হাদীস অনুসন্ধানের ফলাফল
সহীহ বুখারী
হাদীস নং: ২৪১
আন্তর্জাতিক নং: ২৪২
- উযূর অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ১৬৯। নাবীয (খেজুর, কিসমিস, মনাক্কা ইত্যাদি ভিজানো পানি) এবং নেশাকারক পানীয় দ্বারা উযু করা না-জায়েয।
হাসান (রাহঃ) ও আবুল আলিয়া (রাহঃ) একে মাকরূহ বলেছেন।
আতা (রাহঃ) বলেনঃ নাবীয এবং দুধ দিয়ে উযু করার চাইতে তায়াম্মুম করাই আমার কাছে পছন্দনীয়।
হাসান (রাহঃ) ও আবুল আলিয়া (রাহঃ) একে মাকরূহ বলেছেন।
আতা (রাহঃ) বলেনঃ নাবীয এবং দুধ দিয়ে উযু করার চাইতে তায়াম্মুম করাই আমার কাছে পছন্দনীয়।
২৪১। আলী ইবনে আব্দুল্লাহ (রাহঃ) .... আয়িশা (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেনঃ রাসূল (ﷺ) বলেছেনঃ যে সকল পানীয় নেশা সৃষ্টি করে, তা হারাম।
كتاب الوضوء
باب لاَ يَجُوزُ الْوُضُوءُ بِالنَّبِيذِ وَلاَ الْمُسْكِرِوَكَرِهَهُ الْحَسَنُ وَأَبُو الْعَالِيَةِ. وَقَالَ عَطَاءٌ التَّيَمُّمُ أَحَبُّ إِلَيَّ مِنَ الْوُضُوءِ بِالنَّبِيذِ وَاللَّبَنِ
242 - حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ، قَالَ: حَدَّثَنَا سُفْيَانُ، قَالَ: حَدَّثَنَا الزُّهْرِيُّ، عَنْ أَبِي سَلَمَةَ، عَنْ عَائِشَةَ عَنِ النَّبِيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ: «كُلُّ شَرَابٍ أَسْكَرَ فَهُوَ حَرَامٌ»
তাহকীক:
সহীহ বুখারী
হাদীস নং: ২৪২
আন্তর্জাতিক নং: ২৪৩
- উযূর অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ১৭০। পিতার মুখমণ্ডল থেকে কন্যা কর্তৃক রক্ত ধুয়ে ফেলা।
আবুল আলিয়া (রাহঃ) বলেনঃ আমার পায়ে ব্যথা, তোমরা আমার পা মাসাহ্ করে দাও।
আবুল আলিয়া (রাহঃ) বলেনঃ আমার পায়ে ব্যথা, তোমরা আমার পা মাসাহ্ করে দাও।
২৪২। মুহাম্মাদ (রাহঃ) .... আবু হাযিম (রাহঃ) বলেন, যখন আমার এবং সাহল ইবনে সা’দ সা’ইদী (রাযিঃ)-এর মাঝখানে কেউ ছিল না, তখন লোকে প্রশ্ন করলঃ (উহুদ যুদ্ধে) কী দিয়ে নবী (ﷺ) এর যখমের চিকিৎসা করা হয়েছিল? তখন তিনি বললেনঃ এ ব্যাপারে আমার চেয়ে ভাল জানে এমন কেউ জীবিত নেই। আলী (রাযিঃ) তাঁর ঢালে করে পানি আনছিলেন আর ফাতিমা (রাযিঃ) তাঁর মুখমণ্ডল থেকে রক্ত ধুয়ে দিলেন। অবশেষে চাটাই পুড়িয়ে (তার ছাই) তাঁর ক্ষতস্থানে দেওয়া হল।
كتاب الوضوء
باب غَسْلِ الْمَرْأَةِ أَبَاهَا الدَّمَ عَنْ وَجْهِهِ وَقَالَ أَبُو الْعَالِيَةِ امْسَحُوا عَلَى رِجْلِي فَإِنَّهَا مَرِيضَةٌ
243 - حَدَّثَنَا مُحَمَّدٌ يَعْنِي ابْنَ سَلاَمٍ، قَالَ: أَخْبَرَنَا سُفْيَانُ بْنُ عُيَيْنَةَ، عَنْ أَبِي حَازِمٍ، سَمِعَ سَهْلَ بْنَ سَعْدٍ السَّاعِدِيَّ، وَسَأَلَهُ النَّاسُ، وَمَا بَيْنِي وَبَيْنَهُ أَحَدٌ: بِأَيِّ شَيْءٍ دُووِيَ جُرْحُ النَّبِيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ؟ فَقَالَ: مَا بَقِيَ أَحَدٌ أَعْلَمُ بِهِ مِنِّي، «كَانَ عَلِيٌّ يَجِيءُ بِتُرْسِهِ فِيهِ مَاءٌ، وَفَاطِمَةُ تَغْسِلُ عَنْ وَجْهِهِ الدَّمَ، فَأُخِذَ حَصِيرٌ فَأُحْرِقَ، فَحُشِيَ بِهِ جُرْحُهُ»
তাহকীক:
সহীহ বুখারী
হাদীস নং: ২৪৩
আন্তর্জাতিক নং: ২৪৪
- উযূর অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ১৭১। মিসওয়াক করা।
ইবনে আব্বাস (রাযিঃ) বলেনঃ আমি নবী (ﷺ)-এর কাছে রাত কাটিয়েছিলাম। তখন* তিনি মিসওয়াক করলেন।
* তাহাজ্জুদের জন্য ঘুম থেকে উঠে।
ইবনে আব্বাস (রাযিঃ) বলেনঃ আমি নবী (ﷺ)-এর কাছে রাত কাটিয়েছিলাম। তখন* তিনি মিসওয়াক করলেন।
* তাহাজ্জুদের জন্য ঘুম থেকে উঠে।
২৪৩। আবু নু’মান (রাহঃ) .... আবু বুরদা (রাহঃ)-এর পিতা [আবু মুসা (রাযিঃ)] থেকে বর্ণিত, তিনি বলেনঃ একবার আমি নবী (ﷺ) এর কাছে এলাম। তখন তাঁকে দেখলাম তিনি মিসওয়াক করছেন এবং মিসওয়াক মুখে দিয়ে তিনি উ’, উ’, শব্দ করছেন যেন তিনি বমি করছেন।
كتاب الوضوء
باب السِّوَاكِ وَقَالَ ابْنُ عَبَّاسٍ بِتُّ عِنْدَ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَاسْتَنَّ
244 - حَدَّثَنَا أَبُو النُّعْمَانِ، قَالَ: حَدَّثَنَا حَمَّادُ بْنُ زَيْدٍ، عَنْ غَيْلاَنَ بْنِ جَرِيرٍ، عَنْ أَبِي بُرْدَةَ، عَنْ أَبِيهِ، قَالَ: أَتَيْتُ النَّبِيَّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَوَجَدْتُهُ «يَسْتَنُّ بِسِوَاكٍ بِيَدِهِ يَقُولُ أُعْ أُعْ، وَالسِّوَاكُ فِي فِيهِ، كَأَنَّهُ يَتَهَوَّعُ»
সহীহ বুখারী
হাদীস নং: ২৪৪
আন্তর্জাতিক নং: ২৪৫
- উযূর অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ১৭১। মিসওয়াক করা।
২৪৪। উসমান ইবনে আবি শাঈবা (রাহঃ) ......... হুযাইফা (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেনঃ নবী (ﷺ) যখন রাতে (নামাযের জন্য) উঠতেন তখন মিসওয়াক দিয়ে মুখ পরিষ্কার করতেন।
كتاب الوضوء
باب السِّوَاكِ
245 - حَدَّثَنَا عُثْمَانُ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، قَالَ: حَدَّثَنَا جَرِيرٌ، عَنْ مَنْصُورٍ، عَنْ أَبِي وَائِلٍ، عَنْ حُذَيْفَةَ، قَالَ: كَانَ النَّبِيُّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ «إِذَا قَامَ مِنَ اللَّيْلِ، يَشُوصُ فَاهُ بِالسِّوَاكِ»
সহীহ বুখারী
হাদীস নং: ২৪৫
আন্তর্জাতিক নং: ২৪৬ - ২৪৭
- উযূর অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ১৭২. বয়সে বড় ব্যক্তিকে মিসওয়াক প্রদান করা।
আফফান (রাহঃ) .... ইবনে উমর (রাযিঃ) থেকে বর্ণনা করেন যে, নবী (ﷺ) বলেনঃ আমি (স্বপ্নে) দেখলাম যে, আমি মিসওয়াক করছি। আমার কাছে দুই ব্যক্তি এলেন। একজন অপরজন থেকে বয়সে বড়। তারপর আমি তাদের মধ্যে কনিষ্ঠ ব্যক্তিকে মিসওয়াক দিতে গেলাম। তখন আমাকে বলা হল, ‘বড়কে দাও। তখন আমি তাদের মধ্যে বয়সে বড় ব্যক্তিকে দিলাম।
আবু আব্দুল্লাহ্ বলেন, নুআয়ম, ইবনুল মুবারক সূত্রে ইবনে উমর (রাযিঃ) থেকে হাদীসটি সংক্ষেপে বর্ণনা করেছেন।
পরিচ্ছেদঃ ১৭৩. উযু সহ রাতে ঘুমাবার ফযীলত
আফফান (রাহঃ) .... ইবনে উমর (রাযিঃ) থেকে বর্ণনা করেন যে, নবী (ﷺ) বলেনঃ আমি (স্বপ্নে) দেখলাম যে, আমি মিসওয়াক করছি। আমার কাছে দুই ব্যক্তি এলেন। একজন অপরজন থেকে বয়সে বড়। তারপর আমি তাদের মধ্যে কনিষ্ঠ ব্যক্তিকে মিসওয়াক দিতে গেলাম। তখন আমাকে বলা হল, ‘বড়কে দাও। তখন আমি তাদের মধ্যে বয়সে বড় ব্যক্তিকে দিলাম।
আবু আব্দুল্লাহ্ বলেন, নুআয়ম, ইবনুল মুবারক সূত্রে ইবনে উমর (রাযিঃ) থেকে হাদীসটি সংক্ষেপে বর্ণনা করেছেন।
পরিচ্ছেদঃ ১৭৩. উযু সহ রাতে ঘুমাবার ফযীলত
২৪৫। মুহাম্মাদ ইবনে মুকাতিল (রাহঃ) .... বারা ইবনে আযিব (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেনঃ নবী (ﷺ) বলেছেনঃ যখন তুমি বিছানায় যাবে তখন নামাযের উযুর মতো উযু করে নেবে। তারপর ডান পার্শ্বে শুয়ে বলবেঃ
اللَّهُمَّ أَسْلَمْتُ وَجْهِي إِلَيْكَ وَفَوَّضْتُ أَمْرِي إِلَيْكَ وَأَلْجَأْتُ ظَهْرِي إِلَيْكَ رَغْبَةً وَرَهْبَةً إِلَيْكَ لاَ مَلْجَأَ وَلاَ مَنْجَا مِنْكَ إِلاَّ إِلَيْكَ اللَّهُمَّ آمَنْتُ بِكِتَابِكَ الَّذِي أَنْزَلْتَ وَبِنَبِيِّكَ الَّذِي أَرْسَلْتَ
“হে আল্লাহ্! আমার জীবন আপনার কাছে সমর্পণ করলাম। আমার সকল কাজ আপনার কাছে সোপর্দ করলাম এবং আমি আপনার আশ্রয় গ্রহণ করলাম, আপনার প্রতি আগ্রহ ও ভয় নিয়ে। আপনি ছাড়া কোন আশ্রয়স্থল ও নাজাতের স্থান নেই। হে আল্লাহ্! আমি ঈমান আনলাম আপনার নাযিলকৃত কিতাবের উপর এবং আপনার প্রেরিত নবীর উপর।”
তারপর যদি সে রাতেই তোমার মৃত্যু হয় তবে ফিতরাতে ইসলামের উপর তোমার মৃত্যু হবে। এ কথাগুলি তোমার শেষ কথা বনিয়ে নাও। তিনি বললেন, আমি নবী (ﷺ)-কে এ কথাগুলি পুনরায় শোনালাম। যখন اللَّهُمَّ آمَنْتُ بِكِتَابِكَ الَّذِي أَنْزَلْتَ পর্যন্ত পৌঁছে وَرَسُولِكَ বললাম, তখন তিনি বললেনঃ না; বরংوَنَبِيِّكَ الَّذِي أَرْسَلْتَ বল।
اللَّهُمَّ أَسْلَمْتُ وَجْهِي إِلَيْكَ وَفَوَّضْتُ أَمْرِي إِلَيْكَ وَأَلْجَأْتُ ظَهْرِي إِلَيْكَ رَغْبَةً وَرَهْبَةً إِلَيْكَ لاَ مَلْجَأَ وَلاَ مَنْجَا مِنْكَ إِلاَّ إِلَيْكَ اللَّهُمَّ آمَنْتُ بِكِتَابِكَ الَّذِي أَنْزَلْتَ وَبِنَبِيِّكَ الَّذِي أَرْسَلْتَ
“হে আল্লাহ্! আমার জীবন আপনার কাছে সমর্পণ করলাম। আমার সকল কাজ আপনার কাছে সোপর্দ করলাম এবং আমি আপনার আশ্রয় গ্রহণ করলাম, আপনার প্রতি আগ্রহ ও ভয় নিয়ে। আপনি ছাড়া কোন আশ্রয়স্থল ও নাজাতের স্থান নেই। হে আল্লাহ্! আমি ঈমান আনলাম আপনার নাযিলকৃত কিতাবের উপর এবং আপনার প্রেরিত নবীর উপর।”
তারপর যদি সে রাতেই তোমার মৃত্যু হয় তবে ফিতরাতে ইসলামের উপর তোমার মৃত্যু হবে। এ কথাগুলি তোমার শেষ কথা বনিয়ে নাও। তিনি বললেন, আমি নবী (ﷺ)-কে এ কথাগুলি পুনরায় শোনালাম। যখন اللَّهُمَّ آمَنْتُ بِكِتَابِكَ الَّذِي أَنْزَلْتَ পর্যন্ত পৌঁছে وَرَسُولِكَ বললাম, তখন তিনি বললেনঃ না; বরংوَنَبِيِّكَ الَّذِي أَرْسَلْتَ বল।
كتاب الوضوء
بَابُ دَفْعِ السِّوَاكِ إِلَى الأَكْبَرِ
