إِذَا حَاضَتْ فِي شَهْرٍ ثَلاَثَ حِيَضٍ، وَمَا يُصَدَّقُ النِّسَاءُ فِي الحَيْضِ وَالحَمْلِ، فِيمَا يُمْكِنُ مِنَ الحَيْضِ لِقَوْلِ اللَّهِ تَعَالَى: {وَلاَ يَحِلُّ لَهُنَّ أَنْ يَكْتُمْنَ مَا خَلَقَ اللَّهُ فِي أَرْحَامِهِنَّ} [البقرة: 228] وَيُذْكَرُ عَنْ عَلِيٍّ، وَشُرَيْحٍ: «إِنِ امْرَأَةٌ جَاءَتْ بِبَيِّنَةٍ مِنْ بِطَانَةِ أَهْلِهَا مِمَّنْ يُرْضَى دِينُهُ، أَنَّهَا حَاضَتْ ثَلاَثًا فِي شَهْرٍ صُدِّقَتْ» وَقَالَ عَطَاءٌ: «أَقْرَاؤُهَا مَا كَانَتْ وَبِهِ» قَالَ إِبْرَاهِيمُ: وَقَالَ عَطَاءٌ: «الحَيْضُ يَوْمٌ إِلَى خَمْسَ عَشْرَةَ» وَقَالَ مُعْتَمِرٌ: عَنْ أَبِيهِ: سَأَلْتُ ابْنَ سِيرِينَ عَنِ المَرْأَةِ تَرَى الدَّمَ بَعْدَ قُرْئِهَا بِخَمْسَةِ أَيَّامٍ؟ قَالَ: «النِّسَاءُ أَعْلَمُ بِذَلِكَ»
325 - حَدَّثَنَا أَحْمَدُ ابْنُ أَبِي رَجَاءٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَبُو أُسَامَةَ، قَالَ: سَمِعْتُ هِشَامَ بْنَ عُرْوَةَ، قَالَ: أَخْبَرَنِي أَبِي، عَنْ عَائِشَةَ، أَنَّ فَاطِمَةَ بِنْتَ أَبِي حُبَيْشٍ، سَأَلَتِ النَّبِيَّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَتْ: إِنِّي أُسْتَحَاضُ فَلاَ أَطْهُرُ، أَفَأَدَعُ الصَّلاَةَ، فَقَالَ: «لاَ إِنَّ ذَلِكِ عِرْقٌ، وَلَكِنْ دَعِي الصَّلاَةَ قَدْرَ الأَيَّامِ الَّتِي كُنْتِ تَحِيضِينَ فِيهَا، ثُمَّ اغْتَسِلِي وَصَلِّي»

সহীহ বুখারী

হাদীস নং: ৩২০
আন্তর্জাতিক নং: ৩২৬
- হায়েয-ইস্তিহাযার অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ২২৭। হায়যের দিনগুলো ছাড়া হলুদ এবং মেটে রং দেখা।
৩২০। কুতাইবা ইবনে সাঈদ (রাহঃ) ......... উম্মে আতিয়্যা (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেনঃ আমরা মেটে ও হলুদ রং হায়যের মধ্যে গণ্য করতাম না।
كتاب الحيض
باب الصُّفْرَةِ وَالْكُدْرَةِ فِي غَيْرِ أَيَّامِ الْحَيْضِ
326 - حَدَّثَنَا قُتَيْبَةُ بْنُ سَعِيدٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا إِسْمَاعِيلُ، عَنْ أَيُّوبَ، عَنْ مُحَمَّدٍ، عَنْ أُمِّ عَطِيَّةَ، قَالَتْ: «كُنَّا لاَ نَعُدُّ [ص:73] الكُدْرَةَ وَالصُّفْرَةَ شَيْئًا»
tahqiq

তাহকীক: