আল জামিউস সহীহ- ইমাম বুখারী রহঃ
الجامع الصحيح للبخاري
৫১- কুরআনের তাফসীর অধ্যায় - এর পরিচ্ছেদসমূহ
মোট হাদীস ৪ টি
হাদীস নং: ৪৩০৬
আন্তর্জাতিক নং: ৪৬৬৩
- কুরআনের তাফসীর অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ২৩৯৯. আল্লাহ তাআলার বাণীঃ যখন তারা উভয়ে গুহার মধ্যে ছিলেন এবং তিনি ছিলেন দু’জনের একজন (৯ঃ ৪০) معنا অর্থ আল্লাহ আমাদের সাহায্যকারী, فعيلة السكينة এর সম-ওজনে سكون থেকে, অর্থ প্রশান্তি
৪৩০৬। আব্দুল্লাহ ইবনে মুহাম্মাদ (রাহঃ) ......... আনাস (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আবু বকর (রাযিঃ) আমার কাছে বলেছেন, আমি নবী (ﷺ) এর সঙ্গে (সওর) গুহায় ছিলাম। তখন আমি মুশরিকদের পদচারণা দেখতে পেয়ে [নবী (ﷺ) কে] বললাম, ইয়া রাসূলাল্লাহ! যদি তাদের (মুশরিকদের) কেউ পা উঠায় তাহলে আমাদের দেখে ফেলবে। তখন তিনি বললেন, এমন দু’জন সম্পর্কে তোমার কি ধারণা, যাদের তৃতীয় জন হলেন আল্লাহ।
كتاب التفسير
بَاب قَوْلِهِ {ثَانِيَ اثْنَيْنِ إِذْ هُمَا فِي الْغَارِ إِذْ يَقُولُ لِصَاحِبِهِ لَا تَحْزَنْ إِنَّ اللَّهَ مَعَنَا} أَيْ نَاصِرُنَا السَّكِينَةُ فَعِيلَةٌ مِنْ السُّكُونِ
4663 - حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدٍ، حَدَّثَنَا حَبَّانُ، حَدَّثَنَا هَمَّامٌ، حَدَّثَنَا ثَابِتٌ، حَدَّثَنَا أَنَسٌ، قَالَ: حَدَّثَنِي أَبُو بَكْرٍ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ، قَالَ: كُنْتُ مَعَ النَّبِيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فِي الغَارِ فَرَأَيْتُ آثَارَ المُشْرِكِينَ، قُلْتُ: يَا رَسُولَ اللَّهِ، لَوْ أَنَّ أَحَدَهُمْ رَفَعَ قَدَمَهُ رَآنَا، قَالَ: «مَا ظَنُّكَ بِاثْنَيْنِ اللَّهُ ثَالِثُهُمَا»
হাদীস নং: ৪৩০৭
আন্তর্জাতিক নং: ৪৬৬৪
- কুরআনের তাফসীর অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ২৩৯৯. আল্লাহ তাআলার বাণীঃ যখন তারা উভয়ে গুহার মধ্যে ছিলেন এবং তিনি ছিলেন দু’জনের একজন (৯ঃ ৪০)
৪৩০৭। আব্দুল্লাহ ইবনে মুহাম্মাদ (রাহঃ) ......... ইবনে আব্বাস (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, যখন তাঁর ও ইবনে যুবাইর (রাযিঃ) এর মধ্যে (বায়আতের প্রেক্ষিতে) মতভেদ ঘটল, তখন আমি বললাম, তার পিতা যুবায়ের, তার মাতা আসমা (রাযিঃ) ও তার খালা আয়িশা (রাযিঃ), তার নানা আবু বকর (রাযিঃ) ও তার নানী সাফিয়্যা (রাযিঃ)। আমি সুফিয়ানকে বললাম, এর সনদ বর্ণনা করুন। তিনি বললেন,حَدَّثَنَا এবং ইবনে জুরায়জ (রাহঃ) বলার আগেই অন্য এক ব্যক্তি তাকে অন্যদিকে আকৃষ্ট করল।
كتاب التفسير
باب قوله ثاني اثنين إذ هما في الغار إذ يقول لصاحبه لا تحزن إن الله معنا
