হাদীস অনুসন্ধানের ফলাফল
সহীহ বুখারী
হাদীস নং: ২২১
- উযূর অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ১৫৬। মসজিদে পেশাবের উপর পানি ঢেলে দেওয়া
২২১। আবদান (রাহঃ) ও খালিদ ইবনে মাখলাদ (রাহঃ) ......... আনাস ইবনে মালিক (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেনঃ একবার এক বেদুঈন এসে মসজিদের এক কোণে পেশাব করে দিল। তা দেখে লোকজন তাকে ধমকাতে লাগল। নবী (ﷺ) তাদের নিষেধ করলেন। তার পেশাব শেষ হলে নবী (ﷺ) এর আদেশে এর উপর এক বালতি পানি ঢেলে দেওয়া হল।
كتاب الوضوء
باب صَبِّ الْمَاءِ عَلَى الْبَوْلِ فِي الْمَسْجِدِ
حَدَّثَنَا عَبْدَانُ، قَالَ: أَخْبَرَنَا عَبْدُ اللَّهِ، قَالَ: أَخْبَرَنَا يَحْيَى بْنُ سَعِيدٍ، قَالَ: سَمِعْتُ أَنَسَ بْنَ مَالِكٍ، عَنِ النَّبِيِّ صلّى الله عليه وسلم ح
221 - و حَدَّثَنَا خَالِدُ بْنُ مَخْلَدٍ، قَالَ: وَحَدَّثَنَا سُلَيْمَانُ، عَنْ يَحْيَى بْنِ سَعِيدٍ، قَالَ: سَمِعْتُ أَنَسَ بْنَ مَالِكٍ قَالَ: جَاءَ أَعْرَابِيٌّ فَبَالَ فِي طَائِفَةِ المَسْجِدِ، فَزَجَرَهُ النَّاسُ، «فَنَهَاهُمُ النَّبِيُّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَلَمَّا قَضَى بَوْلَهُ أَمَرَ النَّبِيُّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ بِذَنُوبٍ مِنْ مَاءٍ فَأُهْرِيقَ عَلَيْهِ»
221 - و حَدَّثَنَا خَالِدُ بْنُ مَخْلَدٍ، قَالَ: وَحَدَّثَنَا سُلَيْمَانُ، عَنْ يَحْيَى بْنِ سَعِيدٍ، قَالَ: سَمِعْتُ أَنَسَ بْنَ مَالِكٍ قَالَ: جَاءَ أَعْرَابِيٌّ فَبَالَ فِي طَائِفَةِ المَسْجِدِ، فَزَجَرَهُ النَّاسُ، «فَنَهَاهُمُ النَّبِيُّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَلَمَّا قَضَى بَوْلَهُ أَمَرَ النَّبِيُّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ بِذَنُوبٍ مِنْ مَاءٍ فَأُهْرِيقَ عَلَيْهِ»
তাহকীক:
সহীহ বুখারী
হাদীস নং: ২২২
- উযূর অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ১৫৭। শিশুদের পেশাব
২২২। আব্দুল্লাহ ইবনে ইউসুফ (রাহঃ) ......... উম্মুল মু’মিনীন আয়িশা (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেনঃ রাসূল (ﷺ) এর কাছে একটি শিশুকে আনা হল। শিশুটি তাঁর কাপড়ে পেশাব করে দিল। তিনি পানি আনালেন এবং এর ওপর ঢেলে দিলেন।
كتاب الوضوء
باب بَوْلِ الصِّبْيَانِ
حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ يُوسُفَ، قَالَ أَخْبَرَنَا مَالِكٌ، عَنْ هِشَامِ بْنِ عُرْوَةَ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ عَائِشَةَ أُمِّ الْمُؤْمِنِينَ، أَنَّهَا قَالَتْ أُتِيَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم بِصَبِيٍّ، فَبَالَ عَلَى ثَوْبِهِ، فَدَعَا بِمَاءٍ فَأَتْبَعَهُ إِيَّاهُ.
তাহকীক:
সহীহ বুখারী
হাদীস নং: ২২৩
- উযূর অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ১৫৭। শিশুদের পেশাব
২২৩। আব্দুল্লাহ ইবনে ইউসুফ (রাহঃ) .... উম্মু কায়স বিনতে মিহসান (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত যে, তিনি তার এক ছোট ছেলেকে, যে তখনো খাবার খেতে শিখেনি, নিয়ে রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এর কাছে এলেন। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) শিশুটিকে তাঁর কোলে বসালেন। তখন সে তাঁর কাপড়ে পেশাব করে দিল। তিনি পানি আনিয়ে এর উপর ছিটিয়ে দিলেন এবং তা (ভাল করে) ধুলেন না।*
* শিশুটির পেশাব সামান্য থাকায় রগড়িয়ে ধোননি। (আইনী ৩খ, ১৩১ )
* শিশুটির পেশাব সামান্য থাকায় রগড়িয়ে ধোননি। (আইনী ৩খ, ১৩১ )
كتاب الوضوء
باب بَوْلِ الصِّبْيَانِ
حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ يُوسُفَ، قَالَ أَخْبَرَنَا مَالِكٌ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُتْبَةَ، عَنْ أُمِّ قَيْسٍ بِنْتِ مِحْصَنٍ، أَنَّهَا أَتَتْ بِابْنٍ لَهَا صَغِيرٍ، لَمْ يَأْكُلِ الطَّعَامَ إِلَى رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم، فَأَجْلَسَهُ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فِي حِجْرِهِ، فَبَالَ عَلَى ثَوْبِهِ، فَدَعَا بِمَاءٍ فَنَضَحَهُ وَلَمْ يَغْسِلْهُ.
