হাদীস অনুসন্ধানের ফলাফল
সহীহ বুখারী
হাদীস নং: ২৮১
আন্তর্জাতিক নং: ২৮৫
- গোসলের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ১৯৭। জানাবাতের সময় বের হওয়া এবং বাজার ইত্যাদিতে চলাফেরা করা।
২৮১। আয়্যাশ (রাহঃ) ......... আবু হুরায়রা (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেনঃ আমার সঙ্গে রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এর সাক্ষাত হল, তখন আমি জুনুবী ছিলাম। তিনি আমার হাত ধরলেন, আমি তাঁর সঙ্গে চললাম। এক স্থানে তিনি বসে পড়লেন। তখন আমি সরে পড়ে বাসস্থানে এসে গোসল করলাম। আবার তাঁর কাছে গিয়ে তাঁকে বসা অবস্থায় পেলাম। তিনি জিজ্ঞাসা করলেনঃ আবু হুরায়রা! কোথায় ছিলে? আমি তাঁকে (ঘটনা) বললাম। তখন তিনি বললেনঃ সুবহানাল্লাহ্! মু’মিন অপবিত্র হয় না।
كتاب الغسل
باب الْجُنُبُ يَخْرُجُ وَيَمْشِي فِي السُّوقِ وَغَيْرِهِ
285 - حَدَّثَنَا عَيَّاشٌ، قَالَ: حَدَّثَنَا عَبْدُ الأَعْلَى، حَدَّثَنَا حُمَيْدٌ، عَنْ بَكْرٍ، عَنْ أَبِي رَافِعٍ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ قَالَ: لَقِيَنِي رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَأَنَا جُنُبٌ، فَأَخَذَ بِيَدِي، فَمَشَيْتُ مَعَهُ حَتَّى قَعَدَ، فَانْسَلَلْتُ، فَأَتَيْتُ الرَّحْلَ، فَاغْتَسَلْتُ ثُمَّ جِئْتُ وَهُوَ قَاعِدٌ، فَقَالَ: «أَيْنَ كُنْتَ يَا أَبَا هِرٍّ» ، فَقُلْتُ لَهُ، فَقَالَ: «سُبْحَانَ اللَّهِ يَا أَبَا هِرٍّ إِنَّ المُؤْمِنَ لاَ يَنْجُسُ»
তাহকীক:
সহীহ বুখারী
হাদীস নং: ২৮২
আন্তর্জাতিক নং: ২৮৬
- গোসলের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ১৯৮। জুনুবী ব্যক্তির গোসলের আগে উযু করে ঘরে অবস্থান করা।
২৮২। আবু নুআয়ম (রাহঃ) .... আবু সালামা (রাহঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেনঃ আমি আয়িশা (রাযিঃ)-কে জিজ্ঞাসা করলামঃ নবী (ﷺ) কি জানাবাতের অবস্থায় ঘুমাতেন? তিনি বললেনঃ হ্যাঁ, তবে তিনি উযু করে নিতেন।
كتاب الغسل
باب كَيْنُونَةِ الْجُنُبِ فِي الْبَيْتِ إِذَا تَوَضَّأَ قَبْلَ أَنْ يَغْتَسِلَ
286 - حَدَّثَنَا أَبُو نُعَيْمٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا هِشَامٌ، وَشَيْبَانُ، عَنْ يَحْيَى بْنِ أَبِي كَثِيرٍ، عَنْ أَبِي سَلَمَةَ، قَالَ: سَأَلْتُ عَائِشَةَ " أَكَانَ النَّبِيُّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَرْقُدُ وَهُوَ جُنُبٌ؟ قَالَتْ: نَعَمْ وَيَتَوَضَّأُ "
তাহকীক:
সহীহ বুখারী
হাদীস নং: ২৮৩
আন্তর্জাতিক নং: ২৮৭
- গোসলের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ১৯৯। জুনুবীর নিদ্রা
২৮৩। কুতাইবা ইবনে সা’ঈদ (রাহঃ) .... উমর ইবনুল খাত্তাব (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-কে জিজ্ঞাসা করলেনঃ আমাদের কেউ জানাবাতের অবস্থায় ঘুমাতে পারবে কি? তিনি বললেনঃ হ্যাঁ, উযু করে নিলে জানাবাতের অবস্থায়ও ঘুমাতে পারে।
كتاب الغسل
باب نَوْمِ الْجُنُبِ
287 - حَدَّثَنَا قُتَيْبَةُ، قَالَ: حَدَّثَنَا اللَّيْثُ، عَنْ نَافِعٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، أَنَّ عُمَرَ بْنَ الخَطَّابِ، سَأَلَ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَيَرْقُدُ أَحَدُنَا وَهُوَ جُنُبٌ؟ قَالَ: «نَعَمْ إِذَا تَوَضَّأَ أَحَدُكُمْ، فَلْيَرْقُدْ وَهُوَ جُنُبٌ»
তাহকীক:
সহীহ বুখারী
হাদীস নং: ২৮৪
আন্তর্জাতিক নং: ২৮৮
- গোসলের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ২০০। পরিচ্ছেদঃ জুনুবী উযু করে ঘুমাবে।
২৮৪। ইয়াহয়া ইবনে বুকায়র (রাহঃ) .... আয়িশা (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেনঃ নবী (ﷺ) যখন জানাবাতের অবস্থায় ঘুমাতে ইচ্ছা করতেন তখন তিনি লজ্জাস্থান ধুয়ে নামাযের উযুর মত উযু করতেন।
كتاب الغسل
باب الْجُنُبِ يَتَوَضَّأُ ثُمَّ يَنَامُ
288 - حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ بُكَيْرٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا اللَّيْثُ، عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ بْنِ أَبِي جَعْفَرٍ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ، عَنْ عُرْوَةَ، عَنْ عَائِشَةَ، قَالَتْ: كَانَ النَّبِيُّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ «إِذَا أَرَادَ أَنْ يَنَامَ، وَهُوَ جُنُبٌ، غَسَلَ فَرْجَهُ، وَتَوَضَّأَ لِلصَّلاَةِ»
তাহকীক:
সহীহ বুখারী
হাদীস নং: ২৮৫
আন্তর্জাতিক নং: ২৮৯
- গোসলের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ২০০। পরিচ্ছেদঃ জুনুবী উযু করে ঘুমাবে।
২৮৫। মুসা ইবনে ইসমাঈল (রাহঃ) ......... আব্দুল্লাহ ইবনে উমর (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেনঃ উমর (রাযিঃ) নবী (ﷺ)-কে জিজ্ঞাসা করলেনঃ আমাদের কেউ জুনুবী অবস্থায় ঘুমাতে পারবে কি? তিনি বললেনঃ হ্যাঁ, যদি উযু করে নেয়।
كتاب الغسل
باب الْجُنُبِ يَتَوَضَّأُ ثُمَّ يَنَامُ
289 - حَدَّثَنَا مُوسَى بْنُ إِسْمَاعِيلَ، قَالَ: حَدَّثَنَا جُوَيْرِيَةُ، عَنْ نَافِعٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ، قَالَ: اسْتَفْتَى عُمَرُ النَّبِيَّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَيَنَامُ أَحَدُنَا وَهُوَ جُنُبٌ؟ قَالَ: «نَعَمْ إِذَا تَوَضَّأَ»
সহীহ বুখারী
হাদীস নং: ২৮৬
আন্তর্জাতিক নং: ২৯০
- গোসলের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ২০০। পরিচ্ছেদঃ জুনুবী উযু করে ঘুমাবে।
২৮৬। আব্দুল্লাহ ইবনে ইউসুফ (রাহঃ) ..... আব্দুল্লাহ ইবনে উমর (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেনঃ উমর ইবনুল খাত্তাব (রাযিঃ) রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-কে বললেন, রাত্রে কোন সময় তাঁর জানাবাতের গোসল ফরয হয় (তখন কি করতে হবে?) রাসূলুল্লাহ (ﷺ) তাঁকে বললেন, উযু করবে, লজ্জাস্থান ধুয়ে নিবে, তারপর ঘুমাবে।
كتاب الغسل
باب الْجُنُبِ يَتَوَضَّأُ ثُمَّ يَنَامُ
290 - حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ يُوسُفَ، قَالَ: أَخْبَرَنَا مَالِكٌ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ دِينَارٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ [ص:66] بْنِ عُمَرَ، أَنَّهُ قَالَ: ذَكَرَ عُمَرُ بْنُ الخَطَّابِ لِرَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَنَّهُ تُصِيبُهُ الجَنَابَةُ مِنَ اللَّيْلِ، فَقَالَ لَهُ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ «تَوَضَّأْ وَاغْسِلْ ذَكَرَكَ، ثُمَّ نَمْ»
তাহকীক:
সহীহ বুখারী
হাদীস নং: ২৮৭
আন্তর্জাতিক নং: ২৯১
- গোসলের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ২০১। দু’লজ্জাস্থান পরস্পর মিলিত হলে।
২৮৭। মুআয ইবনে ফাযালা (রাহঃ) ও আবু নুআয়ম (রাহঃ) .... আবু হুরায়রা (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত, নবী (ﷺ) বলেছেনঃ কেউ স্ত্রীর চার শাখার মাঝে বসে তার সাথে সঙ্গত হলে, গোসল ওয়াজিব হয়ে যায়।
আমর (রাহঃ) শু’বার সূত্রে এই হাদীসের অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেছেন। আর মুসা (রাহঃ) হাসান [বসরী (রাহঃ)] সূত্রেও অনুরূপ বলেছেন।
আবু আব্দুল্লাহ (রাহঃ) বলেনঃ এটা উত্তম ও অধিকতর মজবুত। মতভেদের করণে আমরা অন্য হাদীসটিও বর্ণনা করেছি, গোসল করাই অধিকতর সাবধানতা।
আমর (রাহঃ) শু’বার সূত্রে এই হাদীসের অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেছেন। আর মুসা (রাহঃ) হাসান [বসরী (রাহঃ)] সূত্রেও অনুরূপ বলেছেন।
আবু আব্দুল্লাহ (রাহঃ) বলেনঃ এটা উত্তম ও অধিকতর মজবুত। মতভেদের করণে আমরা অন্য হাদীসটিও বর্ণনা করেছি, গোসল করাই অধিকতর সাবধানতা।
كتاب الغسل
باب إِذَا الْتَقَى الْخِتَانَانِ
291 - حَدَّثَنَا مُعَاذُ بْنُ فَضَالَةَ، قَالَ: حَدَّثَنَا هِشَامٌ، ح وحَدَّثَنَا أَبُو نُعَيْمٍ، عَنْ هِشَامٍ، عَنْ قَتَادَةَ، عَنِ الحَسَنِ، عَنْ أَبِي رَافِعٍ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ عَنِ النَّبِيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ: «إِذَا جَلَسَ بَيْنَ شُعَبِهَا الأَرْبَعِ، ثُمَّ جَهَدَهَا فَقَدْ وَجَبَ الغَسْلُ» تَابَعَهُ عَمْرُو بْنُ مَرْزُوقٍ، عَنْ شُعْبَةَ، مِثْلَهُ وَقَالَ مُوسَى: حَدَّثَنَا أَبَانُ، قَالَ: حَدَّثَنَا قَتَادَةُ، أَخْبَرَنَا الحَسَنُ مِثْلَهُ
قَالَ أَبُو عَبْدِ اللَّهِ: «الغَسْلُ أَحْوَطُ، وَذَاكَ الآخِرُ، وَإِنَّمَا بَيَّنَّا لِاخْتِلاَفِهِمْ»
قَالَ أَبُو عَبْدِ اللَّهِ: «الغَسْلُ أَحْوَطُ، وَذَاكَ الآخِرُ، وَإِنَّمَا بَيَّنَّا لِاخْتِلاَفِهِمْ»
সহীহ বুখারী
হাদীস নং: ২৮৮
আন্তর্জাতিক নং: ২৯২
- গোসলের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ২০২। স্ত্রীর অঙ্গ থেকে কিছু লাগলে ধুয়ে ফেলা
২৮৮। আবু মা’মার (রাহঃ) .... যায়দ ইবনে খালিদ জুহানী (রাহঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি উসমান ইবনে আফফান (রাযিঃ)-কে জিজ্ঞাসা করলেনঃ স্বামী-স্ত্রী সংগত হলে যদি মনি বের না হয় (তখন কি করবে)? উসমান (রাযিঃ) বললেনঃ নামাযের উযুর মত উযু করবে এবং লজ্জাস্থান ধুয়ে ফেলবে। উসমান (রাযিঃ) বলেনঃ আমি এটা রাসূলুল্লাহ (ﷺ) থেকে শুনেছি। এরপর আলী ইবনে আবি তালিব, যুবাইর ইবনুল আওয়াম, তালহা ইবনে উবাইদুল্লাহ্ ও উবাই ইবনে কা’ব (রাযিঃ)-কে জিজ্ঞাসা করেছিলাম। তাঁরা সবাই ঐ একই জবাব দিয়েছেন। আবু সালামা (রাহঃ) আবু আয়্যূব (রাযিঃ) থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি [আবু আয়্যূব (রাযিঃ)] এ কথা রাসূলুল্লাহ (ﷺ) থেকে শুনেছেন।
كتاب الغسل
باب غَسْلِ مَا يُصِيبُ مِنْ فَرْجِ الْمَرْأَةِ
292 - حَدَّثَنَا أَبُو مَعْمَرٍ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الوَارِثِ، عَنِ الحُسَيْنِ، قَالَ: يَحْيَى، وَأَخْبَرَنِي أَبُو سَلَمَةَ، أَنَّ عَطَاءَ بْنَ يَسَارٍ، أَخْبَرَهُ أَنَّ زَيْدَ بْنَ خَالِدٍ الجُهَنِيَّ، أَخْبَرَهُ أَنَّهُ، سَأَلَ عُثْمَانَ بْنَ عَفَّانَ فَقَالَ: أَرَأَيْتَ إِذَا جَامَعَ الرَّجُلُ امْرَأَتَهُ فَلَمْ يُمْنِ؟ قَالَ: عُثْمَانُ: «يَتَوَضَّأُ كَمَا يَتَوَضَّأُ لِلصَّلاَةِ وَيَغْسِلُ ذَكَرَهُ» قَالَ عُثْمَانُ: سَمِعْتُهُ مِنْ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَسَأَلْتُ عَنْ ذَلِكَ عَلِيَّ بْنَ أَبِي طَالِبٍ، وَالزُّبَيْرَ بْنَ العَوَّامِ، وَطَلْحَةَ بْنَ عُبَيْدِ اللَّهِ، وَأُبَيَّ بْنَ كَعْبٍ - رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُمْ - فَأَمَرُوهُ بِذَلِكَ. قَالَ: يَحْيَى، وَأَخْبَرَنِي أَبُو سَلَمَةَ، أَنَّ عُرْوَةَ بْنَ الزُّبَيْرِ أَخْبَرَهُ أَنَّ أَبَا أَيُّوبَ أَخْبَرَهُ أَنَّهُ سَمِعَ ذَلِكَ مِنْ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ
সহীহ বুখারী
হাদীস নং: ২৮৯
আন্তর্জাতিক নং: ২৯৩
- গোসলের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ২০২। স্ত্রীর অঙ্গ থেকে কিছু লাগলে ধুয়ে ফেলা
২৮৯। মুসাদ্দাদ (রাহঃ) ......... উবাই ইবনে কা’ব (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-কে জিজ্ঞাসা করলেনঃ ইয়া রাসূলাল্লাহ! স্ত্রীর সাথে সঙ্গত হলে যদি বীর্য বের না হয় (তার হুকুম কি)? তিনি বললেনঃ স্ত্রীর থেকে যা লেগেছে তা ধুয়ে উযু করবে ও নামায আদায় করবে।
আবু আব্দুল্লাহ (বুখারী রাহঃ) বলেনঃ গোসল করাই শ্রেয়। আর তা-ই সর্বশেষ হুকুম। আমি এই শেষের হাদীসটি বর্ণনা করেছি মতভেদ থাকার কারণে। কিন্তু পানি (গোসল) অধিক পবিত্রকারী।**
** এ বিধান পরে রহিত হয়েছে। স্ত্রীর সাথে সংগত হওয়ার কারণে গোসল ফরয হয়। এটি সর্বসম্মত সিদ্ধান্ত। টীকা নং ৪, বুখারী শরীফ, আসহহুল মাতাবে', পৃ ৪৩
আবু আব্দুল্লাহ (বুখারী রাহঃ) বলেনঃ গোসল করাই শ্রেয়। আর তা-ই সর্বশেষ হুকুম। আমি এই শেষের হাদীসটি বর্ণনা করেছি মতভেদ থাকার কারণে। কিন্তু পানি (গোসল) অধিক পবিত্রকারী।**
** এ বিধান পরে রহিত হয়েছে। স্ত্রীর সাথে সংগত হওয়ার কারণে গোসল ফরয হয়। এটি সর্বসম্মত সিদ্ধান্ত। টীকা নং ৪, বুখারী শরীফ, আসহহুল মাতাবে', পৃ ৪৩
كتاب الغسل
باب غَسْلِ مَا يُصِيبُ مِنْ فَرْجِ الْمَرْأَةِ
293 - حَدَّثَنَا مُسَدَّدٌ، حَدَّثَنَا يَحْيَى، عَنْ هِشَامِ بْنِ عُرْوَةَ، قَالَ: أَخْبَرَنِي أَبِي قَالَ: أَخْبَرَنِي أَبُو أَيُّوبَ، قَالَ: أَخْبَرَنِي أُبَيُّ بْنُ كَعْبٍ، أَنَّهُ قَالَ يَا رَسُولَ اللَّهِ: إِذَا جَامَعَ الرَّجُلُ المَرْأَةَ فَلَمْ يُنْزِلْ؟ قَالَ: «يَغْسِلُ مَا مَسَّ المَرْأَةَ مِنْهُ، ثُمَّ يَتَوَضَّأُ وَيُصَلِّي» قَالَ أَبُو عَبْدِ اللَّهِ: «الغَسْلُ أَحْوَطُ، وَذَاكَ الآخِرُ، وَإِنَّمَا بَيَّنَّا لِاخْتِلاَفِهِمْ»
সহীহ বুখারী
হাদীস নং: ২৯০
আন্তর্জাতিক নং: ২৯৪
- হায়েয-ইস্তিহাযার অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ২০৩। হায়যের অধ্যায়: হায়যের ইতিকথা।
আর আল্লাহর বাণীঃ “লোকেরা তোমাকে হায়য সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করে। বল, তা অপবিত্রতা। সুতরাং হায়য অবস্থায় স্ত্রীদের থেকে দূরে থাক। আর তারা পাক-পবিত্র হওয়ার পূর্বে তাদের সাথে মিলিত হয়ো না। তারা পাক-পবিত্র হলে আল্লাহর নির্দেশ মুতাবিক তাদের কাছে যাও। নিশ্চয়ই আল্লাহ তওবাকারীদের ভালবাসেন; তিনি পবিত্রতা রক্ষাকারীদেরও ভালবাসেন।” (২ : ২২২) .
নবী (ﷺ) বলেনঃ এটি এমন একটি বিষয় যা আল্লাহ্ তাআলা আদম-কন্যাদের জন্য নির্ধারণ করে দিয়েছেন। কারো কারো মতে সর্বপ্রথম হায়য শুরু হয় বনী ইসরাঈলী মহিলাদের। আবু আব্দুল্লাহ বুখারী (রাহঃ) বলেন, নবী (ﷺ)-এর হাদীসই গ্রহণযোগ্য।
আর আল্লাহর বাণীঃ “লোকেরা তোমাকে হায়য সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করে। বল, তা অপবিত্রতা। সুতরাং হায়য অবস্থায় স্ত্রীদের থেকে দূরে থাক। আর তারা পাক-পবিত্র হওয়ার পূর্বে তাদের সাথে মিলিত হয়ো না। তারা পাক-পবিত্র হলে আল্লাহর নির্দেশ মুতাবিক তাদের কাছে যাও। নিশ্চয়ই আল্লাহ তওবাকারীদের ভালবাসেন; তিনি পবিত্রতা রক্ষাকারীদেরও ভালবাসেন।” (২ : ২২২) .