4664 - حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدٍ، حَدَّثَنَا ابْنُ عُيَيْنَةَ، عَنِ ابْنِ جُرَيْجٍ، عَنِ ابْنِ أَبِي مُلَيْكَةَ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُمَا: أَنَّهُ قَالَ حِينَ وَقَعَ بَيْنَهُ وَبَيْنَ ابْنِ الزُّبَيْرِ: قُلْتُ: «أَبُوهُ الزُّبَيْرُ، وَأُمُّهُ أَسْمَاءُ، وَخَالَتُهُ عَائِشَةُ، وَجَدُّهُ أَبُو بَكْرٍ، وَجَدَّتُهُ صَفِيَّةُ» ، فَقُلْتُ لِسُفْيَانَ: إِسْنَادُهُ؟ فَقَالَ: حَدَّثَنَا، فَشَغَلَهُ إِنْسَانٌ، وَلَمْ يَقُلْ ابْنُ جُرَيْجٍ
তাহকীক:
হাদীস নং: ৪৩০৮
আন্তর্জাতিক নং: ৪৬৬৫
- কুরআনের তাফসীর অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ২৩৯৯. আল্লাহ তাআলার বাণীঃ যখন তারা উভয়ে গুহার মধ্যে ছিলেন এবং তিনি ছিলেন দু’জনের একজন (৯ঃ ৪০)
৪৩০৮। আব্দুল্লাহ ইবনে মুহাম্মাদ (রাহঃ) ..... ইবনে আবু মূলায়কা (রাহঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, যখন ইবনে আব্বাস (রাযিঃ) ও ইবনে যুবাইর (রাযিঃ) এর মধ্যে বায়আত নিয়ে মতভেদ সৃষ্টি হল, তখন আমি ইবনে আব্বাসের কাছে গিয়ে বললাম, আপনি কি আল্লাহ যা হারাম করেছেন, তা হালাল করে ইবনে যুবাইরের বিরুদ্ধে লড়াই করতে চান? তখন তিনি বললেন, আল্লাহর কাছে পানাহ চাচ্ছি, এ কাজ তো ইবনে যুবাইর ও বনী উমাইয়ার জন্যই আল্লাহ লিপিবদ্ধ করে রেখেছেন। আল্লাহর কসম! কখনো আমি তা হালাল মনে করব না, (আবু মূলায়কা বলেন) তখন লোকজন ইবনে আব্বাস (রাযিঃ) কে বলল, আপনি ইবনে যুবাইরের পক্ষে বায়আত গ্রহণ করুন।
তখন ইবনে আব্বাস বললেন, তাতে ক্ষতির কি আছে? তিনি এটার জন্য যোগ্যতম ব্যক্তি। তাঁর পিতা যুবাইর তো নবী (ﷺ) এর সাহায্যকারী ছিলেন, তার নানা আবু বকর (রাযিঃ) নবী (ﷺ) এর সওর গুহার সহচর ছিলেন। তার মা আসমা, যার উপাধি ছিল যাতুন নেতাক। তার খালা আয়েশা (রাযিঃ) উম্মূল মু’মিনীন ছিলেন, তার ফুফু খাদীজা (রাযিঃ) রাসূল (ﷺ) এর স্ত্রী ছিলেন, আর রাসূল (ﷺ) এর ফুফু সাফিয়্যা ছিলেন তার দাদী। এ ছাড়া তিনি (ইবনে যুবাইর) তো ইসলামী জগতে নিষ্কলুষ ব্যক্তি ও কুরআনের ক্বারী। আল্লাহর কসম! যদি তারা (বনী উমাইয়া) আমার সাথে সম্পর্ক রাখে তবে তারা আমার নিকটত্মীায়-স্বজনের সাথে সম্পর্ক রাখল।
আর যদি তারা আমাদের রক্ষণাবেক্ষণ করে তবে তারা সমকক্ষ মর্যাদাসম্পন্ন ব্যক্তিরই রক্ষণাবেক্ষণ করল। ইবনে যুবাইর, বনী আসাদ, বনী তুআইত, বনী উসামা-এসব গোত্রকে আমার চেয়ে নিকটতম করে নিয়েছেন। নিশ্চয়ই আবিল আস-এর পুত্র অর্থাৎ আব্দুল মালিক ইবনে মারওয়ান অহংকারী চালচলন আরম্ভ করেছে। নিশ্চয়ই তিনি অর্থাৎ আব্দুল্লাহ ইবনে যুবাইর (রাযিঃ) তার লেজ গুটিয়ে নিয়েছেন।
তখন ইবনে আব্বাস বললেন, তাতে ক্ষতির কি আছে? তিনি এটার জন্য যোগ্যতম ব্যক্তি। তাঁর পিতা যুবাইর তো নবী (ﷺ) এর সাহায্যকারী ছিলেন, তার নানা আবু বকর (রাযিঃ) নবী (ﷺ) এর সওর গুহার সহচর ছিলেন। তার মা আসমা, যার উপাধি ছিল যাতুন নেতাক। তার খালা আয়েশা (রাযিঃ) উম্মূল মু’মিনীন ছিলেন, তার ফুফু খাদীজা (রাযিঃ) রাসূল (ﷺ) এর স্ত্রী ছিলেন, আর রাসূল (ﷺ) এর ফুফু সাফিয়্যা ছিলেন তার দাদী। এ ছাড়া তিনি (ইবনে যুবাইর) তো ইসলামী জগতে নিষ্কলুষ ব্যক্তি ও কুরআনের ক্বারী। আল্লাহর কসম! যদি তারা (বনী উমাইয়া) আমার সাথে সম্পর্ক রাখে তবে তারা আমার নিকটত্মীায়-স্বজনের সাথে সম্পর্ক রাখল।
আর যদি তারা আমাদের রক্ষণাবেক্ষণ করে তবে তারা সমকক্ষ মর্যাদাসম্পন্ন ব্যক্তিরই রক্ষণাবেক্ষণ করল। ইবনে যুবাইর, বনী আসাদ, বনী তুআইত, বনী উসামা-এসব গোত্রকে আমার চেয়ে নিকটতম করে নিয়েছেন। নিশ্চয়ই আবিল আস-এর পুত্র অর্থাৎ আব্দুল মালিক ইবনে মারওয়ান অহংকারী চালচলন আরম্ভ করেছে। নিশ্চয়ই তিনি অর্থাৎ আব্দুল্লাহ ইবনে যুবাইর (রাযিঃ) তার লেজ গুটিয়ে নিয়েছেন।
كتاب التفسير
باب قوله ثاني اثنين إذ هما في الغار إذ يقول لصاحبه لا تحزن إن الله معنا
4665 - حَدَّثَنِي عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدٍ، قَالَ حَدَّثَنِي يَحْيَى بْنُ مَعِينٍ، حَدَّثَنَا حَجَّاجٌ، قَالَ ابْنُ جُرَيْجٍ: قَالَ ابْنُ أَبِي مُلَيْكَةَ: وَكَانَ بَيْنَهُمَا شَيْءٌ، فَغَدَوْتُ عَلَى ابْنِ عَبَّاسٍ، فَقُلْتُ: أَتُرِيدُ أَنْ تُقَاتِلَ ابْنَ الزُّبَيْرِ، فَتُحِلَّ حَرَمَ اللَّهِ؟ فَقَالَ: «مَعَاذَ اللَّهِ، إِنَّ اللَّهَ كَتَبَ ابْنَ الزُّبَيْرِ وَبَنِي أُمَيَّةَ مُحِلِّينَ، وَإِنِّي وَاللَّهِ لَا أُحِلُّهُ أَبَدًا» ، قَالَ: قَالَ النَّاسُ: بَايِعْ لِابْنِ الزُّبَيْرِ فَقُلْتُ: " وَأَيْنَ بِهَذَا الأَمْرِ عَنْهُ، أَمَّا أَبُوهُ: فَحَوَارِيُّ النَّبِيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ - يُرِيدُ الزُّبَيْرَ - وَأَمَّا جَدُّهُ: فَصَاحِبُ الغَارِ - يُرِيدُ أَبَا بَكْرٍ - وَأُمُّهُ: فَذَاتُ النِّطَاقِ - يُرِيدُ أَسْمَاءَ - وَأَمَّا خَالَتُهُ: فَأُمُّ المُؤْمِنِينَ - يُرِيدُ عَائِشَةَ - وَأَمَّا عَمَّتُهُ: فَزَوْجُ النَّبِيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ - يُرِيدُ خَدِيجَةَ - وَأَمَّا عَمَّةُ النَّبِيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: فَجَدَّتُهُ - يُرِيدُ صَفِيَّةَ - ثُمَّ عَفِيفٌ فِي الإِسْلاَمِ، قَارِئٌ لِلْقُرْآنِ، وَاللَّهِ إِنْ وَصَلُونِي وَصَلُونِي مِنْ قَرِيبٍ، وَإِنْ رَبُّونِي رَبُّونِي أَكْفَاءٌ كِرَامٌ، فَآثَرَ التُّوَيْتَاتِ وَالْأُسَامَاتِ وَالْحُمَيْدَاتِ يُرِيدُ أَبْطُنًا مِنْ بَنِي أَسَدٍ بَنِي تُوَيْتٍ وَبَنِي أُسَامَةَ وَبَنِي أَسَدٍ، إِنَّ ابْنَ أَبِي العَاصِ بَرَزَ يَمْشِي القُدَمِيَّةَ - يَعْنِي عَبْدَ المَلِكِ بْنَ مَرْوَانَ - وَإِنَّهُ لَوَّى ذَنَبَهُ - يَعْنِي ابْنَ الزُّبَيْرِ - "
তাহকীক:
বর্ণনাকারী:
হাদীস নং: ৪৩০৯
আন্তর্জাতিক নং: ৪৬৬৬
- কুরআনের তাফসীর অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ২৩৯৯. আল্লাহ তাআলার বাণীঃ যখন তারা উভয়ে গুহার মধ্যে ছিলেন এবং তিনি ছিলেন দু’জনের একজন (৯ঃ ৪০)
৪৩০৯। মুহাম্মাদ ইবনে উবাইদ ইবনে মায়মুন (রাহঃ) ......... ইবনে আবু মূলায়কা (রাহঃ) বলেন, আমরা ইবনে আব্বাস (রাযিঃ) এর ঘরে প্রবেশ করলাম। তিনি বললেন, তোমরা কি ইবনে যুবাইরের বিষয়ে বিষ্মিত হবে না? তিনি তো তার এ কাজে (খিলাফতের বিষয়) স্থিতিশীল। আমি বললাম, আমি অবশ্য মনে মনে তার ব্যাপারে চিন্তা-ভাবনা করি, কিন্তু আবু বকর (রাযিঃ) কিংবা উমর (রাযিঃ) এর ব্যাপারে ততটুকু চিন্তা-ভাবনা করিনি। সব দিক থেকে তার চেয়ে তারা উভয়ে উত্তম ছিলেন। আমি বললাম, তিনি নবী (ﷺ) এর ফুফু সাফিয়্যা (রাযিঃ) এর সন্তান, যুবাইরের ছেলে, আবু বকর (রাযিঃ) এর নাতি। খাদীজা (রাযিঃ) এর ভাতিজা, আয়েশা (রাযিঃ) এর বোন আসমার ছেলে। কিন্তু তিনি (নিজেকে বড় মনে করে) আমার থেকে দূরে সরে থাকেন এবং তিনি আমার সহযোগিতা কামনা করেন না। আমি বললাম, আমি নিজে থেকে এজন্য তা প্রকাশ করি না যে, হয়ত তিনি তা প্রত্যাখান করবেন। এবং আমি মনে করি না যে, তিনি এটা ভাল করেছেন। অগত্যা বনু উমাইয়ার নেতৃত্ব ও শাসন আমার কাছে অন্যদের থেকে উত্তম।
كتاب التفسير
باب قوله ثاني اثنين إذ هما في الغار إذ يقول لصاحبه لا تحزن إن الله معنا
4666 - حَدَّثَنَا [ص:67] مُحَمَّدُ بْنُ عُبَيْدِ بْنِ مَيْمُونٍ، حَدَّثَنَا عِيسَى بْنُ يُونُسَ، عَنْ عُمَرَ بْنِ سَعِيدٍ، قَالَ: أَخْبَرَنِي ابْنُ أَبِي مُلَيْكَةَ، دَخَلْنَا عَلَى ابْنِ عَبَّاسٍ، فَقَالَ: «أَلاَ تَعْجَبُونَ لِابْنِ الزُّبَيْرِ قَامَ فِي أَمْرِهِ هَذَا» ، فَقُلْتُ: «لَأُحَاسِبَنَّ نَفْسِي لَهُ مَا حَاسَبْتُهَا لِأَبِي بَكْرٍ، وَلاَ لِعُمَرَ، وَلَهُمَا كَانَا أَوْلَى بِكُلِّ خَيْرٍ مِنْهُ» ، وَقُلْتُ: «ابْنُ عَمَّةِ النَّبِيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، وَابْنُ الزُّبَيْرِ، وَابْنُ أَبِي بَكْرٍ، وَابْنُ أَخِي خَدِيجَةَ، وَابْنُ أُخْتِ عَائِشَةَ، فَإِذَا هُوَ يَتَعَلَّى عَنِّي، وَلاَ يُرِيدُ ذَلِكَ» ، فَقُلْتُ: «مَا كُنْتُ أَظُنُّ أَنِّي أَعْرِضُ هَذَا مِنْ نَفْسِي، فَيَدَعُهُ وَمَا أُرَاهُ يُرِيدُ خَيْرًا، وَإِنْ كَانَ لاَ بُدَّ لَأَنْ يَرُبَّنِي بَنُو عَمِّي أَحَبُّ إِلَيَّ مِنْ أَنْ يَرُبَّنِي غَيْرُهُمْ»
তাহকীক: