আয্‌-যুমার

সূরা নং: ৩৯, আয়াত নং: ২১

তাফসীর
اَلَمۡ تَرَ اَنَّ اللّٰہَ اَنۡزَلَ مِنَ السَّمَآءِ مَآءً فَسَلَکَہٗ یَنَابِیۡعَ فِی الۡاَرۡضِ ثُمَّ یُخۡرِجُ بِہٖ زَرۡعًا مُّخۡتَلِفًا اَلۡوَانُہٗ ثُمَّ یَہِیۡجُ فَتَرٰىہُ مُصۡفَرًّا ثُمَّ یَجۡعَلُہٗ حُطَامًا ؕ  اِنَّ فِیۡ ذٰلِکَ لَذِکۡرٰی لِاُولِی الۡاَلۡبَابِ ٪

উচ্চারণ

আলাম তারা আন্নাল্লা-হা আনঝালা মিনাছছামাই মাআন ফাছালাকাহূইয়ানা-বী‘আ ফিল আরদিছুম্মা ইউখরিজূবিহী ঝার‘আম মুখতালিফান আলওয়া-নুহূছু ম্মা ইয়াহীজুফাতারাঁ-হু মুসফাররান ছুম্মা ইয়াজ‘আলুহূহুতা-মা- ইন্না ফী যা-লিকা লাযিকরা-লিঊলিল আলবা-ব।

অর্থ

মুফতী তাকী উসমানী

তুমি কি দেখনি আল্লাহ আকাশ থেকে বারিপাত করেছেন, তারপর তা ভূমির নির্ঝরে প্রবাহিত করেছেন? ১১ তারপর তা দ্বারা বিভিন্ন রংয়ের ফসল উৎপন্ন করেন। তারপর তা শুকিয়ে যায়। ফলে তুমি দেখতে পাও তা হলুদ বর্ণ ধারণ করেছে। তারপর তিনি তা চূর্ণ-বিচূর্ণ করে ফেলেন। নিশ্চয়ই এর মধ্যে বোধশক্তিসম্পন্ন ব্যক্তিদের জন্য উপদেশ আছে।

তাফসীরে মুফতি তাকি উসমানী

১১. এর এক অর্থ তো এই হতে পারে যে, আকাশ থেকে পাহাড়ে বৃষ্টি বর্ষণ হয় তারপর সেখান থেকে তা গলে-গলে নদ-নদীর রূপ ধারণ করে এবং ভূমিতে যেসব প্রস্রবণ আছে তাতে গিয়ে মিলিত হয়। আরেক অর্থ হতে পারে এ রকম, আল্লাহ তাআলা নিখিল-সৃষ্টির সূচনা করেছেন পানি সৃষ্টির মাধ্যমে। তিনি আকাশ থেকে তা নামিয়ে সরাসরি ভূমির প্রস্রবণে পৌঁছিয়ে দেন (রূহুল মাআনী)।