তাহকীক:
বর্ণনাকারী:
সহীহ বুখারী
হাদীস নং: ২২৪
- উযূর অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ১৫৮। দাঁড়িয়ে এবং বসে পেশাব করা
২২৪। আদম (রাহঃ) ......... হুযাইফা (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, নবী (ﷺ) একবার কওমের আবর্জনা ফেলার স্থানে এলেন। তিনি সেখানে দাঁড়িয়ে পেশাব করলেন। তারপর পানি চাইলেন। আমি তাঁকে পানি নিয়ে দিলাম। তিনি উযু করলেন।*
* সাধারণত বসে পেশাব করাই ছিল রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এর অভ্যাস। এজন্যই আয়িশা (রাঃ) বলেন, যে ব্যক্তি তোমাদের বলবে যে, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) দাঁড়িয়ে পেশাব করেছেন--- তার কথা বিশ্বাস করো না। (তিরমিযি, নাসাঈ)। এই একটি মাত্র স্থানেই তাঁর অভ্যাসের ব্যতিক্রম পাওয়া যায়। এর কারণ সম্পর্কে আবু হুরাইরা (রাঃ) বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) কোমর ব্যথার কারণে দাঁড়িয়ে পেশাব করেছেন। (বায়হাকী, হাকেম)।
* সাধারণত বসে পেশাব করাই ছিল রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এর অভ্যাস। এজন্যই আয়িশা (রাঃ) বলেন, যে ব্যক্তি তোমাদের বলবে যে, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) দাঁড়িয়ে পেশাব করেছেন--- তার কথা বিশ্বাস করো না। (তিরমিযি, নাসাঈ)। এই একটি মাত্র স্থানেই তাঁর অভ্যাসের ব্যতিক্রম পাওয়া যায়। এর কারণ সম্পর্কে আবু হুরাইরা (রাঃ) বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) কোমর ব্যথার কারণে দাঁড়িয়ে পেশাব করেছেন। (বায়হাকী, হাকেম)।
كتاب الوضوء
باب الْبَوْلِ قَائِمًا وَقَاعِدًا
حَدَّثَنَا آدَمُ، قَالَ حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، عَنِ الأَعْمَشِ، عَنْ أَبِي وَائِلٍ، عَنْ حُذَيْفَةَ، قَالَ أَتَى النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم سُبَاطَةَ قَوْمٍ فَبَالَ قَائِمًا، ثُمَّ دَعَا بِمَاءٍ، فَجِئْتُهُ بِمَاءٍ فَتَوَضَّأَ.
তাহকীক:
বর্ণনাকারী:
সহীহ বুখারী
হাদীস নং: ২২৫
- উযূর অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ১৫৯। সঙ্গীর কাছে বসে পেশাব করা এবং দেয়ালের আড়াল করা
২২৫। উসমান ইবনে আবু শাঈবা (রাহঃ) .... হুযাইফা (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেনঃ আমার স্মরণ আছে যে, একবার আমিও নবী (ﷺ) এক সাথে চলছিলাম। তিনি দেয়ালের পেছনে মহল্লার একটি আবর্জনা ফেলার জায়গায় এলেন। তারপর তোমাদের কেউ যেভাবে দাঁড়ায় সেভাবে দাঁড়িয়ে তিনি পেশাব করলেন। এ সময় আমি তাঁর কাছ থেকে সরে যাচ্ছিলাম কিন্তু তিনি আমাকে ইশারা করলেন। আমি এসে তাঁর পেশাব করা শেষ না হওয়া পর্যন্ত তাঁর পিছনে দাঁড়িয়ে থাকলাম।
كتاب الوضوء
باب الْبَوْلِ عِنْدَ صَاحِبِهِ وَالتَّسَتُّرِ بِالْحَائِطِ
حَدَّثَنَا عُثْمَانُ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، قَالَ حَدَّثَنَا جَرِيرٌ، عَنْ مَنْصُورٍ، عَنْ أَبِي وَائِلٍ، عَنْ حُذَيْفَةَ، قَالَ رَأَيْتُنِي أَنَا وَالنَّبِيُّ، صلى الله عليه وسلم نَتَمَاشَى، فَأَتَى سُبَاطَةَ قَوْمٍ خَلْفَ حَائِطٍ، فَقَامَ كَمَا يَقُومُ أَحَدُكُمْ فَبَالَ، فَانْتَبَذْتُ مِنْهُ، فَأَشَارَ إِلَىَّ فَجِئْتُهُ، فَقُمْتُ عِنْدَ عَقِبِهِ حَتَّى فَرَغَ.
তাহকীক:
বর্ণনাকারী:
সহীহ বুখারী
হাদীস নং: ২২৬
- উযূর অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ১৬০। মহল্লার আবর্জনা ফেলার স্থানে পেশাব করা
২২৬। মুহাম্মাদ ইবনে আরআরা (রাহঃ) .... আবু ওয়াইল (রাহঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেনঃ আবু মুসা (রাযিঃ) পেশাবের ব্যাপারে খুব কড়াকড়ি করতেন এবং বলতেনঃ বনী ইসরাঈলের কারো কাপড়ে (পেশাব) লাগলে তা কেটে ফেলত। হুযাইফা (রাযিঃ) বললেন, আবু মুসা (রাযিঃ) যদি এ থেকে বিরত থাকতেন (তবে ভাল হত)। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) মহল্লার আবর্জনা ফেলার স্থানে গিয়ে দাঁড়িয়ে পেশাব করেছেন।
كتاب الوضوء
باب الْبَوْلِ عِنْدَ سُبَاطَةِ قَوْمٍ
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَرْعَرَةَ، قَالَ حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، عَنْ مَنْصُورٍ، عَنْ أَبِي وَائِلٍ، قَالَ كَانَ أَبُو مُوسَى الأَشْعَرِيُّ يُشَدِّدُ فِي الْبَوْلِ وَيَقُولُ إِنَّ بَنِي إِسْرَائِيلَ كَانَ إِذَا أَصَابَ ثَوْبَ أَحَدِهِمْ قَرَضَهُ. فَقَالَ حُذَيْفَةُ لَيْتَهُ أَمْسَكَ، أَتَى رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم سُبَاطَةَ قَوْمٍ فَبَالَ قَائِمًا.
তাহকীক:
বর্ণনাকারী:
সহীহ বুখারী
হাদীস নং: ২২৭
- উযূর অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ১৬১। রক্ত ধুয়ে ফেলা।
২২৭। মুহাম্মাদ ইবনুল মুসান্না (রাহঃ) ..... আসমা (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, এক মহিলা নবী (ﷺ) এর কাছে এসে বললেনঃ ইয়া রাসূলাল্লাহ! বলুন, আমাদের কারো কাপড়ে হায়যের রক্ত লেগে গেলে সে কি করবে? তিনি বললেনঃ সে তা ঘষে ফেলবে, তারপর পানি দিয়ে রগড়াবে এবং ভাল করে ধুয়ে ফেলবে। এরপর সেই কাপড়ে নামায আদায় করবে।
كتاب الوضوء
باب غَسْلِ الدَّمِ
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الْمُثَنَّى، قَالَ حَدَّثَنَا يَحْيَى، عَنْ هِشَامٍ، قَالَ حَدَّثَتْنِي فَاطِمَةُ، عَنْ أَسْمَاءَ، قَالَتْ جَاءَتِ امْرَأَةٌ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم فَقَالَتْ أَرَأَيْتَ إِحْدَانَا تَحِيضُ فِي الثَّوْبِ كَيْفَ تَصْنَعُ قَالَ " تَحُتُّهُ، ثُمَّ تَقْرُصُهُ بِالْمَاءِ، وَتَنْضَحُهُ وَتُصَلِّي فِيهِ ".
তাহকীক:
সহীহ বুখারী
হাদীস নং: ২২৮
- উযূর অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ১৬১। রক্ত ধুয়ে ফেলা।
২২৮। মুহাম্মাদ (রাহঃ) .... আয়িশা (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেনঃ ফাতিমা বিনতে আবু হুবায়শ (রাযিঃ) নবী (ﷺ) এর কাছে এসে বললেন, ইয়া রাসূলাল্লাহ! আমার এত বেশী রক্তস্রাব হয় যে, আর পবিত্র হই না। এমতাবস্থায় আমি কি নামায ছেড়ে দেব? রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বললেনঃ না, এ তো ধমনি নির্গত রক্ত, হায়য নয়। তাই যখন তোমার হায়য আসবে তখন নামায ছেড়ে দিও। আর যখন তা বন্ধ হবে তখন রক্ত ধুয়ে ফেলবে, তারপর নামায আদায় করবে।
বর্ণনাকারী বলেন, আমার পিতা বলেছেনঃ তারপর এভাবে আরেক হায়য না আসা পর্যন্ত প্রত্যেক নামাযের জন্য উযু করবে।
বর্ণনাকারী বলেন, আমার পিতা বলেছেনঃ তারপর এভাবে আরেক হায়য না আসা পর্যন্ত প্রত্যেক নামাযের জন্য উযু করবে।
كتاب الوضوء
باب غَسْلِ الدَّمِ
حَدَّثَنَا مُحَمَّدٌ، قَالَ حَدَّثَنَا أَبُو مُعَاوِيَةَ، حَدَّثَنَا هِشَامُ بْنُ عُرْوَةَ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ عَائِشَةَ، قَالَتْ جَاءَتْ فَاطِمَةُ ابْنَةُ أَبِي حُبَيْشٍ إِلَى النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم صلى الله عليه وسلم فَقَالَتْ يَا رَسُولَ اللَّهِ إِنِّي امْرَأَةٌ أُسْتَحَاضُ فَلاَ أَطْهُرُ، أَفَأَدَعُ الصَّلاَةَ فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " لاَ، إِنَّمَا ذَلِكِ عِرْقٌ، وَلَيْسَ بِحَيْضٍ، فَإِذَا أَقْبَلَتْ حَيْضَتُكِ فَدَعِي الصَّلاَةَ، وَإِذَا أَدْبَرَتْ فَاغْسِلِي عَنْكِ الدَّمَ ثُمَّ صَلِّي ". قَالَ وَقَالَ أَبِي " ثُمَّ تَوَضَّئِي لِكُلِّ صَلاَةٍ، حَتَّى يَجِيءَ ذَلِكَ الْوَقْتُ ".
সহীহ বুখারী
হাদীস নং: ২২৯
- উযূর অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ১৬২। বীর্য ধোয়া এবং ঘষে ফেলা এবং স্ত্রীলোক থেকে যা লেগে যায় তা ধুয়ে ফেলা
২২৯। আবদান (রাহঃ) .... আয়িশা (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেনঃ আমি নবী (ﷺ) এর কাপড় থেকে জানাবাতের চিহ্ন ধুয়ে দিতাম এবং কাপড়ে ভিজা চিহ্ন নিয়ে তিনি নামাযে বের হতেন।
كتاب الوضوء
باب غَسْلِ الْمَنِيِّ وَفَرْكِهِ وَغَسْلِ مَا يُصِيبُ مِنَ الْمَرْأَةِ
حَدَّثَنَا عَبْدَانُ، قَالَ أَخْبَرَنَا عَبْدُ اللَّهِ، قَالَ أَخْبَرَنَا عَمْرُو بْنُ مَيْمُونٍ الْجَزَرِيُّ، عَنْ سُلَيْمَانَ بْنِ يَسَارٍ، عَنْ عَائِشَةَ، قَالَتْ كُنْتُ أَغْسِلُ الْجَنَابَةَ مِنْ ثَوْبِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم صلى الله عليه وسلم، فَيَخْرُجُ إِلَى الصَّلاَةِ، وَإِنَّ بُقَعَ الْمَاءِ فِي ثَوْبِهِ.
তাহকীক:
সহীহ বুখারী
হাদীস নং: ২৩০
- উযূর অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ১৬২। বীর্য ধোয়া এবং ঘষে ফেলা এবং স্ত্রীলোক থেকে যা লেগে যায় তা ধুয়ে ফেলা
২৩০। কুতয়বা ও মুসাদ্দাদ (রাহঃ) .... সুলাইমান ইবনে ইয়াসার (রাহঃ) থেকে বর্ণিত, আমি আয়িশা (রাযিঃ)-কে কাপড়ে লাগা বীর্য সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলাম। তিনি বললেনঃ আমি রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এর কাপড় থেকে তা ধুয়ে ফেলতাম। তিনি কাপড় ধোয়ার ভিজা দাগ নিয়ে নামাযে বের হতেন।
كتاب الوضوء
باب غَسْلِ الْمَنِيِّ وَفَرْكِهِ وَغَسْلِ مَا يُصِيبُ مِنَ الْمَرْأَةِ
حَدَّثَنَا قُتَيْبَةُ، قَالَ حَدَّثَنَا يَزِيدُ، قَالَ حَدَّثَنَا عَمْرٌو، عَنْ سُلَيْمَانَ، قَالَ سَمِعْتُ عَائِشَةَ، ح وَحَدَّثَنَا مُسَدَّدٌ، قَالَ حَدَّثَنَا عَبْدُ الْوَاحِدِ، قَالَ حَدَّثَنَا عَمْرُو بْنُ مَيْمُونٍ، عَنْ سُلَيْمَانَ بْنِ يَسَارٍ، قَالَ سَأَلْتُ عَائِشَةَ عَنِ الْمَنِيِّ، يُصِيبُ الثَّوْبَ فَقَالَتْ كُنْتُ أَغْسِلُهُ مِنْ ثَوْبِ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم، فَيَخْرُجُ إِلَى الصَّلاَةِ وَأَثَرُ الْغَسْلِ فِي ثَوْبِهِ بُقَعُ الْمَاءِ.