وَقَالَ عَفَّانُ حَدَّثَنَا صَخْرُ بْنُ جُوَيْرِيَةَ، عَنْ نَافِعٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم قَالَ أَرَانِي أَتَسَوَّكُ بِسِوَاكٍ، فَجَاءَنِي رَجُلاَنِ أَحَدُهُمَا أَكْبَرُ مِنَ الآخَرِ، فَنَاوَلْتُ السِّوَاكَ الأَصْغَرَ مِنْهُمَا، فَقِيلَ لِي كَبِّرْ فَدَفَعْتُهُ إِلَى الأَكْبَرِ مِنْهُمَا قَالَ أَبُو عَبْدِ اللَّهِ اخْتَصَرَهُ نُعَيْمٌ عَنِ ابْنِ الْمُبَارَكِ عَنْ أُسَامَةَ عَنْ نَافِعٍ عَنِ ابْنِ عُمَرَ
باب فَضْلِ مَنْ بَاتَ عَلَى الْوُضُوءِ
وَقَالَ عَفَّانُ حَدَّثَنَا صَخْرُ بْنُ جُوَيْرِيَةَ، عَنْ نَافِعٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم قَالَ أَرَانِي أَتَسَوَّكُ بِسِوَاكٍ، فَجَاءَنِي رَجُلاَنِ أَحَدُهُمَا أَكْبَرُ مِنَ الآخَرِ، فَنَاوَلْتُ السِّوَاكَ الأَصْغَرَ مِنْهُمَا، فَقِيلَ لِي كَبِّرْ فَدَفَعْتُهُ إِلَى الأَكْبَرِ مِنْهُمَا قَالَ أَبُو عَبْدِ اللَّهِ اخْتَصَرَهُ نُعَيْمٌ عَنِ ابْنِ الْمُبَارَكِ عَنْ أُسَامَةَ عَنْ نَافِعٍ عَنِ ابْنِ عُمَرَ
باب فَضْلِ مَنْ بَاتَ عَلَى الْوُضُوءِ
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ مُقَاتِلٍ، قَالَ أَخْبَرَنَا عَبْدُ اللَّهِ، قَالَ أَخْبَرَنَا سُفْيَانُ، عَنْ مَنْصُورٍ، عَنْ سَعْدِ بْنِ عُبَيْدَةَ، عَنِ الْبَرَاءِ بْنِ عَازِبٍ، قَالَ قَالَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم " إِذَا أَتَيْتَ مَضْجَعَكَ فَتَوَضَّأْ وُضُوءَكَ لِلصَّلاَةِ، ثُمَّ اضْطَجِعْ عَلَى شِقِّكَ الأَيْمَنِ، ثُمَّ قُلِ اللَّهُمَّ أَسْلَمْتُ وَجْهِي إِلَيْكَ، وَفَوَّضْتُ أَمْرِي إِلَيْكَ، وَأَلْجَأْتُ ظَهْرِي إِلَيْكَ، رَغْبَةً وَرَهْبَةً إِلَيْكَ، لاَ مَلْجَأَ وَلاَ مَنْجَا مِنْكَ إِلاَّ إِلَيْكَ، اللَّهُمَّ آمَنْتُ بِكِتَابِكَ الَّذِي أَنْزَلْتَ، وَبِنَبِيِّكَ الَّذِي أَرْسَلْتَ. فَإِنْ مُتَّ مِنْ لَيْلَتِكَ فَأَنْتَ عَلَى الْفِطْرَةِ، وَاجْعَلْهُنَّ آخِرَ مَا تَتَكَلَّمُ بِهِ ". قَالَ فَرَدَّدْتُهَا عَلَى النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم صلى الله عليه وسلم فَلَمَّا بَلَغْتُ " اللَّهُمَّ آمَنْتُ بِكِتَابِكَ الَّذِي أَنْزَلْتَ ". قُلْتُ وَرَسُولِكَ. قَالَ " لاَ، وَنَبِيِّكَ الَّذِي أَرْسَلْتَ ".
সহীহ বুখারী
হাদীস নং: ২৪৬
আন্তর্জাতিক নং: ২৪৮
- গোসলের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ১৭৪। গোসলের অধ্যায়: গোসলের পূর্বে উযু করা।
এ প্রসঙ্গে আল্লাহ তাআলার বাণীঃ “যদি তোমরা অপবিত্র থাক তবে বিশেষভাবে পবিত্র হবে। তোমরা যদি পীড়িত হও বা সফরে থাক বা তোমাদের কেউ শৌচাগার থেকে আসে অথবা তোমরা স্ত্রীর সাথে মিলিত হও এবং পানি না পাও তবে পবিত্র মাটি দিয়ে তায়াম্মুম করবে এবং তা তোমাদের মুখে ও হাতে বুলাবে। আল্লাহ তোমাদের কষ্ট দিতে চান না; বরং তিনি তোমাদের পবিত্র করতে চান যাতে তোমরা শোকর আদায় কর।” (৫ : ৬)
এবং আল্লাহর বাণীঃ “হে মু’মিনগণ! তোমরা নেশাগ্রস্ত অবস্থায় নামাযের ধারেও যেয়োনা, যতক্ষণ না তোমরা যা বল তা বুঝতে পার, আর যদি তোমরা পথবাহী না হও তবে অপবিত্র অবস্থায়ও না, যতক্ষণ না তোমরা গোসল কর। আর তোমরা যদি পীড়িত হও অথবা সফরে থাক অথবা তোমাদের কেউ যদি শৌচাগার থেকে আসে অথবা স্ত্রীসঙ্গম করে, আর পানি না পায়, তাহলে পবিত্র মাটি দিয়ে তায়াম্মুম কর, এবং তা মুখ ও হাতে বুলাবে। আল্লাহ পাপ মোচনকারী ও ক্ষমাশীল। (৪ : ৪৩)
এ প্রসঙ্গে আল্লাহ তাআলার বাণীঃ “যদি তোমরা অপবিত্র থাক তবে বিশেষভাবে পবিত্র হবে। তোমরা যদি পীড়িত হও বা সফরে থাক বা তোমাদের কেউ শৌচাগার থেকে আসে অথবা তোমরা স্ত্রীর সাথে মিলিত হও এবং পানি না পাও তবে পবিত্র মাটি দিয়ে তায়াম্মুম করবে এবং তা তোমাদের মুখে ও হাতে বুলাবে। আল্লাহ তোমাদের কষ্ট দিতে চান না; বরং তিনি তোমাদের পবিত্র করতে চান যাতে তোমরা শোকর আদায় কর।” (৫ : ৬)
এবং আল্লাহর বাণীঃ “হে মু’মিনগণ! তোমরা নেশাগ্রস্ত অবস্থায় নামাযের ধারেও যেয়োনা, যতক্ষণ না তোমরা যা বল তা বুঝতে পার, আর যদি তোমরা পথবাহী না হও তবে অপবিত্র অবস্থায়ও না, যতক্ষণ না তোমরা গোসল কর। আর তোমরা যদি পীড়িত হও অথবা সফরে থাক অথবা তোমাদের কেউ যদি শৌচাগার থেকে আসে অথবা স্ত্রীসঙ্গম করে, আর পানি না পায়, তাহলে পবিত্র মাটি দিয়ে তায়াম্মুম কর, এবং তা মুখ ও হাতে বুলাবে। আল্লাহ পাপ মোচনকারী ও ক্ষমাশীল। (৪ : ৪৩)
২৪৬। আব্দুল্লাহ ইবনে ইউসুফ (রাহঃ) .... আয়িশা (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত যে, নবী (ﷺ) যখন জানাবাতের গোসল করতেন, তখন প্রথমে তাঁর হাত দু’টো ধুয়ে নিতেন। তারপর নামাযের উযুর মত উযু করতেন। তারপর তাঁর আঙ্গুলগুলো পানিতে ডুবিয়ে নিয়ে চুলের গোড়া খিলাল করতেন। তারপর তাঁর উভয় হাতের তিন আঁজলা পানি মাথায় ঢালতেন। তারপর তাঁর সারা দেহের উপর পানি পৌঁছিয়ে দিতেন।
كتاب الغسل
كِتَابُ الغُسْلِ
وَقَوْلِ اللَّهِ تَعَالَى: {وَإِنْ كُنْتُمْ جُنُبًا فَاطَّهَّرُوا وَإِنْ كُنْتُمْ مَرْضَى أَوْ عَلَى سَفَرٍ أَوْ جَاءَ أَحَدٌ مِنْكُمْ مِنَ الغَائِطِ أَوْ لاَمَسْتُمُ النِّسَاءَ فَلَمْ تَجِدُوا مَاءً فَتَيَمَّمُوا صَعِيدًا طَيِّبًا فَامْسَحُوا بِوُجُوهِكُمْ وَأَيْدِيكُمْ مِنْهُ مَا يُرِيدُ اللَّهُ لِيَجْعَلَ عَلَيْكُمْ مِنْ حَرَجٍ وَلَكِنْ يُرِيدُ لِيُطَهِّرَكُمْ وَلِيُتِمَّ نِعْمَتَهُ عَلَيْكُمْ لَعَلَّكُمْ تَشْكُرُونَ} [المائدة: 6] وَقَوْلِهِ جَلَّ ذِكْرُهُ: {يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا لاَ تَقْرَبُوا الصَّلاَةَ وَأَنْتُمْ سُكَارَى حَتَّى تَعْلَمُوا مَا تَقُولُونَ وَلاَ جُنُبًا إِلَّا عَابِرِي سَبِيلٍ حَتَّى تَغْتَسِلُوا وَإِنْ كُنْتُمْ مَرْضَى أَوْ عَلَى سَفَرٍ أَوْ جَاءَ أَحَدٌ مِنْكُمْ مِنَ الغَائِطِ أَوْ لاَمَسْتُمُ النِّسَاءَ فَلَمْ تَجِدُوا مَاءً فَتَيَمَّمُوا صَعِيدًا طَيِّبًا فَامْسَحُوا بِوُجُوهِكُمْ وَأَيْدِيكُمْ إِنَّ اللَّهَ كَانَ عَفُوًّا غَفُورًا} [النساء: 43]
باب الْوُضُوءِ قَبْلَ الْغُسْلِ
وَقَوْلِ اللَّهِ تَعَالَى: {وَإِنْ كُنْتُمْ جُنُبًا فَاطَّهَّرُوا وَإِنْ كُنْتُمْ مَرْضَى أَوْ عَلَى سَفَرٍ أَوْ جَاءَ أَحَدٌ مِنْكُمْ مِنَ الغَائِطِ أَوْ لاَمَسْتُمُ النِّسَاءَ فَلَمْ تَجِدُوا مَاءً فَتَيَمَّمُوا صَعِيدًا طَيِّبًا فَامْسَحُوا بِوُجُوهِكُمْ وَأَيْدِيكُمْ مِنْهُ مَا يُرِيدُ اللَّهُ لِيَجْعَلَ عَلَيْكُمْ مِنْ حَرَجٍ وَلَكِنْ يُرِيدُ لِيُطَهِّرَكُمْ وَلِيُتِمَّ نِعْمَتَهُ عَلَيْكُمْ لَعَلَّكُمْ تَشْكُرُونَ} [المائدة: 6] وَقَوْلِهِ جَلَّ ذِكْرُهُ: {يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا لاَ تَقْرَبُوا الصَّلاَةَ وَأَنْتُمْ سُكَارَى حَتَّى تَعْلَمُوا مَا تَقُولُونَ وَلاَ جُنُبًا إِلَّا عَابِرِي سَبِيلٍ حَتَّى تَغْتَسِلُوا وَإِنْ كُنْتُمْ مَرْضَى أَوْ عَلَى سَفَرٍ أَوْ جَاءَ أَحَدٌ مِنْكُمْ مِنَ الغَائِطِ أَوْ لاَمَسْتُمُ النِّسَاءَ فَلَمْ تَجِدُوا مَاءً فَتَيَمَّمُوا صَعِيدًا طَيِّبًا فَامْسَحُوا بِوُجُوهِكُمْ وَأَيْدِيكُمْ إِنَّ اللَّهَ كَانَ عَفُوًّا غَفُورًا} [النساء: 43]
باب الْوُضُوءِ قَبْلَ الْغُسْلِ
248 - حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ يُوسُفَ، قَالَ: أَخْبَرَنَا مَالِكٌ، عَنْ هِشَامِ بْنِ عُرْوَةَ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ عَائِشَةَ، زَوْجِ النَّبِيِّ صلّى الله عليه وسلم " أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: كَانَ إِذَا اغْتَسَلَ مِنَ الجَنَابَةِ، بَدَأَ فَغَسَلَ يَدَيْهِ، ثُمَّ يَتَوَضَّأُ كَمَا يَتَوَضَّأُ لِلصَّلاَةِ، ثُمَّ يُدْخِلُ أَصَابِعَهُ فِي المَاءِ، فَيُخَلِّلُ بِهَا أُصُولَ شَعَرِهِ، ثُمَّ يَصُبُّ عَلَى رَأْسِهِ ثَلاَثَ غُرَفٍ بِيَدَيْهِ، ثُمَّ يُفِيضُ المَاءَ عَلَى جِلْدِهِ كُلِّهِ "
তাহকীক:
সহীহ বুখারী
হাদীস নং: ২৪৭
আন্তর্জাতিক নং: ২৪৯
- গোসলের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ১৭৪। গোসলের পূর্বে উযু করা
২৪৭। মুহাম্মাদ ইবনে ইউসুফ (রাহঃ) ..... মায়মুনা (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেনঃ রাসূলুল্লাহ (ﷺ) নামাযের উযুর ন্যায় উযু করলেন, অবশ্য পা দুটো ছাড়া এবং তাঁর লজ্জাস্থান ও যে যে স্থানে নাপাক লেগেছে তা ধুয়ে নিলেন। তারপর নিজের উপর পানি ঢেলে দেন। তারপর সেখান থেকে সরে গিয়ে পা দুটো ধুয়ে নেন। এই ছিল তাঁর জানাবাতের গোসল।
كتاب الغسل
باب الْوُضُوءِ قَبْلَ الْغُسْلِ
249 - حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ يُوسُفَ، قَالَ: حَدَّثَنَا سُفْيَانُ، عَنِ الأَعْمَشِ، عَنْ سَالِمِ بْنِ أَبِي الجَعْدِ، عَنْ كُرَيْبٍ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، عَنْ مَيْمُونَةَ زَوْجِ النَّبِيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَتْ: «تَوَضَّأَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وُضُوءهُ لِلصَّلاَةِ، غَيْرَ رِجْلَيْهِ، وَغَسَلَ فَرْجَهُ وَمَا أَصَابَهُ مِنَ الأَذَى، ثُمَّ أَفَاضَ عَلَيْهِ المَاءَ، ثُمَّ نَحَّى رِجْلَيْهِ، فَغَسَلَهُمَا، هَذِهِ غُسْلُهُ مِنَ الجَنَابَةِ»