নবী (ﷺ) বলেনঃ এটি এমন একটি বিষয় যা আল্লাহ্ তাআলা আদম-কন্যাদের জন্য নির্ধারণ করে দিয়েছেন। কারো কারো মতে সর্বপ্রথম হায়য শুরু হয় বনী ইসরাঈলী মহিলাদের। আবু আব্দুল্লাহ বুখারী (রাহঃ) বলেন, নবী (ﷺ)-এর হাদীসই গ্রহণযোগ্য।
২৯০। আলী ইবনে আব্দুল্লাহ (রাহঃ) .... আয়িশা (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেনঃ আমরা হজ্জের উদ্দেশ্যেই (মদীনা থেকে) বের হলাম। ‘সারিফ’ নামক স্থানে পৌঁছার পর আমার হায়য আসলো। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এসে আমাকে কাঁদতে দেখলেন; এবং বললেনঃ কি হল তোমার? তোমার হায়য এসেছে? আমি বললাম, হ্যাঁ। তিনি বললেনঃ এ তো আল্লাহ্ তাআলাই আদম-কন্যাদের জন্য নির্ধারণ করে দিয়েছেন। সুতরাং তুমি বায়তুল্লাহর তাওয়াফ ছাড়া হজ্জের বাকী সব কাজ করে যাও। আয়িশা (রাযিঃ) বলেনঃ রাসূলুল্লাহ (ﷺ) তাঁর স্ত্রীগণের পক্ষ থেকে গাভী কুরবানী করলেন।
كتاب الحيض
كِتَابُ الحَيْض
وَقَوْلُ اللَّهِ تَعَالَى: {وَيَسْأَلُونَكَ عَنِ المَحِيضِ قُلْ هُوَ أَذًى فَاعْتَزِلُوا النِّسَاءَ فِي المَحِيضِ} [البقرة: 222]- إِلَى قَوْلِهِ - {وَيُحِبُّ المُتَطَهِّرِينَ} [البقرة: 222]
باب كَيْفَ كَانَ بَدْءُ الْحَيْضِ وَقَوْلِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم هَذَا شَىْءٌ كَتَبَهُ اللَّهُ عَلَى بَنَاتِ آدَمَ وَقَالَ بَعْضُهُمْ كَانَ أَوَّلُ مَا أُرْسِلَ الْحَيْضُ عَلَى بَنِي إِسْرَائِيلَ، وَحَدِيثُ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم أَكْثَرُ
وَقَوْلُ اللَّهِ تَعَالَى: {وَيَسْأَلُونَكَ عَنِ المَحِيضِ قُلْ هُوَ أَذًى فَاعْتَزِلُوا النِّسَاءَ فِي المَحِيضِ} [البقرة: 222]- إِلَى قَوْلِهِ - {وَيُحِبُّ المُتَطَهِّرِينَ} [البقرة: 222]
باب كَيْفَ كَانَ بَدْءُ الْحَيْضِ وَقَوْلِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم هَذَا شَىْءٌ كَتَبَهُ اللَّهُ عَلَى بَنَاتِ آدَمَ وَقَالَ بَعْضُهُمْ كَانَ أَوَّلُ مَا أُرْسِلَ الْحَيْضُ عَلَى بَنِي إِسْرَائِيلَ، وَحَدِيثُ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم أَكْثَرُ
294 - حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ، قَالَ: حَدَّثَنَا سُفْيَانُ، قَالَ: سَمِعْتُ عَبْدَ الرَّحْمَنِ بْنَ القَاسِمِ، قَالَ: سَمِعْتُ القَاسِمَ بْنَ مُحَمَّدٍ [ص:67]، يَقُولُ: سَمِعْتُ عَائِشَةَ تَقُولُ: خَرَجْنَا لاَ نَرَى إِلَّا الحَجَّ، فَلَمَّا كُنَّا بِسَرِفَ حِضْتُ، فَدَخَلَ عَلَيَّ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَأَنَا أَبْكِي، قَالَ: «مَا لَكِ أَنُفِسْتِ؟» . قُلْتُ: نَعَمْ، قَالَ: «إِنَّ هَذَا أَمْرٌ كَتَبَهُ اللَّهُ عَلَى بَنَاتِ آدَمَ، فَاقْضِي مَا يَقْضِي الحَاجُّ، غَيْرَ أَنْ لاَ تَطُوفِي بِالْبَيْتِ» قَالَتْ: وَضَحَّى رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ عَنْ نِسَائِهِ بِالْبَقَرِ
তাহকীক:
সহীহ বুখারী
হাদীস নং: ২৯১
আন্তর্জাতিক নং: ২৯৫
- হায়েয-ইস্তিহাযার অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ২০৪। হায়যের সময় স্বামীর মাথা ধুয়ে দেওয়া ও চুল আঁচড়িয়ে দেওয়া
২৯১। আব্দুল্লাহ ইবনে ইউসুফ (রাহঃ) .... আয়িশা (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেনঃ আমি হায়য অবস্থায় রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এর মাথা আঁচড়িয়ে দিতাম।
كتاب الحيض
باب غَسْلِ الْحَائِضِ رَأْسَ زَوْجِهَا وَتَرْجِيلِهِ
295 - حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ يُوسُفَ، قَالَ: حَدَّثَنَا مَالِكٌ، عَنْ هِشَامِ بْنِ عُرْوَةَ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ عَائِشَةَ قَالَتْ: «كُنْتُ أُرَجِّلُ رَأْسَ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَأَنَا حَائِضٌ»
তাহকীক:
সহীহ বুখারী
হাদীস নং: ২৯২
আন্তর্জাতিক নং: ২৯৬
- হায়েয-ইস্তিহাযার অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ২০৪। হায়যের সময় স্বামীর মাথা ধুয়ে দেওয়া ও চুল আঁচড়িয়ে দেওয়া
২৯২। ইবরাহীম ইবনে মুসা (রাহঃ) .... উরওয়া (রাহঃ) থেকে বর্ণিত, তাঁকে (উরওয়াকে) প্রশ্ন করা হয়েছিল যে, ঋতুবতী স্ত্রী কি স্বামীর খিদমত করতে পারে? অথবা গোসল ফরয হওয়া অবস্থায় কি স্ত্রী স্বামীর নিকটবর্তী হতে পারে? উরওয়া জওয়াব দিলেন, এ সবই আমার কাছে সহজ। এ ধরনের সকল মহিলাই স্বামীর খিদমত করতে পারে। এ ব্যাপারে কারো অসুবিধা থাকার কথা নয়। আমাকে আয়িশা (রাযিঃ) বলেছেন যে, তিনি হায়যের অবস্থায় রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এর চুল আঁচড়ে দিতেন। আর রাসূলুল্লাহ (ﷺ) ইতিকাফ অবস্থায় মসজিদ থেকে তাঁর (আয়িশার) হুজরার দিকে তাঁর কাছে মাথাটা বাড়িয়ে দিতেন। তখন তিনি মাথার চুল আঁচড়াতেন অথচ তিনি ছিলেন ঋতুবতী।
كتاب الحيض
باب غَسْلِ الْحَائِضِ رَأْسَ زَوْجِهَا وَتَرْجِيلِهِ
296 - حَدَّثَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ مُوسَى، قَالَ: أَخْبَرَنَا هِشَامُ بْنُ يُوسُفَ، أَنَّ ابْنَ جُرَيْجٍ، أَخْبَرَهُمْ قَالَ: أَخْبَرَنِي هِشَامُ بْنُ عُرْوَةَ، عَنْ عُرْوَةَ، أَنَّهُ سُئِلَ أَتَخْدُمُنِي الحَائِضُ أَوْ تَدْنُو مِنِّي المَرْأَةُ وَهِيَ جُنُبٌ؟ فَقَالَ عُرْوَةُ: كُلُّ ذَلِكَ عَلَيَّ هَيِّنٌ، وَكُلُّ ذَلِكَ تَخْدُمُنِي وَلَيْسَ عَلَى أَحَدٍ فِي ذَلِكَ بَأْسٌ أَخْبَرَتْنِي عَائِشَةُ: «أَنَّهَا كَانَتْ تُرَجِّلُ، تَعْنِي رَأْسَ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، وَهِيَ حَائِضٌ، وَرَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ حِينَئِذٍ مُجَاوِرٌ فِي المَسْجِدِ، يُدْنِي لَهَا رَأْسَهُ، وَهِيَ فِي حُجْرَتِهَا، فَتُرَجِّلُهُ وَهِيَ حَائِضٌ»
তাহকীক:
সহীহ বুখারী
হাদীস নং: ২৯৩
আন্তর্জাতিক নং: ২৯৭
- হায়েয-ইস্তিহাযার অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ২০৫। স্ত্রীর হায়য অবস্থায় তার কোলে মাথা রেখে কুরআন তিলাওয়াত করা।
আবু ওয়াইল (রাহঃ) তাঁর ঋতুবতী দাসীকে আবু রাযীন (রাহঃ)-এর কাছে পাঠাতেন, আর দাসী জুযদানে (গিলাফে) পেঁচিয়ে কুরআন মাজীদ নিয়ে আসত।
আবু ওয়াইল (রাহঃ) তাঁর ঋতুবতী দাসীকে আবু রাযীন (রাহঃ)-এর কাছে পাঠাতেন, আর দাসী জুযদানে (গিলাফে) পেঁচিয়ে কুরআন মাজীদ নিয়ে আসত।
২৯৩। আবু নুআয়ম (রাহঃ) .... আয়িশা (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেনঃ নবী (ﷺ) আমার কোলে হেলান দিয়ে কুরআন তিলাওয়াত করতেন। আর তখন আমি হায়যের অবস্থায় ছিলাম।
كتاب الحيض
باب قِرَاءَةِ الرَّجُلِ فِي حَجْرِ امْرَأَتِهِ وَهْىَ حَائِضٌ وَكَانَ أَبُو وَائِلٍ يُرْسِلُ خَادِمَهُ وَهْيَ حَائِضٌ إِلَى أَبِي رَزِينٍ، فَتَأْتِيهِ بِالْمُصْحَفِ فَتُمْسِكُهُ بِعِلاَقَتِهِ
297 - حَدَّثَنَا أَبُو نُعَيْمٍ الفَضْلُ بْنُ دُكَيْنٍ، سَمِعَ زُهَيْرًا، عَنْ مَنْصُورِ بْنِ صَفِيَّةَ، أَنَّ أُمَّهُ، حَدَّثَتْهُ أَنَّ عَائِشَةَ حَدَّثَتْهَا أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «كَانَ يَتَّكِئُ فِي حَجْرِي وَأَنَا حَائِضٌ، ثُمَّ يَقْرَأُ القُرْآنَ»
তাহকীক:
সহীহ বুখারী
হাদীস নং: ২৯৪
আন্তর্জাতিক নং: ২৯৮
- হায়েয-ইস্তিহাযার অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ২০৬। নিফাসকে হায়য বলা
২৯৪। মক্কী ইবনে ইবরাহীম (রাহঃ) .... উম্মে সালামা (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেনঃ আমি নবী (ﷺ) এর সঙ্গে একই চাঁদরের নীচে শুয়ে ছিলাম। হঠাৎ আমার হায়য দেখা দিলে আমি চুপি চুপি বেরিয়ে গিয়ে হায়যের কাপড় পরে নিলাম। তিনি বললেনঃ তোমার কি নিফাস দেখা দিয়েছে? আমি বললাম, ‘হ্যাঁ’। তখন তিনি আমাকে ডাকলেন। আমি তাঁর সঙ্গে চাঁদরের ভেতর শুয়ে পড়লাম।
كتاب الحيض
بَابُ مَنْ سَمَّى النِّفَاسَ حَيْضًا، وَالحَيْضَ نِفَاسًا
298 - حَدَّثَنَا المَكِّيُّ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، قَالَ: حَدَّثَنَا هِشَامٌ، عَنْ يَحْيَى بْنِ أَبِي كَثِيرٍ، عَنْ أَبِي سَلَمَةَ، أَنَّ زَيْنَبَ بِنْتَ أُمِّ سَلَمَةَ، حَدَّثَتْهُ أَنَّ أُمَّ سَلَمَةَ حَدَّثَتْهَا قَالَتْ: بَيْنَا أَنَا مَعَ النَّبِيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، مُضْطَجِعَةٌ فِي خَمِيصَةٍ، إِذْ حِضْتُ، فَانْسَلَلْتُ، فَأَخَذْتُ ثِيَابَ حِيضَتِي، قَالَ: «أَنُفِسْتِ» قُلْتُ: نَعَمْ، فَدَعَانِي، فَاضْطَجَعْتُ مَعَهُ فِي الخَمِيلَةِ
তাহকীক:
সহীহ বুখারী
হাদীস নং: ২৯৫
আন্তর্জাতিক নং: ২৯৯ - ৩০১
- হায়েয-ইস্তিহাযার অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ২০৭। হায়য অবস্থায় স্ত্রীর সাথে মেলামেশা করা
২৯৫। কাবীসা (রাহঃ) .... আয়িশা (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেনঃ আমি ও নবী (ﷺ) জানাবাত অবস্থায় একই পাত্র থেকে পানি নিয়ে গোসল করতাম এবং তিনি আমাকে নির্দেশ দিলে আমি ইযার পরে নিতাম, আর আমার হায়য অবস্থায় তিনি আমার সাথে মিশামিশি করে শুতেন। তাছাড়া তিনি ই’তিকাফ অবস্থায় মাথা বের করে দিতেন, আর আমি হায়য অবস্থায় মাথা ধুয়ে দিতাম।
كتاب الحيض
باب مُبَاشَرَةِ الْحَائِضِ
حَدَّثَنَا قَبِيصَةُ، قَالَ حَدَّثَنَا سُفْيَانُ، عَنْ مَنْصُورٍ، عَنْ إِبْرَاهِيمَ، عَنِ الأَسْوَدِ، عَنْ عَائِشَةَ، قَالَتْ كُنْتُ أَغْتَسِلُ أَنَا وَالنَّبِيُّ، صلى الله عليه وسلم مِنْ إِنَاءٍ وَاحِدٍ، كِلاَنَا جُنُبٌ.
وَكَانَ يَأْمُرُنِي فَأَتَّزِرُ، فَيُبَاشِرُنِي وَأَنَا حَائِضٌ.
وَكَانَ يُخْرِجُ رَأْسَهُ إِلَىَّ وَهُوَ مُعْتَكِفٌ، فَأَغْسِلُهُ وَأَنَا حَائِضٌ.
وَكَانَ يَأْمُرُنِي فَأَتَّزِرُ، فَيُبَاشِرُنِي وَأَنَا حَائِضٌ.
وَكَانَ يُخْرِجُ رَأْسَهُ إِلَىَّ وَهُوَ مُعْتَكِفٌ، فَأَغْسِلُهُ وَأَنَا حَائِضٌ.
তাহকীক:
সহীহ বুখারী
হাদীস নং: ২৯৬
আন্তর্জাতিক নং: ৩০২
- হায়েয-ইস্তিহাযার অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ২০৭। হায়য অবস্থায় স্ত্রীর সাথে মেলামেশা করা
২৯৬। ইসমাঈল ইবনে খলীল (রাহঃ) .... আয়িশা (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেনঃ আমাদের কেউ হায়য অবস্থায় থাকলে রাসূলুল্লাহ (ﷺ) তাঁর সাথে মিশামিশি করতে চাইলে তাকে হায়যের ইযার পরার নির্দেশ দিতেন। তারপর তার সাথে মিশামিশি করতেন। তিনি [আয়িশা (রাযিঃ)] বলেনঃ তোমাদের মধ্যে নবী (ﷺ) এর মত কাম-প্রবৃত্তি দমন করার শক্তি রাখে কে?
খালিদ ও জারীর (রাহঃ) আশ-শায়বানী (রাহঃ) থেকে এই হাদীসের অনুরূপ বর্ণনা করেছেন।
খালিদ ও জারীর (রাহঃ) আশ-শায়বানী (রাহঃ) থেকে এই হাদীসের অনুরূপ বর্ণনা করেছেন।
كتاب الحيض
باب مُبَاشَرَةِ الْحَائِضِ
302 - حَدَّثَنَا إِسْمَاعِيلُ بْنُ خَلِيلٍ، قَالَ: أَخْبَرَنَا عَلِيُّ بْنُ مُسْهِرٍ، قَالَ: أَخْبَرَنَا أَبُو إِسْحَاقَ هُوَ الشَّيْبَانِيُّ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ الأَسْوَدِ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ عَائِشَةَ، قَالَتْ: كَانَتْ إِحْدَانَا إِذَا كَانَتْ حَائِضًا، فَأَرَادَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَنْ يُبَاشِرَهَا " أَمَرَهَا أَنْ تَتَّزِرَ فِي [ص:68] فَوْرِ حَيْضَتِهَا، ثُمَّ يُبَاشِرُهَا، قَالَتْ: وَأَيُّكُمْ يَمْلِكُ إِرْبَهُ، كَمَا كَانَ النَّبِيُّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَمْلِكُ إِرْبَهُ " تَابَعَهُ خَالِدٌ، وَجَرِيرٌ، عَنِ الشَّيْبَانِيِّ
তাহকীক:
সহীহ বুখারী
হাদীস নং: ২৯৭
আন্তর্জাতিক নং: ৩০৩
- হায়েয-ইস্তিহাযার অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ২০৭। হায়য অবস্থায় স্ত্রীর সাথে মেলামেশা করা
২৯৭। আবু নু’মান (রাহঃ) .... মায়মুনা (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেনঃ রাসূলুল্লাহ (ﷺ) তাঁর কোন স্ত্রীর সাথে হায়য অবস্থায় মিলামিশা করতে চাইলে তাকে ইযার পরতে বলতেন।
শায়বানী (রাহঃ) থেকে সুফিয়ান (রাহঃ) এ বর্ণনা করেছেন।
শায়বানী (রাহঃ) থেকে সুফিয়ান (রাহঃ) এ বর্ণনা করেছেন।
كتاب الحيض
باب مُبَاشَرَةِ الْحَائِضِ
303 - حَدَّثَنَا أَبُو النُّعْمَانِ، قَالَ: حَدَّثَنَا عَبْدُ الوَاحِدِ، قَالَ: حَدَّثَنَا الشَّيْبَانِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ شَدَّادٍ، قَالَ: سَمِعْتُ مَيْمُونَةَ، تَقُولُ كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ «إِذَا أَرَادَ أَنْ يُبَاشِرَ امْرَأَةً مِنْ نِسَائِهِ أَمَرَهَا، فَاتَّزَرَتْ وَهِيَ حَائِضٌ» وَرَوَاهُ سُفْيَانُ عَنِ الشَّيْبَانِيِّ
তাহকীক:
সহীহ বুখারী
হাদীস নং: ২৯৮
আন্তর্জাতিক নং: ৩০৪
- হায়েয-ইস্তিহাযার অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ২০৮। হায়য অবস্থায় রোযা ছেড়ে দেওয়া
২৯৮। সাঈদ ইবনে আবু মারয়াম (রাহঃ) ......... আবু সাঈদ খুদরী (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত, একবার ঈদুল আযহা বা ঈদুল ফিতরের নামায আদায়ের জন্য রাসূলুল্লাহ (ﷺ) ঈদগাহের দিকে যাচ্ছিলেন। তিনি মহিলাদের পাশ দিয়ে যাওয়ার সময় বললেনঃ হে মহিলা সমাজ! তোমরা সাদ্কা করতে থাক। কারণ আমি দেখেছি জাহান্নামের অধিবাসীদের মধ্যে তোমরাই অধিক। তাঁরা আরয করলেনঃ কী কারণে, ইয়া রাসূলাল্লাহ? তিনি বললেনঃ তোমরা অধিক পরিমাণে অভিশাপ দিয়ে থাক আর স্বামীর না-শোকরী করে থাক। বুদ্ধি ও দ্বীনের ব্যাপারে ত্রুটি থাকা সত্ত্বেও একজন সদাসতর্ক ব্যক্তির বুদ্ধিহরণে তোমাদের চাইতে পারদর্শী আমি আর কাউকে দেখিনি।
তাঁরা বললেনঃ আমাদের দ্বীন ও বুদ্ধির ত্রুটি কোথায়, ইয়া রাসূলাল্লাহ! তিনি বললেনঃ একজন মহিলার সাক্ষ্য কি একজন পুরুষের সাক্ষ্যের অর্ধেক নয়? তাঁরা উত্তর দিলেন, ‘হ্যাঁ’। তখন তিনি বললেনঃ এ হচ্ছে তাদের বুদ্ধির ত্রুটি। আর হায়য অবস্থায় তারা কি নামায ও রোযা থেকে বিরত থাকে না? তাঁরা বললেন, ‘হ্যাঁ’। তিনি বললেনঃ এ হচ্ছে তাদের দ্বীনের ত্রুটি।
তাঁরা বললেনঃ আমাদের দ্বীন ও বুদ্ধির ত্রুটি কোথায়, ইয়া রাসূলাল্লাহ! তিনি বললেনঃ একজন মহিলার সাক্ষ্য কি একজন পুরুষের সাক্ষ্যের অর্ধেক নয়? তাঁরা উত্তর দিলেন, ‘হ্যাঁ’। তখন তিনি বললেনঃ এ হচ্ছে তাদের বুদ্ধির ত্রুটি। আর হায়য অবস্থায় তারা কি নামায ও রোযা থেকে বিরত থাকে না? তাঁরা বললেন, ‘হ্যাঁ’। তিনি বললেনঃ এ হচ্ছে তাদের দ্বীনের ত্রুটি।
كتاب الحيض
باب تَرْكِ الْحَائِضِ الصَّوْمَ