তাহকীক:
সহীহ বুখারী
হাদীস নং: ২৩১
- উযূর অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ১৬৩। জানাবাতের নাপাকী বা অন্য কিছু ধোয়ার পর যদি ভিজা দাগ থেকে যায়
২৩১। মুসা ইবনে ইসমাঈল (রাহঃ) ...... আমর ইবনে মায়মুন (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেনঃ কাপড়ে জানাবাতের নাপাকী লাগা সম্পর্কে আমি সুলাইমান ইবনে ইয়াসার (রাহঃ)-কে জিজ্ঞাসা করলে তিনি বললেনঃ আয়িশা (রাযিঃ) বলেছেনঃ আমি রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর কাপড় থেকে তা ধুয়ে ফেলতাম। এরপর তিনি নামাযে বেরিয়ে যেতেন আর তাতে পানি দিয়ে ধোয়ার চিহ্ন থাকত।
كتاب الوضوء
باب إِذَا غَسَلَ الْجَنَابَةَ أَوْ غَيْرَهَا فَلَمْ يَذْهَبْ أَثَرُهُ
حَدَّثَنَا مُوسَى، قَالَ حَدَّثَنَا عَبْدُ الْوَاحِدِ، قَالَ حَدَّثَنَا عَمْرُو بْنُ مَيْمُونٍ، قَالَ سَأَلْتُ سُلَيْمَانَ بْنَ يَسَارٍ فِي الثَّوْبِ تُصِيبُهُ الْجَنَابَةُ قَالَ قَالَتْ عَائِشَةُ كُنْتُ أَغْسِلُهُ مِنْ ثَوْبِ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم، ثُمَّ يَخْرُجُ إِلَى الصَّلاَةِ وَأَثَرُ الْغَسْلِ فِيهِ بُقَعُ الْمَاءِ.
তাহকীক:
সহীহ বুখারী
হাদীস নং: ২৩২
- উযূর অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ১৬৩। জানাবাতের নাপাকী বা অন্য কিছু ধোয়ার পর যদি ভিজা দাগ থেকে যায়
২৩২। আমর ইবনে খালিদ (রাহঃ) ......... আয়িশা (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এর কাপড় থেকে বীর্য ধুয়ে ফেলতেন। আয়িশা (রাযিঃ) বলেনঃ তারপর আমি তাতে পানির একটি বা কয়েকটি দাগ দেখতে পেতাম।
كتاب الوضوء
باب إِذَا غَسَلَ الْجَنَابَةَ أَوْ غَيْرَهَا فَلَمْ يَذْهَبْ أَثَرُهُ
حَدَّثَنَا عَمْرُو بْنُ خَالِدٍ، قَالَ حَدَّثَنَا زُهَيْرٌ، قَالَ حَدَّثَنَا عَمْرُو بْنُ مَيْمُونِ بْنِ مِهْرَانَ، عَنْ سُلَيْمَانَ بْنِ يَسَارٍ، عَنْ عَائِشَةَ، أَنَّهَا كَانَتْ تَغْسِلُ الْمَنِيَّ مِنْ ثَوْبِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم صلى الله عليه وسلم، ثُمَّ أَرَاهُ فِيهِ بُقْعَةً أَوْ بُقَعًا.
তাহকীক:
সহীহ বুখারী
হাদীস নং: ২৩৩
- উযূর অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ১৬৪। উট, চতুস্পদ জন্তু ও বকরীর পেশাব এবং বকরীর খোয়াড় প্রসঙ্গে।
আবু মুসা (রা) দারুল বারীদে* নামায আদায় করেন। আর তার পাশেই গোবর এবং খালি ময়দান ছিল । তিনি বললেন : এ জায়গা এবং ঐ জায়গা একই পর্যায়ের।
* কুফার একটি স্থান, যেখানে সরকারী ডাক বহনকারীরা অবতরণ করতেন। (আইনী ৩খ, ১৫০ )
আবু মুসা (রা) দারুল বারীদে* নামায আদায় করেন। আর তার পাশেই গোবর এবং খালি ময়দান ছিল । তিনি বললেন : এ জায়গা এবং ঐ জায়গা একই পর্যায়ের।
* কুফার একটি স্থান, যেখানে সরকারী ডাক বহনকারীরা অবতরণ করতেন। (আইনী ৩খ, ১৫০ )
২৩৩। সুলাইমান ইবনে হারব (রাহঃ) ......... আনাস (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেনঃ উকল বা উরায়না গোত্রের কিছু লোক (ইসলাম গ্রহণের জন্য) মদীনায় এলে তারা পীড়িত হয়ে পড়ল। রাসূল (ﷺ) তাদের (সাদ্কার) উটের কাছে যাবার এবং ওর পেশাব ও দুধ পান করার নির্দেশ দিলেন। তারা সেখানে চলে গেল। তারপর তারা সুস্থ হয়ে রাসূল (ﷺ) এর রাখালকে হত্যা করে ফেলল এবং উটগুলি হাঁকিয়ে নিয়ে গেল। এ খবর দিনের প্রথম ভাগেই এসে পৌঁছল। তিনি তাদের পেছনে লোক পাঠালেন। বেলা বেড়ে উঠলে তাদেরকে (গ্রেফতার করে) আনা হল। তারপর নবীজীর আদেশে তাদের হাত পা কেটে দেওয়া হল। উত্তপ্ত শলাকা দিয়ে তাদের চোখ ফুঁড়ে দেওয়া হল এবং গরম পাথুরে ভূমিতে তাদের নিক্ষেপ করা হল। তারা পানি চাইছিল, কিন্তু দেওয়া হয়নি।
আবু কিলাবা (রাহঃ) বলেন, এরা চুরি করেছিল, হত্যা করেছিল, ঈমান আনার পর কুফরী করেছিল এবং আল্লাহ্ ও তার রাসূলের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করেছিল।
আবু কিলাবা (রাহঃ) বলেন, এরা চুরি করেছিল, হত্যা করেছিল, ঈমান আনার পর কুফরী করেছিল এবং আল্লাহ্ ও তার রাসূলের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করেছিল।
كتاب الوضوء
باب أَبْوَالِ الإِبِلِ وَالدَّوَابِّ وَالْغَنَمِ وَمَرَابِضِهَا - وَصَلَّى أَبُو مُوسَى فِي دَارِ الْبَرِيدِ وَالسِّرْقِينِ وَالْبَرِّيَّةُ إِلَى جَنْبِهِ فَقَالَ هَاهُنَا وَثَمَّ سَوَاءٌ
حَدَّثَنَا سُلَيْمَانُ بْنُ حَرْبٍ، قَالَ حَدَّثَنَا حَمَّادُ بْنُ زَيْدٍ، عَنْ أَيُّوبَ، عَنْ أَبِي قِلاَبَةَ، عَنْ أَنَسٍ، قَالَ قَدِمَ أُنَاسٌ مِنْ عُكْلٍ أَوْ عُرَيْنَةَ، فَاجْتَوَوُا الْمَدِينَةَ، فَأَمَرَهُمُ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم بِلِقَاحٍ، وَأَنْ يَشْرَبُوا مِنْ أَبْوَالِهَا وَأَلْبَانِهَا، فَانْطَلَقُوا، فَلَمَّا صَحُّوا قَتَلُوا رَاعِيَ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم وَاسْتَاقُوا النَّعَمَ، فَجَاءَ الْخَبَرُ فِي أَوَّلِ النَّهَارِ، فَبَعَثَ فِي آثَارِهِمْ، فَلَمَّا ارْتَفَعَ النَّهَارُ جِيءَ بِهِمْ، فَأَمَرَ فَقَطَعَ أَيْدِيَهُمْ وَأَرْجُلَهُمْ، وَسُمِرَتْ أَعْيُنُهُمْ، وَأُلْقُوا فِي الْحَرَّةِ يَسْتَسْقُونَ فَلاَ يُسْقَوْنَ. قَالَ أَبُو قِلاَبَةَ فَهَؤُلاَءِ سَرَقُوا وَقَتَلُوا وَكَفَرُوا بَعْدَ إِيمَانِهِمْ، وَحَارَبُوا اللَّهَ وَرَسُولَهُ.