সহীহ বুখারী
হাদীস নং: ২৪৮
আন্তর্জাতিক নং: ২৫০
- গোসলের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ১৭৫। স্বামী-স্ত্রীর একসাথে গোসল
২৪৮। আদম ইবনে আবু ইয়াস (রাহঃ) ......... আয়িশা (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেনঃ আমি ও নবী (ﷺ) একই পাত্র (কাদাহ) থেকে (পানি নিয়ে) গোসল করতাম। সেই পাত্রকে ফারাক বলা হতো।
كتاب الغسل
باب غُسْلِ الرَّجُلِ مَعَ امْرَأَتِهِ
250 - حَدَّثَنَا آدَمُ بْنُ أَبِي إِيَاسٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا ابْنُ أَبِي ذِئْبٍ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، عَنْ عُرْوَةَ، عَنْ عَائِشَةَ قَالَتْ: «كُنْتُ أَغْتَسِلُ أَنَا وَالنَّبِيُّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مِنْ إِنَاءٍ وَاحِدٍ، مِنْ قَدَحٍ يُقَالُ لَهُ الفَرَقُ»
তাহকীক:
সহীহ বুখারী
হাদীস নং: ২৪৯
আন্তর্জাতিক নং: ২৫১
- গোসলের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ১৭৬। এক সা’ বা অনুরূপ পাত্রের পানিতে গোসল
২৪৯। আব্দুল্লাহ ইবনে মুহাম্মাদ (রাহঃ) .... আবু সালামা (রাহঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেনঃ আমি ও আয়িশা (রাযিঃ)-এর ভাই আয়িশা (রাযিঃ)-এর নিকট গেলাম। তাঁর ভাই তাঁকে রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এর গোসল সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলেন। তিনি প্রায় এক সা’ (তিন কেজির চেয়ে কিছু পরিমাণ বেশী)-এর সমপরিমাণ এক পাত্র আনালেন। তারপর তিনি গোসল করলেন এবং নিজের মাথার উপর পানি ঢাললেন। তখন আমাদের ও তাঁর মাঝে পর্দা ছিল।
আবু আব্দুল্লাহ [ইমাম বুখারী (রাহঃ)] বলেন যে, ইয়াযীদ ইবনে হারূন (রাহঃ), বাহয ও জুদ্দী (রাহঃ) শু’বা (রাহঃ) থেকে نَحْوًا مِنْ صَاعٍ এর পরিবর্তে قَدْرِ صَاعٍ (এক সা’ পরিমাণ)-এর কথা বর্ণনা করেন।
আবু আব্দুল্লাহ [ইমাম বুখারী (রাহঃ)] বলেন যে, ইয়াযীদ ইবনে হারূন (রাহঃ), বাহয ও জুদ্দী (রাহঃ) শু’বা (রাহঃ) থেকে نَحْوًا مِنْ صَاعٍ এর পরিবর্তে قَدْرِ صَاعٍ (এক সা’ পরিমাণ)-এর কথা বর্ণনা করেন।
كتاب الغسل
باب الْغُسْلِ بِالصَّاعِ وَنَحْوِهِ
251 - حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدٍ، قَالَ: حَدَّثَنِي عَبْدُ الصَّمَدِ، قَالَ: حَدَّثَنِي شُعْبَةُ [ص:60]، قَالَ: حَدَّثَنِي أَبُو بَكْرِ بْنُ حَفْصٍ، قَالَ: سَمِعْتُ أَبَا سَلَمَةَ، يَقُولُ: دَخَلْتُ أَنَا وَأَخُو عَائِشَةَ عَلَى عَائِشَةَ، فَسَأَلَهَا أَخُوهَا عَنْ غُسْلِ النَّبِيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «فَدَعَتْ بِإِنَاءٍ نَحْوًا مِنْ صَاعٍ، فَاغْتَسَلَتْ، وَأَفَاضَتْ عَلَى رَأْسِهَا، وَبَيْنَنَا وَبَيْنَهَا حِجَابٌ» قَالَ أَبُو عَبْدِ اللَّهِ: قَالَ يَزِيدُ بْنُ هَارُونَ، وَبَهْزٌ، وَالجُدِّيُّ، عَنْ شُعْبَةَ، «قَدْرِ صَاعٍ»
তাহকীক:
সহীহ বুখারী
হাদীস নং: ২৫০
আন্তর্জাতিক নং: ২৫২
- গোসলের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ১৭৬। এক সা’ বা অনুরূপ পাত্রের পানিতে গোসল
২৫০। আব্দুল্লাহ ইবনে মুহাম্মাদ (রাহঃ) ......... আবু জা’ফর (রাহঃ) থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি ও তাঁর পিতা জাবির ইবনে আব্দুল্লাহ (রাযিঃ)-এর কাছে ছিলেন। সেখানে আরো কিছু লোক ছিলেন। তাঁরা তাঁকে গোসল সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলেন। তিনি বললেন, এক সা’ তোমার জন্য যথেষ্ট। তখন এক ব্যক্তি বলে উঠলঃ আমার জন্য তা যথেষ্ট নয়। জাবির (রাযিঃ) বললেনঃ যাঁর মাথায় তোমার চাইতে বেশী চুল ছিল এবং তোমার চাইতে যিনি উত্তম ছিলেন (রাসূলুল্লাহ ﷺ) তাঁর জন্য তো এ পরিমাণই যথেষ্ট ছিল। তারপর তিনি এক কাপড়ে আমাদের ইমামতি করেন।
كتاب الغسل
باب الْغُسْلِ بِالصَّاعِ وَنَحْوِهِ
252 - حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ آدَمَ، قَالَ: حَدَّثَنَا زُهَيْرٌ، عَنْ أَبِي إِسْحَاقَ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَبُو جَعْفَرٍ، أَنَّهُ كَانَ عِنْدَ جَابِرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ هُوَ وَأَبُوهُ وَعِنْدَهُ قَوْمٌ فَسَأَلُوهُ عَنِ الغُسْلِ، فَقَالَ: «يَكْفِيكَ صَاعٌ» ، فَقَالَ رَجُلٌ: مَا يَكْفِينِي، فَقَالَ جَابِرٌ: «كَانَ يَكْفِي مَنْ هُوَ أَوْفَى مِنْكَ شَعَرًا، وَخَيْرٌ مِنْكَ» ثُمَّ أَمَّنَا فِي ثَوْبٍ