304 - حَدَّثَنَا سَعِيدُ بْنُ أَبِي مَرْيَمَ، قَالَ: أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ جَعْفَرٍ، قَالَ: أَخْبَرَنِي زَيْدٌ هُوَ ابْنُ أَسْلَمَ، عَنْ عِيَاضِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ، عَنْ أَبِي سَعِيدٍ الخُدْرِيِّ، قَالَ: خَرَجَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فِي أَضْحَى أَوْ فِطْرٍ إِلَى المُصَلَّى، فَمَرَّ عَلَى النِّسَاءِ، فَقَالَ: «يَا مَعْشَرَ النِّسَاءِ تَصَدَّقْنَ فَإِنِّي أُرِيتُكُنَّ أَكْثَرَ أَهْلِ النَّارِ» فَقُلْنَ: وَبِمَ يَا رَسُولَ اللَّهِ؟ قَالَ: «تُكْثِرْنَ اللَّعْنَ، وَتَكْفُرْنَ العَشِيرَ، مَا رَأَيْتُ مِنْ نَاقِصَاتِ عَقْلٍ وَدِينٍ أَذْهَبَ لِلُبِّ الرَّجُلِ الحَازِمِ مِنْ إِحْدَاكُنَّ» ، قُلْنَ: وَمَا نُقْصَانُ دِينِنَا وَعَقْلِنَا يَا رَسُولَ اللَّهِ؟ قَالَ: «أَلَيْسَ شَهَادَةُ المَرْأَةِ مِثْلَ نِصْفِ شَهَادَةِ الرَّجُلِ» قُلْنَ: بَلَى، قَالَ: «فَذَلِكِ مِنْ نُقْصَانِ عَقْلِهَا، أَلَيْسَ إِذَا حَاضَتْ لَمْ تُصَلِّ وَلَمْ تَصُمْ» قُلْنَ: بَلَى، قَالَ: «فَذَلِكِ مِنْ نُقْصَانِ دِينِهَا»
সহীহ বুখারী
হাদীস নং: ২৯৯
আন্তর্জাতিক নং: ৩০৫
- হায়েয-ইস্তিহাযার অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ২০৯। হায়য অবস্থায় কা'বার তাওয়াফ ছাড়া হজ্জের অন্যান্য কাজ করা যায়।
ইবরাহীম (রাহঃ) বলেছেনঃ (হায়য অবস্থায়) আয়াত পাঠে কোন দোষ নেই।
ইবনে আব্বাস (রাযিঃ) জুনুবীর জন্য কুরআন পাঠে কোন দোষ মনে করতেন না।
নবী (ﷺ) সর্বাবস্থায় আল্লাহর যিক্র করতেন।
উম্মে আতিয়্যা (রাযিঃ) বলেনঃ (ঈদের দিন) হায়য অবস্থায় মহিলাদের বাইরে নিয়ে আসার জন্য আমাদের বলা হতো, যাতে তারা পুরুষদের সাথে তাকবীর বলে ও দুআ করে।
ইবনে আব্বাস (রাযিঃ) আবু সুফিয়ান (রাযিঃ) থেকে বর্ণনা করেন যে, হিরাকল (রোম সম্রাট) নবী (ﷺ)-এর পত্র চেয়ে নিলেন এবং তা পাঠ করলেন। তাতে লেখা ছিলঃ
((بسم الله الرحمن الرحيم: {يا أهل الكتاب تعالوا إلى كلمة سواء بيننا وبينكم ألا نعبد إلا الله} الى قوله مسلمون [آل عمران: 64] . “দয়াময় পরম দয়ালু আল্লাহর নামে। আপনি বলুন! হে কিতাবীগণ! এস সে কথায় যা আমাদের ও তোমাদের মধ্যে একই-যেন আমরা আল্লাহ্ ব্যতীত কারো ইবাদত না করি। কোন কিছুকেই তাঁর শরীক না করি এবং আমাদের কেউ কাউকে আল্লাহ্ ব্যতীত রবরূপে গ্রহণ না করি। যদি তারা মুখ ফিরিয়ে নেয় তবে বলুন, তোমরা সাক্ষী থাক আমরা মুসলিম (৩ : ৬৪)।
আতা (রাহঃ) জাবির (রাযিঃ) থেকে বর্ণনা করেন যে, আয়িশা (রাযিঃ) হায়য অবস্থায় কা'বা তাওয়াফ ছাড়া হজ্জের অন্যান্য আহকাম পালন করেছেন কিন্তু নামায আদায় করেন নি।
হাকাম (রাহঃ) বলেছেনঃ আমি জুনুবী অবস্থায়ও যবেহ করে থাকি। অথচ আল্লাহর বাণী হলোঃ وَلاَ تَأْكُلُوا مِمَّا لَمْ يُذْكَرِ اسْمُ اللَّهِ عَلَيْهِ “তোমরা আহার করো না সে সব প্রাণী, যার ওপর আল্লাহর নাম নেয়া হয়নি।” (৬ : ১২১)
ইবরাহীম (রাহঃ) বলেছেনঃ (হায়য অবস্থায়) আয়াত পাঠে কোন দোষ নেই।
ইবনে আব্বাস (রাযিঃ) জুনুবীর জন্য কুরআন পাঠে কোন দোষ মনে করতেন না।
নবী (ﷺ) সর্বাবস্থায় আল্লাহর যিক্র করতেন।
উম্মে আতিয়্যা (রাযিঃ) বলেনঃ (ঈদের দিন) হায়য অবস্থায় মহিলাদের বাইরে নিয়ে আসার জন্য আমাদের বলা হতো, যাতে তারা পুরুষদের সাথে তাকবীর বলে ও দুআ করে।
ইবনে আব্বাস (রাযিঃ) আবু সুফিয়ান (রাযিঃ) থেকে বর্ণনা করেন যে, হিরাকল (রোম সম্রাট) নবী (ﷺ)-এর পত্র চেয়ে নিলেন এবং তা পাঠ করলেন। তাতে লেখা ছিলঃ
((بسم الله الرحمن الرحيم: {يا أهل الكتاب تعالوا إلى كلمة سواء بيننا وبينكم ألا نعبد إلا الله} الى قوله مسلمون [آل عمران: 64] . “দয়াময় পরম দয়ালু আল্লাহর নামে। আপনি বলুন! হে কিতাবীগণ! এস সে কথায় যা আমাদের ও তোমাদের মধ্যে একই-যেন আমরা আল্লাহ্ ব্যতীত কারো ইবাদত না করি। কোন কিছুকেই তাঁর শরীক না করি এবং আমাদের কেউ কাউকে আল্লাহ্ ব্যতীত রবরূপে গ্রহণ না করি। যদি তারা মুখ ফিরিয়ে নেয় তবে বলুন, তোমরা সাক্ষী থাক আমরা মুসলিম (৩ : ৬৪)।
আতা (রাহঃ) জাবির (রাযিঃ) থেকে বর্ণনা করেন যে, আয়িশা (রাযিঃ) হায়য অবস্থায় কা'বা তাওয়াফ ছাড়া হজ্জের অন্যান্য আহকাম পালন করেছেন কিন্তু নামায আদায় করেন নি।
হাকাম (রাহঃ) বলেছেনঃ আমি জুনুবী অবস্থায়ও যবেহ করে থাকি। অথচ আল্লাহর বাণী হলোঃ وَلاَ تَأْكُلُوا مِمَّا لَمْ يُذْكَرِ اسْمُ اللَّهِ عَلَيْهِ “তোমরা আহার করো না সে সব প্রাণী, যার ওপর আল্লাহর নাম নেয়া হয়নি।” (৬ : ১২১)
২৯৯। আবু নুআয়ম (রাহঃ) ......... আয়িশা (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেনঃ আমরা রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এর সঙ্গে হজ্জের উদ্দেশ্যে বেরিয়েছিলাম। আমরা সারিফ নামক স্থানে পৌঁছলে আমি ঋতুবতী হই। এ সময় নবী (ﷺ) এসে আমাকে কাঁদতে দেখলেন এবং জিজ্ঞাসা করলেনঃ তুমি কাঁদছ কেন? আমি বললামঃ আল্লাহর শপথ! এ বছর হজ্জ না করাই আমার জন্য পছন্দনীয়। তিনি বললেনঃ সম্ভবত তুমি ঋতুবতী হয়েছ। আমি বললাম, ‘হ্যাঁ’। তিনি বললেনঃ এ তো আদম-কন্যাদের জন্য আল্লাহ্ নির্ধারিত করেছেন। তুমি পাক হওয়া পর্যন্ত অন্যান্য হাজীদের মত সমস্ত কাজ করে যাও, কেবল কা'বার তাওয়াফ করবে না।
كتاب الحيض
باب تَقْضِي الْحَائِضُ الْمَنَاسِكَ كُلَّهَا إِلاَّ الطَّوَافَ بِالْبَيْتِ وَقَالَ إِبْرَاهِيمُ لاَ بَأْسَ أَنْ تَقْرَأَ الآيَةَ. وَلَمْ يَرَ ابْنُ عَبَّاسٍ بِالْقِرَاءَةِ لِلْجُنُبِ بَأْسًا. وَكَانَ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَذْكُرُ اللَّهَ عَلَى كُلِّ أَحْيَانِهِ. وَقَالَتْ أُمُّ عَطِيَّةَ كُنَّا نُؤْمَرُ أَنْ يَخْرُجَ الْحُيَّضُ، فَيُكَبِّرْنَ بِتَكْبِيرِهِمْ وَيَدْعُونَ. وَقَالَ ابْنُ عَبَّاسٍ أَخْبَرَنِي أَبُو سُفْيَانَ أَنَّ هِرَقْلَ دَعَا بِكِتَابِ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَقَرَأَ فَإِذَا فِيهِ: ;بِسْمِ اللَّهِ الرَّحْمَنِ الرَّحِيمِ وَ(يَا أَهْلَ الْكِتَابِ تَعَالَوْا إِلَى كَلِمَةٍ) الآيَةَ. وَقَالَ عَطَاءٌ عَنْ جَابِرٍ حَاضَتْ عَائِشَةُ فَنَسَكَتِ الْمَنَاسِكَ غَيْرَ الطَّوَافِ بِالْبَيْتِ، وَلاَ تُصَلِّي. وَقَالَ الْحَكَمُ إِنِّي لأَذْبَحُ وَأَنَا جُنُبٌ. وَقَالَ اللَّهُ: (وَلاَ تَأْكُلُوا مِمَّا لَمْ يُذْكَرِ اسْمُ اللَّهِ عَلَيْهِ)
305 - حَدَّثَنَا أَبُو نُعَيْمٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا عَبْدُ العَزِيزِ بْنُ أَبِي سَلَمَةَ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ القَاسِمِ، عَنِ القَاسِمِ بْنِ مُحَمَّدٍ، عَنْ عَائِشَةَ، قَالَتْ: خَرَجْنَا مَعَ النَّبِيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ لاَ نَذْكُرُ إِلَّا الحَجَّ، فَلَمَّا جِئْنَا سَرِفَ طَمِثْتُ، فَدَخَلَ عَلَيَّ النَّبِيُّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَأَنَا أَبْكِي، فَقَالَ: «مَا يُبْكِيكِ؟» قُلْتُ: لَوَدِدْتُ وَاللَّهِ أَنِّي لَمْ أَحُجَّ العَامَ، قَالَ: «لَعَلَّكِ نُفِسْتِ؟» قُلْتُ: نَعَمْ، قَالَ: «فَإِنَّ ذَلِكِ شَيْءٌ كَتَبَهُ اللَّهُ عَلَى بَنَاتِ آدَمَ، فَافْعَلِي مَا يَفْعَلُ الحَاجُّ، غَيْرَ أَنْ لاَ تَطُوفِي بِالْبَيْتِ حَتَّى تَطْهُرِي»
তাহকীক:
সহীহ বুখারী
হাদীস নং: ৩০০
আন্তর্জাতিক নং: ৩০৬
- হায়েয-ইস্তিহাযার অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ২১০। ইসতিহাযা
৩০০। আব্দুল্লাহ ইবনে ইউসুফ (রাহঃ) ......... আয়িশা (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেনঃ ফাতিমা বিনতে আবু হুবায়শ (রাযিঃ) রাসূলুল্লাহ (ﷺ) কে জিজ্ঞাসা করলেনঃ ইয়া রাসূলাল্লাহ! আমি কখনও পবিত্র হই না। এমতাবস্থায় আমি কি নামায ছেড়ে দেব? রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বললেনঃ এ হল এক ধরনের বিশেষ রক্ত, হায়যের রক্ত নয়। যখন তোমার হায়য শুরু হয় তখন তুমি নামায ছেড়ে দাও। আর হায়য শেষ হলে রক্ত ধুয়ে নামায আদায় কর।**
** হায়য ও নিফাসের মেয়াদের অতিরিক্ত সময়কালীন রজঃস্রাবকে ইসতিহাযা এবং সে মহিলাকে মুস্তাহাযা বলা হয়। (আইনী ৩খ; ১৪২)
** হায়য ও নিফাসের মেয়াদের অতিরিক্ত সময়কালীন রজঃস্রাবকে ইসতিহাযা এবং সে মহিলাকে মুস্তাহাযা বলা হয়। (আইনী ৩খ; ১৪২)
كتاب الحيض
باب الاِسْتِحَاضَةِ
306 - حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ يُوسُفَ، قَالَ: أَخْبَرَنَا مَالِكٌ، عَنْ هِشَامِ بْنِ عُرْوَةَ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ عَائِشَةَ أَنَّهَا قَالَتْ: قَالَتْ فَاطِمَةُ بِنْتُ أَبِي حُبَيْشٍ لِرَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ [ص:69]: يَا رَسُولَ اللَّهِ، إِنِّي لَا أَطْهُرُ أَفَأَدَعُ الصَّلاَةَ، فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «إِنَّمَا ذَلِكِ عِرْقٌ وَلَيْسَ بِالحَيْضَةِ، فَإِذَا أَقْبَلَتِ الحَيْضَةُ فَاتْرُكِي الصَّلاَةَ، فَإِذَا ذَهَبَ قَدْرُهَا، فَاغْسِلِي عَنْكِ الدَّمَ وَصَلِّي»