তাহকীক:
সহীহ বুখারী
হাদীস নং: ২৩৪
- উযূর অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ১৬৪। উট, চতুস্পদ জন্তু ও বকরীর পেশাব এবং বকরীর খোয়াড় প্রসঙ্গে
২৩৪। আদম (রাহঃ) .... আনাস (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেনঃ নবী (ﷺ) মসজিদ নির্মিত হবার পূর্বে বকরীর খোয়াড়ে নামায আদায় করতেন।
كتاب الوضوء
باب أَبْوَالِ الإِبِلِ وَالدَّوَابِّ وَالْغَنَمِ وَمَرَابِضِهَا - وَصَلَّى أَبُو مُوسَى فِي دَارِ الْبَرِيدِ وَالسِّرْقِينِ وَالْبَرِّيَّةُ إِلَى جَنْبِهِ فَقَالَ هَاهُنَا وَثَمَّ سَوَاءٌ
حدثنا آدَمُ، قَالَ حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، قَالَ أَخْبَرَنَا أَبُو التَّيَّاحِ، يَزِيدُ بْنُ حُمَيْدٍ عَنْ أَنَسٍ، قَالَ كَانَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم يُصَلِّي قَبْلَ أَنْ يُبْنَى الْمَسْجِدُ فِي مَرَابِضِ الْغَنَمِ.
তাহকীক:
সহীহ বুখারী
হাদীস নং: ২৩৫
- উযূর অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ১৬৫। ঘি এবং পানিতে নাপাকী পড়া।
যুহরী (রাহঃ) বলেনঃ পানিতে নাপাকী পড়লে কোন ক্ষতি নেই, যতক্ষণ তার স্বাদ, গন্ধ বা রং পরিবর্তন না হয়।
হাম্মাদ (রাহঃ) বলেনঃ মৃত (পাখির) পালক (পানিতে পড়লে) কোন দোষ নেই।
যুহরী (রাহঃ) মৃত জন্তু, যথাঃ হাতী প্রভৃতির হাড় সম্পর্কে বলেনঃ আমি পূর্ববর্তী উলামায়ে কিরামের মধ্যে কিছু আলিমকে পেয়েছি, তাঁরা তা দিয়ে (চিরুণী বানিয়ে) চুল আঁচড়াতেন এবং তার পাত্রে তেল রেখে ব্যবহার করতেন, এতে তাঁরা কোনরূপ দোষ মনে করতেন না।
ইবনে সীরীন (রাহঃ) ও ইবরাহীম (রাহঃ) বলেনঃ হাতীর দাঁতের ব্যবসায়ে কোন দোষ নেই।
যুহরী (রাহঃ) বলেনঃ পানিতে নাপাকী পড়লে কোন ক্ষতি নেই, যতক্ষণ তার স্বাদ, গন্ধ বা রং পরিবর্তন না হয়।
হাম্মাদ (রাহঃ) বলেনঃ মৃত (পাখির) পালক (পানিতে পড়লে) কোন দোষ নেই।
যুহরী (রাহঃ) মৃত জন্তু, যথাঃ হাতী প্রভৃতির হাড় সম্পর্কে বলেনঃ আমি পূর্ববর্তী উলামায়ে কিরামের মধ্যে কিছু আলিমকে পেয়েছি, তাঁরা তা দিয়ে (চিরুণী বানিয়ে) চুল আঁচড়াতেন এবং তার পাত্রে তেল রেখে ব্যবহার করতেন, এতে তাঁরা কোনরূপ দোষ মনে করতেন না।
ইবনে সীরীন (রাহঃ) ও ইবরাহীম (রাহঃ) বলেনঃ হাতীর দাঁতের ব্যবসায়ে কোন দোষ নেই।
২৩৫। ইসমা‘ঈল (রাহঃ) .... মায়মুনা (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত, রাসূল (ﷺ) কে ‘ঘি’র মধ্যে ইঁদুর পড়া সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হল। তিনি বললেনঃ ইঁদুরটি এবং তার আশপাশ থেকে ফেলে দাও এবং তোমাদের ঘি ব্যবহার কর।
كتاب الوضوء
باب مَا يَقَعُ مِنَ النَّجَاسَاتِ فِي السَّمْنِ وَالْمَاءِ وَقَالَ الزُّهْرِيُّ لاَ بَأْسَ بِالْمَاءِ مَا لَمْ يُغَيِّرْهُ طَعْمٌ أَوْ رِيحٌ أَوْ لَوْنٌ. وَقَالَ حَمَّادٌ لاَ بَأْسَ بِرِيشِ الْمَيْتَةِ. وَقَالَ الزُّهْرِيُّ فِي عِظَامِ الْمَوْتَى نَحْوَ الْفِيلِ وَغَيْرِهِ أَدْرَكْتُ نَاسًا مِنْ سَلَفِ الْعُلَمَاءِ يَمْتَشِطُونَ بِهَا، وَيَدَّهِنُونَ فِيهَا، لاَ يَرَوْنَ بِهِ بَأْسًا وَقَالَ ابْنُ سِيرِينَ وَإِبْرَاهِيمُ وَلاَ بَأْسَ بِتِجَارَةِ الْعَاجِ
حَدَّثَنَا إِسْمَاعِيلُ، قَالَ حَدَّثَنِي مَالِكٌ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، عَنْ مَيْمُونَةَ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم سُئِلَ عَنْ فَأْرَةٍ سَقَطَتْ فِي سَمْنٍ فَقَالَ " أَلْقُوهَا وَمَا حَوْلَهَا فَاطْرَحُوهُ. وَكُلُوا سَمْنَكُمْ ".
তাহকীক:
সহীহ বুখারী
হাদীস নং: ২৩৬
- উযূর অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ১৬৫। ঘি এবং পানিতে নাপাকী পড়া।
২৩৬। আলী ইবনে আব্দুল্লাহ (রাহঃ) .... মায়মুনা (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেনঃ রাসূলুল্লাহ (ﷺ) কে ‘ঘি’র মধ্যে ইঁদুর পড়ে যাওয়া সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হল। তিনি বললেনঃ ইঁদুরটি এবং তার আশপাশ থেকে ফেলে দাও।
মা’ন (রাহঃ) বলেন, মালিক (রাহঃ) আমার কাছে বহুবার এভাবে বর্ণনা করেছেনঃ ইবনে আব্বাস (রাযিঃ) থেকে এবং ইবনে আব্বাস (রাযিঃ) মায়মুনা (রাযিঃ) থেকেও।
মা’ন (রাহঃ) বলেন, মালিক (রাহঃ) আমার কাছে বহুবার এভাবে বর্ণনা করেছেনঃ ইবনে আব্বাস (রাযিঃ) থেকে এবং ইবনে আব্বাস (রাযিঃ) মায়মুনা (রাযিঃ) থেকেও।
كتاب الوضوء
باب مَا يَقَعُ مِنَ النَّجَاسَاتِ فِي السَّمْنِ وَالْمَاءِ
حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ، قَالَ حَدَّثَنَا مَعْنٌ، قَالَ حَدَّثَنَا مَالِكٌ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُتْبَةَ بْنِ مَسْعُودٍ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، عَنْ مَيْمُونَةَ، أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم سُئِلَ عَنْ فَأْرَةٍ سَقَطَتْ فِي سَمْنٍ فَقَالَ " خُذُوهَا وَمَا حَوْلَهَا فَاطْرَحُوهُ ". قَالَ مَعْنٌ حَدَّثَنَا مَالِكٌ مَا لاَ أُحْصِيهِ يَقُولُ عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ عَنْ مَيْمُونَةَ.
তাহকীক:
সহীহ বুখারী
হাদীস নং: ২৩৭
- উযূর অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ১৬৫। ঘি এবং পানিতে নাপাকী পড়া।
২৩৭। আহমদ ইবনে মুহাম্মাদ (রাহঃ) ......... আবু হুরায়রা (রাযিঃ) রাসূল (ﷺ) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেনঃ আল্লাহর রাস্তায় মুসলমানদের যে যখম হয়, কিয়ামতের দিন তার প্রতিটি যখম আঘাতকালীন সময়ে যে অবস্থায় ছিল তদ্রূপ হবে। রক্ত ছুটে বের হতে থাকবে। তার রং হবে রক্তের রং কিন্তু গন্ধ হবে মিশকের ন্যায়।
كتاب الوضوء
باب مَا يَقَعُ مِنَ النَّجَاسَاتِ فِي السَّمْنِ وَالْمَاءِ
حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدٍ، قَالَ أَخْبَرَنَا عَبْدُ اللَّهِ، قَالَ أَخْبَرَنَا مَعْمَرٌ، عَنْ هَمَّامِ بْنِ مُنَبِّهٍ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم صلى الله عليه وسلم قَالَ " كُلُّ كَلْمٍ يُكْلَمُهُ الْمُسْلِمُ فِي سَبِيلِ اللَّهِ يَكُونُ يَوْمَ الْقِيَامَةِ كَهَيْئَتِهَا إِذْ طُعِنَتْ، تَفَجَّرُ دَمًا، اللَّوْنُ لَوْنُ الدَّمِ، وَالْعَرْفُ عَرْفُ الْمِسْكِ ".
তাহকীক:
সহীহ বুখারী
হাদীস নং: ২৩৮
আন্তর্জাতিক নং: ২৩৮ - ২৩৯
- উযূর অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ১৬৬। স্থির পানিতে পেশাব করা
২৩৮। আবুল ইয়ামান (রাহঃ) ......... আবু হুরায়রা (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-কে বলতে শুনেছেন যে, আমরা শেষে আগমনকারী এবং (কিয়ামত দিবসে) অগ্রগামী।
এ সনদেই তিনি বলেনঃ তোমাদের কেউ যেন স্থির -যা প্রবাহিত নয় এমন- পানিতে কখনো পেশাব না করে। (সম্ভবত) পরে সে আবার তাতে গোসল করবে।
এ সনদেই তিনি বলেনঃ তোমাদের কেউ যেন স্থির -যা প্রবাহিত নয় এমন- পানিতে কখনো পেশাব না করে। (সম্ভবত) পরে সে আবার তাতে গোসল করবে।
كتاب الوضوء
باب الْبَوْلِ فِي الْمَاءِ الدَّائِمِ
حَدَّثَنَا أَبُو الْيَمَانِ، قَالَ أَخْبَرَنَا شُعَيْبٌ، قَالَ أَخْبَرَنَا أَبُو الزِّنَادِ، أَنَّ عَبْدَ الرَّحْمَنِ بْنَ هُرْمُزَ الأَعْرَجَ، حَدَّثَهُ أَنَّهُ، سَمِعَ أَبَا هُرَيْرَةَ، أَنَّهُ سَمِعَ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ " نَحْنُ الآخِرُونَ السَّابِقُونَ ".
وَبِإِسْنَادِهِ قَالَ: «لاَ يَبُولَنَّ أَحَدُكُمْ فِي المَاءِ الدَّائِمِ الَّذِي لاَ يَجْرِي، ثُمَّ يَغْتَسِلُ فِيهِ»
وَبِإِسْنَادِهِ قَالَ: «لاَ يَبُولَنَّ أَحَدُكُمْ فِي المَاءِ الدَّائِمِ الَّذِي لاَ يَجْرِي، ثُمَّ يَغْتَسِلُ فِيهِ»
সহীহ বুখারী
হাদীস নং: ২৩৯
আন্তর্জাতিক নং: ২৪০
- উযূর অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ১৬৭। মুসল্লীর পিঠের উপর ময়লা বা মৃত জন্তু ফেললে তার নামায নষ্ট হবে না।
ইবনে উমর (রাযিঃ) নামায আদায়ের অবস্থায় তাঁর কাপড়ে রক্ত দেখলে (সেভাবেই) তা রেখে দিতেন এবং নামায আদায় করে নিতেন।
ইবনুল মুসায়্যাব ও শা’বী (রাহঃ) বলেন, যখন কেউ নামায আদায় করে আর তার কাপড়ে রক্ত অথবা জানাবাতের নাপাকী থাকে অথবা সে কিবলা ছাড়া অন্যদিকে মুখ করে অথবা তায়াম্মুম করে নামায আদায় করে এরপর ওয়াক্তের মধ্যেই যদি পানি পেয়ে যায় তবে (নামায) দুহরাবে না।
ইবনে উমর (রাযিঃ) নামায আদায়ের অবস্থায় তাঁর কাপড়ে রক্ত দেখলে (সেভাবেই) তা রেখে দিতেন এবং নামায আদায় করে নিতেন।
ইবনুল মুসায়্যাব ও শা’বী (রাহঃ) বলেন, যখন কেউ নামায আদায় করে আর তার কাপড়ে রক্ত অথবা জানাবাতের নাপাকী থাকে অথবা সে কিবলা ছাড়া অন্যদিকে মুখ করে অথবা তায়াম্মুম করে নামায আদায় করে এরপর ওয়াক্তের মধ্যেই যদি পানি পেয়ে যায় তবে (নামায) দুহরাবে না।
২৩৯। আবদান (রাহঃ) ..... আব্দুল্লাহ ইবনে মাসউদ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেনঃ একবার রাসূলুল্লাহ (ﷺ) সিজদারত অবস্থায় ছিলেন। অন্য সূত্রে আহমদ ইবনে উসমান (রাহঃ)............ আব্দুল্লাহ ইবনে মাস্উদ (রাযিঃ) বর্ণনা করেন যে, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) একবার বায়তুল্লাহর পাশে নামায আদায় করছিলেন এবং সেখানে আবু জাহল ও তার সঙ্গীরা বসা ছিল। এমন সময় তাদের একজন অন্যজনকে বলে উঠল, তোমাদের মধ্যে কে অমুক গোত্রের উটনীর নাড়ীভুঁড়ি এনে মুহাম্মাদ যখন সিজদা করেন তখন তার পিঠের উপর রাখতে পারে? তখন কওমের বড় পাষন্ড (উকবা) তাড়াতাড়ি গিয়ে তা নিয়ে এল এবং তাঁর প্রতি নজর রাখল। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) যখন সিজদায় গেলেন, তখন সে তাঁর পিঠের উপর দুই কাঁধের মাঝখানে তা রেখে দিল।
ইবনে মাসউদ (রাযিঃ) বলেন, আমি (এ দৃশ্য) দেখছিলাম কিন্তু আমার কিছু করার ছিল না। হায়! আমার যদি কিছু প্রতিরোধ শক্তি থাকত! তিনি বলেন, তারা হাসতে লাগল এবং একে অন্যের উপর লুটিয়ে পড়তে লাগল। আর রাসূলুল্লাহ (ﷺ) তখন সিজদায় থাকলেন, মাথা উঠালেন না। অবশেষে ফাতিমা (রাযিঃ) এলেন এবং সেটি তাঁর পিঠের উপর থেকে ফেলে দিলেন। তারপর রাসূলুল্লাহ (ﷺ) মাথা উঠিয়ে বললেনঃ ইয়া আল্লাহ্! আপনি কুরাইশকে ধ্বংস করুন। এরূপ তিনবার বললেন। তিনি যখন তাদের বদ দুআ করেন তখন তা তাদের অন্তরে ভীতির সঞ্চার করল।
বর্ণনাকারী বলেন, তারা জনত যে, এ শহরে দুআ কবুল হয়। এরপর তিনি নাম ধরে বললেনঃ ইয়া আল্লাহ্! আবু জাহলকে ধ্বংস করুন। এবং উতবা ইবনে রাবী’আ, শায়বা ইবনে রবী’আ, ওয়ালীদ ইবনে উতবা, উময়্যা ইবনে খালাফ ও উকবা ইবনে মু’আইতকে ধ্বংস করুন। রাবী বলেন, নবীজী সপ্তম ব্যক্তির নামও বলেছিলেন কিন্তু তিনি স্মরণ রাখতে পারেন নি। ইবনে মাসউদ (রাযিঃ) বলেনঃ সেই সত্তার কসম! যার হাতে আমার জান, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) যাদের নাম উচ্চারণ করেছিলেন, তাদের আমি বদরের কূপের মধ্যে নিহত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখেছি।
ইবনে মাসউদ (রাযিঃ) বলেন, আমি (এ দৃশ্য) দেখছিলাম কিন্তু আমার কিছু করার ছিল না। হায়! আমার যদি কিছু প্রতিরোধ শক্তি থাকত! তিনি বলেন, তারা হাসতে লাগল এবং একে অন্যের উপর লুটিয়ে পড়তে লাগল। আর রাসূলুল্লাহ (ﷺ) তখন সিজদায় থাকলেন, মাথা উঠালেন না। অবশেষে ফাতিমা (রাযিঃ) এলেন এবং সেটি তাঁর পিঠের উপর থেকে ফেলে দিলেন। তারপর রাসূলুল্লাহ (ﷺ) মাথা উঠিয়ে বললেনঃ ইয়া আল্লাহ্! আপনি কুরাইশকে ধ্বংস করুন। এরূপ তিনবার বললেন। তিনি যখন তাদের বদ দুআ করেন তখন তা তাদের অন্তরে ভীতির সঞ্চার করল।
বর্ণনাকারী বলেন, তারা জনত যে, এ শহরে দুআ কবুল হয়। এরপর তিনি নাম ধরে বললেনঃ ইয়া আল্লাহ্! আবু জাহলকে ধ্বংস করুন। এবং উতবা ইবনে রাবী’আ, শায়বা ইবনে রবী’আ, ওয়ালীদ ইবনে উতবা, উময়্যা ইবনে খালাফ ও উকবা ইবনে মু’আইতকে ধ্বংস করুন। রাবী বলেন, নবীজী সপ্তম ব্যক্তির নামও বলেছিলেন কিন্তু তিনি স্মরণ রাখতে পারেন নি। ইবনে মাসউদ (রাযিঃ) বলেনঃ সেই সত্তার কসম! যার হাতে আমার জান, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) যাদের নাম উচ্চারণ করেছিলেন, তাদের আমি বদরের কূপের মধ্যে নিহত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখেছি।
كتاب الوضوء
باب إِذَا أُلْقِيَ عَلَى ظَهْرِ الْمُصَلِّي قَذَرٌ أَوْ جِيفَةٌ لَمْ تَفْسُدْ عَلَيْهِ صَلاَتُهُ وَكَانَ ابْنُ عُمَرَ إِذَا رَأَى فِي ثَوْبِهِ دَمًا وَهُوَ يُصَلِّي وَضَعَهُ وَمَضَى فِي صَلاَتِهِ وَقَالَ ابْنُ الْمُسَيَّبِ وَالشَّعْبِيُّ إِذَا صَلَّى وَفِي ثَوْبِهِ دَمٌ أَوْ جَنَابَةٌ أَوْ لِغَيْرِ الْقِبْلَةِ أَوْ تَيَمَّمَ صَلَّى ثُمَّ أَدْرَكَ الْمَاءَ فِي وَقْتِهِ لاَ يُعِيدُ.
240 - حَدَّثَنَا عَبْدَانُ، قَالَ: أَخْبَرَنِي أَبِي، عَنْ شُعْبَةَ، عَنْ أَبِي إِسْحَاقَ، عَنْ عَمْرِو بْنِ مَيْمُونٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ، قَالَ: بَيْنَا رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ سَاجِدٌ قَالَ: ح وحَدَّثَنِي أَحْمَدُ بْنُ عُثْمَانَ، قَالَ: حَدَّثَنَا شُرَيْحُ بْنُ مَسْلَمَةَ، قَالَ: حَدَّثَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ يُوسُفَ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ أَبِي إِسْحَاقَ، قَالَ: حَدَّثَنِي عَمْرُو بْنُ مَيْمُونٍ، أَنَّ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ مَسْعُودٍ حَدَّثَهُ أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ كَانَ يُصَلِّي عِنْدَ البَيْتِ، وَأَبُو جَهْلٍ وَأَصْحَابٌ لَهُ جُلُوسٌ، إِذْ قَالَ بَعْضُهُمْ لِبَعْضٍ: أَيُّكُمْ يَجِيءُ بِسَلَى جَزُورِ بَنِي فُلاَنٍ، فَيَضَعُهُ عَلَى ظَهْرِ مُحَمَّدٍ إِذَا سَجَدَ؟ فَانْبَعَثَ أَشْقَى القَوْمِ فَجَاءَ بِهِ، فَنَظَرَ حَتَّى سَجَدَ النَّبِيُّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، وَضَعَهُ عَلَى ظَهْرِهِ بَيْنَ كَتِفَيْهِ، وَأَنَا أَنْظُرُ لاَ أُغْنِي شَيْئًا، لَوْ كَانَ لِي مَنَعَةٌ، قَالَ: فَجَعَلُوا يَضْحَكُونَ وَيُحِيلُ بَعْضُهُمْ عَلَى بَعْضٍ، وَرَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ سَاجِدٌ لاَ يَرْفَعُ رَأْسَهُ، حَتَّى جَاءَتْهُ فَاطِمَةُ، فَطَرَحَتْ عَنْ ظَهْرِهِ، فَرَفَعَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ رَأْسَهُ ثُمَّ قَالَ: «اللَّهُمَّ عَلَيْكَ بِقُرَيْشٍ» . ثَلاَثَ مَرَّاتٍ، فَشَقَّ عَلَيْهِمْ إِذْ دَعَا عَلَيْهِمْ، قَالَ: وَكَانُوا يَرَوْنَ أَنَّ الدَّعْوَةَ فِي ذَلِكَ البَلَدِ مُسْتَجَابَةٌ، ثُمَّ سَمَّى: «اللَّهُمَّ عَلَيْكَ بِأَبِي جَهْلٍ، وَعَلَيْكَ بِعُتْبَةَ بْنِ رَبِيعَةَ، وَشَيْبَةَ بْنِ رَبِيعَةَ، وَالوَلِيدِ بْنِ عُتْبَةَ، وَأُمَيَّةَ بْنِ خَلَفٍ، وَعُقْبَةَ بْنِ أَبِي مُعَيْطٍ» - وَعَدَّ السَّابِعَ فَلَمْ يَحْفَظْ -، قَالَ: فَوَالَّذِي نَفْسِي بِيَدِهِ، لَقَدْ رَأَيْتُ الَّذِينَ عَدَّ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ صَرْعَى، فِي القَلِيبِ قَلِيبِ بَدْرٍ
তাহকীক:
সহীহ বুখারী
হাদীস নং: ২৪০
আন্তর্জাতিক নং: ২৪১
- উযূর অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ১৬৮। থুথু, শ্লেষ্মা ইত্যাদি কাপড়ে লেগে গেলে।
উরওয়া (রাহঃ) মিসওয়ার রাযিঃ ও মারওয়ান (রাহঃ) থেকে বর্ণনা করেন, রাসূলুল্লাহ্ (ﷺ) হুদায়বিয়ার সময় বের হলেন। তারপর পূর্ণ হাদীস বর্ণনা করার পর তিনি বলেন, আর নবী (ﷺ) (সেদিন) যখনই কোন শ্লেষ্মা ঝেড়ে ফেলছিলেন, তখন তা কারো না কারো হাতে পড়ছিল। তারপর (বরকতস্বরূপ) ঐ ব্যক্তি তা তার মুখমণ্ডল ও শরীরে মেখে নিচ্ছিল।
উরওয়া (রাহঃ) মিসওয়ার রাযিঃ ও মারওয়ান (রাহঃ) থেকে বর্ণনা করেন, রাসূলুল্লাহ্ (ﷺ) হুদায়বিয়ার সময় বের হলেন। তারপর পূর্ণ হাদীস বর্ণনা করার পর তিনি বলেন, আর নবী (ﷺ) (সেদিন) যখনই কোন শ্লেষ্মা ঝেড়ে ফেলছিলেন, তখন তা কারো না কারো হাতে পড়ছিল। তারপর (বরকতস্বরূপ) ঐ ব্যক্তি তা তার মুখমণ্ডল ও শরীরে মেখে নিচ্ছিল।
২৪০। মুহাম্মাদ ইবনে ইউসুফ (রাহঃ) ......... আনাস (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, নবী (ﷺ) একবার তাঁর কাপড়ে থুথু ফেললেন।
ইমাম বুখারী (রাহঃ) বলেন যে, ইবনে আবু মারয়াম এই হাদীসটি বিস্তারিতরূপে বর্ণনা করেছেন।
ইমাম বুখারী (রাহঃ) বলেন যে, ইবনে আবু মারয়াম এই হাদীসটি বিস্তারিতরূপে বর্ণনা করেছেন।
كتاب الوضوء
بَابُ البُزَاقِ وَالمُخَاطِ وَنَحْوِهِ فِي الثَّوْبِ قَالَ عُرْوَةُ، عَنِ المِسْوَرِ، وَمَرْوَانَ خَرَجَ النَّبِيُّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ زَمَنَ حُدَيْبِيَةَ فَذَكَرَ الحَدِيثَ: «وَمَا تَنَخَّمَ النَّبِيُّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ نُخَامَةً، إِلَّا وَقَعَتْ فِي كَفِّ رَجُلٍ مِنْهُمْ، فَدَلَكَ بِهَا وَجْهَهُ وَجِلْدَهُ»
241 - حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ يُوسُفَ، قَالَ: حَدَّثَنَا سُفْيَانُ، عَنْ حُمَيْدٍ [ص:58]، عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ، قَالَ: «بَزَقَ النَّبِيُّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فِي ثَوْبِهِ» قَالَ أَبُو عَبْدِ اللَّهِ: طَوَّلَهُ ابْنُ أَبِي مَرْيَمَ، قَالَ: أَخْبَرَنَا يَحْيَى بْنُ أَيُّوبَ، حَدَّثَنِي حُمَيْدٌ، قَالَ: سَمِعْتُ أَنَسًا، عَنِ النَّبِيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