তাহকীক:
সহীহ বুখারী
হাদীস নং: ২৫১
আন্তর্জাতিক নং: ২৫৩
- গোসলের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ১৭৬। এক সা’ বা অনুরূপ পাত্রের পানিতে গোসল
২৫১। আবু নুআয়ম (রাহঃ) .... ইবনে আব্বাস (রাযিঃ) থেকে বর্ণনা করেন যে, রাসূল (ﷺ) ও মায়মুনা (রাযিঃ) একই পাত্রের পানি দ্বারা গোসল করতেন।
আবু আব্দুল্লাহ (রাহঃ) বলেন, ইবনে উয়াইনা (রাহঃ) তাঁর শেষ জীবনে ইবনে আব্বাস (রাযিঃ)-এর মাধ্যমে মায়মুনা (রাযিঃ) থেকে এটি বর্ণনা করতেন। তবে আবু নুআয়ম (রাযিঃ)-এর বর্ণনাই ঠিক।
আবু আব্দুল্লাহ (রাহঃ) বলেন, ইবনে উয়াইনা (রাহঃ) তাঁর শেষ জীবনে ইবনে আব্বাস (রাযিঃ)-এর মাধ্যমে মায়মুনা (রাযিঃ) থেকে এটি বর্ণনা করতেন। তবে আবু নুআয়ম (রাযিঃ)-এর বর্ণনাই ঠিক।
كتاب الغسل
باب الْغُسْلِ بِالصَّاعِ وَنَحْوِهِ
253 - حَدَّثَنَا أَبُو نُعَيْمٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا ابْنُ عُيَيْنَةَ، عَنْ عَمْرٍو، عَنْ جَابِرِ بْنِ زَيْدٍ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ «أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَمَيْمُونَةَ كَانَا يَغْتَسِلاَنِ مِنْ إِنَاءٍ وَاحِدٍ» قَالَ أَبُو عَبْدِ اللَّهِ: «كَانَ ابْنُ عُيَيْنَةَ، يَقُولُ أَخِيرًا عَنْ ابْنِ عَبَّاسٍ، عَنْ مَيْمُونَةَ، وَالصَّحِيحُ مَا رَوَى أَبُو نُعَيْمٍ»
তাহকীক:
সহীহ বুখারী
হাদীস নং: ২৫২
আন্তর্জাতিক নং: ২৫৪
- গোসলের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ১৭৭। মাথায় তিনবার পানি ঢালা
২৫২। আবু নুআয়ম (রাহঃ) .... জুবাইর ইবনে মুতইম (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ আমি মাথায় তিনবার পানি ঢেলে থাকি। এই বলে তিনি উভয় হাতের দ্বারা ইশারা করেন।
كتاب الغسل
باب مَنْ أَفَاضَ عَلَى رَأْسِهِ ثَلاَثًا
254 - حَدَّثَنَا أَبُو نُعَيْمٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا زُهَيْرٌ، عَنْ أَبِي إِسْحَاقَ، قَالَ: حَدَّثَنِي سُلَيْمَانُ بْنُ صُرَدٍ، قَالَ: حَدَّثَنِي جُبَيْرُ بْنُ مُطْعِمٍ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ «أَمَّا أَنَا فَأُفِيضُ عَلَى رَأْسِي ثَلاَثًا، وَأَشَارَ بِيَدَيْهِ كِلْتَيْهِمَا»
তাহকীক:
বর্ণনাকারী:
সহীহ বুখারী
হাদীস নং: ২৫৩
আন্তর্জাতিক নং: ২৫৫
- গোসলের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ১৭৭। মাথায় তিনবার পানি ঢালা
২৫৩। মুহাম্মাদ ইবনে বাশশার (রাহঃ) .... জাবির ইবনে আব্দুল্লাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন যে, নবী (ﷺ) নিজের মাথায় তিনবার পানি ঢালতেন।
كتاب الغسل
باب مَنْ أَفَاضَ عَلَى رَأْسِهِ ثَلاَثًا
255 - حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ بَشَّارٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا غُنْدَرٌ، قَالَ: حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، عَنْ مِخْوَلِ بْنِ رَاشِدٍ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ عَلِيٍّ، عَنْ جَابِرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ قَالَ كَانَ النَّبِيُّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «يُفْرِغُ عَلَى رَأْسِهِ ثَلاَثًا»
তাহকীক:
সহীহ বুখারী
হাদীস নং: ২৫৪
আন্তর্জাতিক নং: ২৫৬
- গোসলের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ১৭৭। মাথায় তিনবার পানি ঢালা
২৫৪। আবু নুআয়ম (রাহঃ) .... আবু জা'ফর (রাহঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেনঃ আমাকে জাবির (রাযিঃ) বলেছেন, আমার কাছে তোমার চাচাত ভাই অর্থাৎ হাসান ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে হানাফিয়্যা এসেছিলেন। তিনি জিজ্ঞাসা করলেন, জানাবাতের গোসল কিভাবে করতে হয়? আমি বললাম, নবী (ﷺ) তিন আঁজলা পানি নিতেন এবং নিজের মাথার উপর ঢেলে দিতেন। তারপর নিজের সারা দেহে পানি পৌঁছিয়ে দিতেন। তখন হাসান আমাকে বললেন, আমার মাথার চুল খুব বেশী। আমি তাঁকে বললাম, নবী (ﷺ) এর চুল তোমার চেয়ে অধিক ছিল।
كتاب الغسل
باب مَنْ أَفَاضَ عَلَى رَأْسِهِ ثَلاَثًا
256 - حَدَّثَنَا أَبُو نُعَيْمٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا مَعْمَرُ بْنُ يَحْيَى بْنِ سَامٍ، حَدَّثَنِي أَبُو جَعْفَرٍ، قَالَ: قَالَ لِي جَابِرُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ وَأَتَانِي ابْنُ عَمِّكَ يُعَرِّضُ بِالحَسَنِ بْنِ مُحَمَّدِ ابْنِ الحَنَفِيَّةِ. قَالَ: كَيْفَ الغُسْلُ مِنَ الجَنَابَةِ؟ فَقُلْتُ: «كَانَ النَّبِيُّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَأْخُذُ ثَلاَثَةَ أَكُفٍّ وَيُفِيضُهَا عَلَى رَأْسِهِ، ثُمَّ يُفِيضُ عَلَى سَائِرِ جَسَدِهِ» فَقَالَ لِي الحَسَنُ إِنِّي رَجُلٌ كَثِيرُ الشَّعَرِ، فَقُلْتُ: «كَانَ النَّبِيُّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَكْثَرَ مِنْكَ شَعَرًا»
তাহকীক:
সহীহ বুখারী
হাদীস নং: ২৫৫
আন্তর্জাতিক নং: ২৫৭
- গোসলের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ১৭৮। একবার পানি ঢেলে গোসল করা
২৫৫। মুসা ইবনে ইসমা‘ঈল (রাহঃ) ......... ইবনে আব্বাস (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, মায়মুনা (রাযিঃ) বলেনঃ আমি নবী (ﷺ) এর জন্য গোসলের পানি রাখলাম। তিনি তাঁর হাত দু’বার বা তিনবার ধুয়ে নিলেন। পরে তাঁর বাম হাতে পানি নিয়ে তাঁর লজ্জাস্থান ধুয়ে ফেললেন। তারপর মাটিতে হাত ঘষলেন। তারপর কুলি করলেন, নাকে পানি দিলেন আর তাঁর চেহারা ও দু’হাত ধুয়ে নিলেন। এরপর তাঁর সারা দেহে পানি ঢাললেন। তারপর একটু সরে গিয়ে দু’পা ধুয়ে নিলেন।
كتاب الغسل
باب الْغُسْلِ مَرَّةً وَاحِدَةً
257 - حَدَّثَنَا مُوسَى بْنُ إِسْمَاعِيلَ، قَالَ: حَدَّثَنَا عَبْدُ الوَاحِدِ، عَنِ الأَعْمَشِ، عَنْ سَالِمِ بْنِ أَبِي الجَعْدِ، عَنْ كُرَيْبٍ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، قَالَ: قَالَتْ مَيْمُونَةُ: «وَضَعْتُ لِلنَّبِيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مَاءً لِلْغُسْلِ، فَغَسَلَ يَدَيْهِ مَرَّتَيْنِ أَوْ ثَلاَثًا، ثُمَّ أَفْرَغَ عَلَى شِمَالِهِ، فَغَسَلَ مَذَاكِيرَهُ، ثُمَّ مَسَحَ يَدَهُ بِالأَرْضِ، ثُمَّ مَضْمَضَ وَاسْتَنْشَقَ، وَغَسَلَ وَجْهَهُ وَيَدَيْهِ، ثُمَّ أَفَاضَ عَلَى جَسَدِهِ، ثُمَّ تَحَوَّلَ مِنْ مَكَانِهِ فَغَسَلَ قَدَمَيْهِ»
সহীহ বুখারী
হাদীস নং: ২৫৬
আন্তর্জাতিক নং: ২৫৮
- গোসলের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ১৭৯। গোসলে হিলাব* বা খুশবু ব্যবহার করা।
* উটনীর দুধ দোহনের পাত্র।
* উটনীর দুধ দোহনের পাত্র।
২৫৬। মুহাম্মাদ ইবনুল মুসান্না (রাহঃ) ......... আয়িশা (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেনঃ নবী (ﷺ) যখন জানাবাতের গোসল করতেন, তখন হিলাবের* অনুরূপ পাত্র চেয়ে নিতেন। তারপর এক আঁজলা পানি নিয়ে প্রথমে মাথার ডান পাশ এবং পরে বাম পাশ ধুয়ে ফেলতেন। দু’হাতে মাথার মাঝখানে পানি ঢালতেন।
* উটনীর দুধ দোহনের পাত্র।
* উটনীর দুধ দোহনের পাত্র।
كتاب الغسل
باب مَنْ بَدَأَ بِالْحِلاَبِ أَوِ الطِّيبِ عِنْدَ الْغُسْلِ
258 - حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ المُثَنَّى، قَالَ: حَدَّثَنَا أَبُو عَاصِمٍ، عَنْ حَنْظَلَةَ، عَنِ القَاسِمِ، عَنْ عَائِشَةَ، قَالَتْ [ص:61]: كَانَ النَّبِيُّ صلّى الله عليه وسلم «إِذَا اغْتَسَلَ مِنَ الجَنَابَةِ، دَعَا بِشَيْءٍ نَحْوَ الحِلاَبِ، فَأَخَذَ بِكَفِّهِ، فَبَدَأَ بِشِقِّ رَأْسِهِ الأَيْمَنِ، ثُمَّ الأَيْسَرِ، فَقَالَ بِهِمَا عَلَى وَسَطِ رَأْسِهِ»
সহীহ বুখারী
হাদীস নং: ২৫৭
আন্তর্জাতিক নং: ২৫৯
- গোসলের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ১৮০। জানাবাতের গোসলে কুলি করা ও নাকে পানি দেওয়া
২৫৭। উমর ইবনে হাফস্ ইবনে গিয়াস (রাহঃ) .... ইবনে আব্বাস (রাযিঃ) থেকে বর্ণনা করেন যে, মায়মুনা (রাযিঃ) বলেনঃ আমি নবী (ﷺ) এর জন্য গোসলের পানি ঢেলে রাখলাম। তিনি তাঁর ডান হাত দিয়ে বাঁ হাতে পানি ঢাললেন এবং উভয় হাত ধুলেন। এরপর তাঁর লজ্জাস্থান ধুয়ে নিলেন এবং মাটিতে তাঁর হাত ঘষে নিলেন। পরে তা ধুয়ে কুলি করলেন, নাকে পানি দিলেন, তারপর তাঁর চেহারা ধুলেন এবং মাথার উপর পানি ঢাললেন। পরে ঐ স্থান থেকে সরে গিয়ে দুই পা ধুলেন। অবশেষে তাঁকে একটি রুমাল দেওয়া হল, কিন্তু তিনি তা দিয়ে শরীর মুছলেন না।
كتاب الغسل
باب الْمَضْمَضَةِ وَالاِسْتِنْشَاقِ فِي الْجَنَابَةِ
259 - حَدَّثَنَا عُمَرُ بْنُ حَفْصِ بْنِ غِيَاثٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَبِي، حَدَّثَنَا الأَعْمَشُ، قَالَ: حَدَّثَنِي سَالِمٌ، عَنْ كُرَيْبٍ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، قَالَ: حَدَّثَتْنَا مَيْمُونَةُ قَالَتْ: «صَبَبْتُ لِلنَّبِيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ غُسْلًا، فَأَفْرَغَ بِيَمِينِهِ عَلَى يَسَارِهِ فَغَسَلَهُمَا، ثُمَّ غَسَلَ فَرْجَهُ، ثُمَّ قَالَ بِيَدِهِ الأَرْضَ فَمَسَحَهَا بِالتُّرَابِ، ثُمَّ غَسَلَهَا، ثُمَّ تَمَضْمَضَ وَاسْتَنْشَقَ، ثُمَّ غَسَلَ وَجْهَهُ، وَأَفَاضَ عَلَى رَأْسِهِ، ثُمَّ تَنَحَّى، فَغَسَلَ قَدَمَيْهِ، ثُمَّ أُتِيَ بِمِنْدِيلٍ فَلَمْ يَنْفُضْ بِهَا»
তাহকীক:
সহীহ বুখারী
হাদীস নং: ২৫৮
আন্তর্জাতিক নং: ২৬০
- গোসলের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ১৮১। পরিচ্ছন্নতার জন্য মাটিতে হাত ঘষা
২৫৮। আব্দুল্লাহ ইবনে যুবাইর হুমায়দী (রাহঃ) .... মায়মুনা (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত, নবী (ﷺ) জানাবাতের গোসল করলেন। তিনি নিজের লজ্জাস্থান ধুয়ে ফেললেন। তারপর হাত ঘষলেন এবং তা ধুলেন। তারপর নামাযের উযুর মত উযু করলেন। গোসল শেষ করে তিনি তাঁর দু পা ধুলেন।
كتاب الغسل
باب مَسْحِ الْيَدِ بِالتُّرَابِ لِيَكُونَ أَنْقَى
260 - حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ الزُّبَيْرِ الحُمَيْدِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا سُفْيَانُ، قَالَ: حَدَّثَنَا الأَعْمَشُ، عَنْ سَالِمِ بْنِ أَبِي الجَعْدِ، عَنْ كُرَيْبٍ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، عَنْ مَيْمُونَةَ «أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ اغْتَسَلَ مِنَ الجَنَابَةِ، فَغَسَلَ فَرْجَهُ بِيَدِهِ، ثُمَّ دَلَكَ بِهَا الحَائِطَ، ثُمَّ غَسَلَهَا، ثُمَّ تَوَضَّأَ وُضُوءَهُ لِلصَّلاَةِ فَلَمَّا فَرَغَ مِنْ غُسْلِهِ غَسَلَ رِجْلَيْهِ»
সহীহ বুখারী
হাদীস নং: ২৫৯
আন্তর্জাতিক নং: ২৬১
- গোসলের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ১৮২। যখন জানাবাত ছাড়া হাতে কোন নাপাকী না থাকে, ফরয গোসলের আগে হাত না ধুয়ে পানির পাত্রে তা প্রবেশ করানো যায় কি?
ইবনে উমর (রাযিঃ) ও বারা ইবনে আযিব (রাযিঃ) হাত না ধুয়ে পানিতে হাত ঢুকিয়েছেন, তারপর উযু করেছেন।
ইবনে উমর (রাযিঃ) ও ইবনে আব্বাস (রাযিঃ) যে পানিতে ফরয গোসলের পানির ছিটা পড়েছে তা ব্যবহারে কোন দোষ মনে করতেন না।
ইবনে উমর (রাযিঃ) ও বারা ইবনে আযিব (রাযিঃ) হাত না ধুয়ে পানিতে হাত ঢুকিয়েছেন, তারপর উযু করেছেন।
ইবনে উমর (রাযিঃ) ও ইবনে আব্বাস (রাযিঃ) যে পানিতে ফরয গোসলের পানির ছিটা পড়েছে তা ব্যবহারে কোন দোষ মনে করতেন না।
২৫৯। আব্দুল্লাহ ইবনে মাসলামা (রাহঃ) .... আয়িশা (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেনঃ আমি ও নবী (ﷺ) একই পাত্রের পানি দিয়ে এভাবে গোসল করতাম যে, তাতে আমাদের দু’জনের হাত একের পর এক পড়তে থাকত।
كتاب الغسل
باب هَلْ يُدْخِلُ الْجُنُبُ يَدَهُ فِي الإِنَاءِ قَبْلَ أَنْ يَغْسِلَهَا إِذَا لَمْ يَكُنْ عَلَى يَدِهِ قَذَرٌ غَيْرُ الْجَنَابَةِ وَأَدْخَلَ ابْنُ عُمَرَ وَالْبَرَاءُ بْنُ عَازِبٍ يَدَهُ فِي الطَّهُورِ، وَلَمْ يَغْسِلْهَا ثُمَّ تَوَضَّأَ. وَلَمْ يَرَ ابْنُ عُمَرَ وَابْنُ عَبَّاسٍ بَأْسًا بِمَا يَنْتَضِحُ مِنْ غُسْلِ الْجَنَابَةِ
261 - حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مَسْلَمَةَ، أَخْبَرَنَا أَفْلَحُ بْنُ حُمَيْدٍ، عَنِ القَاسِمِ، عَنْ عَائِشَةَ، قَالَتْ: «كُنْتُ أَغْتَسِلُ أَنَا وَالنَّبِيُّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مِنْ إِنَاءٍ وَاحِدٍ، تَخْتَلِفُ أَيْدِينَا فِيهِ»
তাহকীক:
সহীহ বুখারী
হাদীস নং: ২৬০
আন্তর্জাতিক নং: ২৬২
- গোসলের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ১৮২। যখন জানাবাত ছাড়া হাতে কোন নাপাকী না থাকে, ফরয গোসলের আগে হাত না ধুয়ে পানির পাত্রে তা প্রবেশ করানো যায় কি?
২৬০। মুসাদ্দাদ (রাহঃ) .... আয়িশা (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেনঃ রাসূলুল্লাহ (ﷺ) জানাবাতের গোসল করার সময় প্রথমে হাত ধুয়ে নিতেন।
كتاب الغسل
باب هَلْ يُدْخِلُ الْجُنُبُ يَدَهُ فِي الإِنَاءِ قَبْلَ أَنْ يَغْسِلَهَا إِذَا لَمْ يَكُنْ عَلَى يَدِهِ قَذَرٌ غَيْرُ الْجَنَابَةِ
262 - حَدَّثَنَا مُسَدَّدٌ، قَالَ: حَدَّثَنَا حَمَّادٌ، عَنْ هِشَامٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ عَائِشَةَ، قَالَتْ: كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ «إِذَا اغْتَسَلَ مِنَ الجَنَابَةِ غَسَلَ يَدَهُ»
তাহকীক: