হাদীস অনুসন্ধানের ফলাফল

মা'আরিফুল হাদীস

হাদীস নং: ২৭৩
আযকার এবং দোয়া অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ গুনাহের কালিমা এবং তাওবা-ইস্তিগফার দ্বারা কালিমা মুক্তি
২৭৩. হযরত আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন: গুনাহ থেকে তাওবাকারী গুনাহগার বান্দা বিলকুল সেই বান্দার মত, যে আদৌ গুনাহ করেনি। (সুনান ইবনে মাজা, শু'আবুল ঈমান)
کتاب الاذکار والدعوات
عَنْ عَبْدِ اللهِ ابن مسعود قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «التَّائِبُ مِنَ الذَّنْبِ كَمَنْ لَا ذَنْبَ لَهُ» (رواه ابن ماجه والبيهقى فى شعب الايمان)

মা'আরিফুল হাদীস

হাদীস নং: ২৭৩
মু‘আশারাত ও মু‘আমালাত অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ অহংকারসুলভ পোশাকের নিষিদ্ধতা ও এ ব্যাপারে কঠোর সতর্কবাণী
২৭৩. হযরত আবু সাঈদ খুদরী রাযি. থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ (ﷺ)কে বলতে শুনেছি: মু'মিন বান্দার লুঙ্গি পরার (উত্তম) নিয়ম হচ্ছে এই যে, এটা নিসফেসাক (অর্থাৎ, পায়ের নলার মধ্যবর্তী অংশ) পর্যন্ত থাকবে। নিসফেসাক থেকে পায়ের গিরা পর্যন্ত থাকলেও কোন গুনাহ নেই। আর এর নীচে হলে (এর ফল হবে) জাহান্নাম। কথাটি তিনি তিনবার বললেন। (তারপর বললেন,) আল্লাহ্ তা'আলা কিয়ামতের দিন ঐ ব্যক্তির দিকে তাকাবেন না, যে অহংকার বশত নিজ লুঙ্গি ঝুলিয়ে পরে। -আবূ দাউদ, ইবনে মাজাহ
کتاب المعاشرت والمعاملات
عَنْ أَبِي سَعِيدٍ الْخُدْرِىِّ قَالَ: سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَقُولُ: «إِزْرَةُ الْمُؤْمِنِ إِلَى أَنْصَافِ سَاقَيْهِ، لَا جُنَاحَ عَلَيْهِ مَا بَيْنَهُ وَبَيْنَ الْكَعْبَيْنِ، وَمَا أَسْفَلَ مِنَ الْكَعْبَيْنِ فِي النَّارِ» . قَالَ: ذَالِكَ ثَلَاثَ مَرَّاتٍ «وَلَا يَنْظُرُ اللَّهُ إِلَى مَنْ جَرَّ إِزَارَهُ بَطَرًا» (رواه ابوداؤد وابن ماجه)

মা'আরিফুল হাদীস

হাদীস নং: ২৭৩
সলাত অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ কুরবানীর পশু সম্পর্কে দিক নির্দেশনা
২৭৩. হযরত আলী (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ ﷺ ভাঙ্গা শিং ও ছেড়া কান বিশিষ্ট পশু (কুরবানীর উদ্দেশ্যে) যবাই করতে নিষেধ করেছেন। (ইবনে মাজাহ)
کتاب الصلوٰۃ
عَنْ عَلِيٍّ ، قَالَ « نَهَى أَنْ يُضَحَّى بِأَعْضَبِ الْقَرْنِ ، وَالْأُذُنِ » (رواه ابن ماجه)

মা'আরিফুল হাদীস

হাদীস নং: ২৭৪
সলাত অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ বড় পশু কয়ভাগে কুরবানী করা যাবে?
২৭৪. হযরত জাবির (রা) থেকে বর্ণিত। নবী কারীম ﷺ বলেছেন: প্রতিটি গরু সাতজনের এবং প্রতিটি উট সাতজনের পক্ষ থেকে কুরবানী করা যায়। (মুসলিম ও আবু দাউদ শব্দমালার আবু দাউদের)
کتاب الصلوٰۃ
عَنْ جَابِرٍ أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ : « الْبَقَرَةُ عَنْ سَبْعَةٍ ، وَالْجَزُورُ عَنْ سَبْعَةٍ » (رواه مسلم وابو داود واللفظ له)

মা'আরিফুল হাদীস

হাদীস নং: ২৭৪
আযকার এবং দোয়া অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ গাফ্ফারিয়তের অভিব্যক্তির জন্যে গুনাহর প্রয়োজনিয়তা
২৭৪. হযরত আবূ আইউব আনসারী (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি তাঁর অন্তিম শয্যায় অর্থাৎ মৃত্যু লগ্নে বললেন: আমি রাসূলুল্লাহ ﷺ থেকে একটি কথা শুনেছিলাম, যা এতদিন পর্যন্ত তোমাদের কাছে গোপন রেখেছি। (এখন জীবনের অন্তিম মুহূর্তে সে কথাটি তোমাদেরকে জানিয়ে দিয়ে সে আমানতটি তোমাদের হাতে সোপর্দ করে যাচ্ছি) আমি তাঁকে বলতে শুনেছি: যদি তোমরা সকলেই (ফেরেশতাদের মত) নিষ্পাপ হয়ে যেতে, তাহলে আল্লাহ একটি নতুন সৃষ্টিকে (মাখলুক) পয়দা করতেন, তারা গুনাহ করতো, তারপর তিনি তাদেরকে মাফ করতেন। (এভাবে তাঁর শানে গাফ্ফারিয়তের অভিব্যক্তি ঘটাতেন।) (সহীহ্ মুসলিম)
کتاب الاذکار والدعوات
عَنْ أَبِي أَيُّوبَ، أَنَّهُ قَالَ حِينَ حَضَرَتْهُ الْوَفَاةُ: كُنْتُ كَتَمْتُ عَنْكُمْ شَيْئًا سَمِعْتُهُ مِنْ رَسُولِ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، سَمِعْتُ رَسُولَ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، يَقُولُ: «لَوْلَا أَنَّكُمْ تُذْنِبُونَ لَخَلَقَ اللهُ خَلْقًا يُذْنِبُونَ يَغْفِرُ لَهُمْ» (رواه مسلم)

মা'আরিফুল হাদীস

হাদীস নং: ২৭৪
মু‘আশারাত ও মু‘আমালাত অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ অহংকারসুলভ পোশাকের নিষিদ্ধতা ও এ ব্যাপারে কঠোর সতর্কবাণী
২৭৪. হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে উমর রাযি. থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ যে ব্যক্তি গর্বভরে নিজের কাপড় ঝুলিয়ে পরে, আল্লাহ্ তা'আলা কিয়ামতের দিন তার প্রতি তাকাবেন না। (একথা শুনে) হযরত আবু বকর রাযি. বললেন, ইয়া রাসূলাল্লাহ! আমি ভালোভাবে লক্ষ্য না রাখলে আমার লুঙ্গি নীচে ঝুলে যায়। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) তখন বললেন, তুমি তাদের মধ্যে নও, যারা অহংকারের মানসিকতায় এরূপ করে। -বুখারী
کتاب المعاشرت والمعاملات
عَنِ ابْنِ عُمَرَ، أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ: «مَنْ جَرَّ ثَوْبَهُ خُيَلاَءَ، لَمْ يَنْظُرِ اللَّهُ إِلَيْهِ يَوْمَ القِيَامَةِ» فَقَالَ أَبُو بَكْرٍ: إِزَارِىْ يَسْتَرْخِي، إِلَّا أَنْ أَتَعَاهَدَهُ؟ فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «إِنَّكَ لَسْتَ مِمَّنْ يَّفْعَلُهُ خُيَلاَءَ» (رواه البخارى)

মা'আরিফুল হাদীস

হাদীস নং: ২৭৫
সলাত অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ঈদের সালাতের পরেই কুরবানী করার সময়
২৭৫. হযরত বারা (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী কারীম ﷺ কুরবানীর দিন আমাদের উদ্দেশ্যে ভাষণ দেন। তিনি বলেন: আজকের এই দিনে আমরা সর্বপ্রথম যে কাজটি করব তাহল সালাত আদায়। এরপর ফিরে গিয়ে কুরবানী করব। যে ব্যক্তি এভাবে করবে সে আমাদের সুন্নাতকে অনুরসণ করল (তার কুরবানী আদায় হবে)। পক্ষান্তরে যে ব্যক্তি আমাদের সালাত আদায়ের পূর্বে কুরবানী করল সে তার পরিবারের জন্য অগ্রিম গোশত খাওয়ার জন্য বকরী যবাই করল। তা কিছুতেই কুরবানী নয়। (বুখারী ও মুসলিম)
کتاب الصلوٰۃ
عَنِ البَرَاءِ ، قَالَ : خَطَبَنَا النَّبِىُّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَوْمَ النَّحْرِ فَقَالَ : « إِنَّ أَوَّلَ مَا نَبْدَأُ بِهِ فِي يَوْمِنَا هَذَا نُصَلِّي ، ثُمَّ نَرْجِعُ فَنَنْحَرُ ، فَمَنْ فَعَلَ ذَلِكَ ، فَقَدْ أَصَابَ سُنَّتَنَا ، وَمَنْ ذَبَحَ ، فَإِنَّمَا هُوَ شَاةُ لَحْمٍ عَجَّلَه لِأَهْلِهِ لَيْسَ مِنَ النُّسُكِ فِي شَيْءٍ » (رواه البخارى ومسلم)
tahqiq

তাহকীক:

মা'আরিফুল হাদীস

হাদীস নং: ২৭৫
আযকার এবং দোয়া অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ বারবার গুনাহ ও বারবার ইস্তিগফারকারী
২৭৫. হযরত আবূ হুরায়রা (রা) থেকে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ ﷺ বর্ণনা করেছেন, আল্লাহর কোন এক বান্দা একটি গুনাহ করে। তারপর সে বলল: "প্রভু, আমি একটি গুনাহ করে ফেলেছি। আমার সে গুনাহটি মাফ করে দাও!”
তখন আল্লাহ তা'আলা বললেন: আমার বান্দা কি জানে যে, তার একজন মালিক আছেন, তিনি তার গুনাহ মাফও করে দিতে পারেন, আবার ইচ্ছে করলে এজন্যে পাকড়াও করতেও পারেন? আমি আমার বান্দার গুনাহ মার্জনা করে দিলাম এবং তাকে মাফ করে দিলাম।
তারপর আল্লাহ যতদিন চাইলেন সে ব্যক্তি গুনাহ থেকে বিরত রইলো। তারপর এক সময় আবার গুনাহ করে বসলো। তারপর আবার বললো: প্রভু, আমি একটি গুনাহ করে ফেলেছি, তুমি তা মার্জনা করে দাও!
তখন আল্লাহ আবার বললেন: আমার বান্দা কি জ্ঞাত আছে যে, তার একজন রব আছেন, তিনি তাকে মার্জনাও করতে পারেন আবার ইচ্ছে করলে এজন্যে পাকড়াও করতে পারেন? আমি আমার বান্দাকে মাফ করে দিলাম।
তারপর আল্লাহ যতদিন চাইলেন, সে বান্দাটি গুনাহ থেকে বিরত রইলো। তারপর একসময় আবার আরেকটি গুনাহ করে বসলো। তারপর আবার বলে উঠলো:
প্রভু, আমি আরেকটি গুনাহ করে বসেছি। আমার সে গুনাহটি তুমি মার্জনা করে দাও! তারপর আল্লাহ আবার বললেন: আমার বান্দা কি জানে যে, তার একজন মনিব আছেন- যিনি তাকে মার্জনাও করতে পারেন, আবার পাকড়াও করতেও পারেন? আমি আমার বান্দার গুনাহ মার্জনা করে দিলাম। এবার সে যা ইচ্ছে তাই করুক!
(সহীহ্ বুখারী ও সহীহ্ মুসলিম)
کتاب الاذکار والدعوات
عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: إِنَّ عَبْدًا أَذْنَبَ ذَنْبًا فَقَالَ: رَبِّ أَذْنَبْتُ فَاغْفِرْهُ، فَقَالَ رَبُّهُ: أَعَلِمَ عَبْدِي أَنَّ لَهُ رَبًّا يَغْفِرُ الذَّنْبَ وَيَأْخُذُ بِهِ؟ غَفَرْتُ لِعَبْدِي، ثُمَّ مَكَثَ مَا شَاءَ اللَّهُ ثُمَّ أَذْنَبَ ذَنْبًا، َقَالَ: رَبِّ أَذْنَبْتُ ذَنْبًا فَاغْفِرْهُ، فَقَالَ: أَعَلِمَ عَبْدِي أَنَّ لَهُ رَبًّا يَغْفِرُ الذَّنْبَ وَيَأْخُذُ بِهِ؟ غَفَرْتُ لِعَبْدِي، ثُمَّ مَكَثَ مَا شَاءَ اللَّهُ، ثُمَّ أَذْنَبَ ذَنْبًا، قَالَ: قَالَ: أَذْنَبْتُ ذَنْبًا آخَرَ فَاغْفِرْهُ لِي، فَقَالَ: أَعَلِمَ عَبْدِي أَنَّ لَهُ رَبًّا يَغْفِرُ الذَّنْبَ وَيَأْخُذُ بِهِ؟ غَفَرْتُ لِعَبْدِي فَلْيَفْعَلْ مَا شَاءَ " (رواه البخارى ومسلم)

মা'আরিফুল হাদীস

হাদীস নং: ২৭৫
মু‘আশারাত ও মু‘আমালাত অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ পুরুষদের জন্য রেশম ও সোনা নিষেধ, মহিলাদের জন্য অনুমতি আছে
২৭৫. হযরত আবু মুসা আশআরী রাযি. থেকে বর্ণিত, নবী করীম (ﷺ) বলেছেনঃ আমার উম্মতের নারীদের জন্য সোনা ও রেশমী কাপড়ের ব্যবহার হালাল করা হয়েছে, আর পুরুষদের জন্য হারাম করে দেওয়া হয়েছে। -তিরমিযী
کتاب المعاشرت والمعاملات
عَنْ أَبِي مُوسَى الْأَشْعَرِيِّ أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ: «أُحِلَّ الذَّهَبُ وَالْحَرِيرُ لِلْإِنَاثِ مِنْ أُمَّتِي، وَحُرِّمَ عَلَى ذُكُورِهَا» (رواه الترمذى والنسائى)

মা'আরিফুল হাদীস

হাদীস নং: ২৭৬
আযকার এবং দোয়া অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ বারবার গুনাহ ও বারবার ইস্তিগফারকারী
২৭৬. হযরত আবু বকর সিদ্দীক (রা) রিওয়ায়াত করেন, রাসূলুল্লাহ ﷺ ফরমান; গুনাহ করে বান্দা যদি (সাচ্চা দেলে আল্লাহর দরবারে) ইস্তিগফার করে তাহলে দিনে সত্তর বার তার পুনরাবৃত্তি করে থাকলেও সে গুনাহর পুনরাবৃত্তিকারী বলে গণ্য হবে না।
(জামে' তিরমিযী ও সুনানে আবূ দাউদ)
کتاب الاذکار والدعوات
عَنْ أَبِي بَكْرٍ الصِّدِّيقِ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «مَا أَصَرَّ مَنِ اسْتَغْفَرَ، وَإِنْ عَادَ فِي الْيَوْمِ سَبْعِينَ مَرَّةٍ» (رواه الترمذى وابوداؤد)

মা'আরিফুল হাদীস

হাদীস নং: ২৭৬
মু‘আশারাত ও মু‘আমালাত অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ পুরুষদের জন্য গাঢ় লাল রং নিষেধ
২৭৬. হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে আমর রাযি. থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, এক ব্যক্তি নবী করীম (ﷺ) এর পাশ দিয়ে গেল। তখন তার পরনে ছিল দু'টি লাল রংয়ের কাপড়। লোকটি রাসূলুল্লাহ (ﷺ)কে সালাম দিল; কিন্তু তিনি সালামের উত্তর দিলেন না। -তিরমিযী, আবু দাউদ
کتاب المعاشرت والمعاملات
عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَمْرٍو، قَالَ: «مَرَّ رَجُلٌ وَعَلَيْهِ ثَوْبَانِ أَحْمَرَانِ، فَسَلَّمَ عَلَيْهِ، فَلَمْ يَرُدَّ عَلَيْهِ» (رواه الترمذى وابوداؤد)

মা'আরিফুল হাদীস

হাদীস নং: ২৭৬
সলাত অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ঈদের সালাতের পরেই কুরবানী করার সময়
২৭৬. হযরত জুন্দুব ইবনে আবদুল্লাহ্ (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন: আমি একবার কুরবানীর দিন রাসূলুল্লাহ ﷺ-এর কাছে উপস্থিত ছিলাম। সালাত শেষ করার সাথে সাথেই তাঁর দৃষ্টি কুরবানীর গোশতের উপর পড়ল। এই কুরবানীর পশু সালাত আদায়ের পূর্বেই যবাই করা হয়েছিল। সে মতে তিনি বললেন: যে সব লোক সালাত আদায়ের পূর্বে কুরবানী করে তাদের (সালাতের পরে) আরেকটি কুরবানী করা উচিত (কেননা সালাতের পূর্বে কুরবানী হয়না)। (বুখারী ও মুসলিম)
کتاب الصلوٰۃ
عَنْ جُنْدَبُ بْنِ عَبْدِاللهِ ، قَالَ : شَهِدْتُ الْأَضْحَى يَوْمَ النَّحْرِ مَعَ رَسُولِ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ ، فَلَمْ يَعْدُ أَنْ صَلَّى وَفَرَغَ مِنْ صَلَاتِهِ وَسَلَّمَ ، فَإِذَا هُوَ يَرَى لَحْمَ أَضَاحِيَّ قَدْ ذُبِحَتْ قَبْلَ أَنْ يَفْرُغَ مِنْ صَلَاتِهِ ، فَقَالَ : « مَنْ كَانَ ذَبَحَ قَبْلَ أَنْ يُصَلِّيَ أَوْ نُصَلِّيَ فَلْيَذْبَحْ مَكَانَهَا أُخْرَى. (رواه البخارى ومسلم)
tahqiq

তাহকীক:

মা'আরিফুল হাদীস

হাদীস নং: ২৭৭
সলাত অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ আল্লাহ্ তা'আলা সপ্তাহের সাত দিনের মধ্যে যেমন জুমু'আর দিনকে, বছরের বার মাসের মধ্যে রমযান মাসকে, তারপর রমযানের তিন দশকের মধ্যে শেষ দশদিনকে বিশেষ মর্যাদায় ভূষিত করেছেন। তেমনি ১০ই যিলহাজ্জকেও দুর্লভসম্মানে ভূষিত করেছেন। আর তাই এই দশদিনের মধ্যে হজ্জের দিনকে রাখা হয়েছে। মোটকথা এই দিনগুলোতে রয়েছে আল্লাহ্ তা'আলার বিশেষ অনুগ্রহ ও রহমত। এসব দিনের সৎকাজ আল্লাহর কাছে অতি মূল্যবান।
২৭৭. হযরত ইবনে আব্বাস (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেন: ১০ই যিলহাজ্জ তারিখের আমলের চেয়ে কোন প্রিয় আমল আল্লাহর কাছে আর নেই। (বুখারী)
کتاب الصلوٰۃ
عَنْ ابْنِ عَبَّاسٍ قَالَ : قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ : « مَا مِنْ أَيَّامٍ العَمَلُ الصَّالِحُ فِيهِنَّ أَحَبُّ إِلَى اللَّهِ مِنْ هَذِهِ الأَيَّامِ العَشْرِ » (رواه البخارى)
tahqiq

তাহকীক:

মা'আরিফুল হাদীস

হাদীস নং: ২৭৭
আযকার এবং দোয়া অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ কতক্ষণ পর্যন্ত তাওবা গ্রহণযোগ্য?
২৭৭. হযরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর (রা) থেকে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন : আল্লাহ তা'আলা বান্দার তাওবা ততক্ষণ পর্যন্ত কবুল করেন, যাবৎ না মৃত্যুযাতনা শুরু হয়ে তার গড়গড় শব্দ হতে থাকে। (জামে' তিরমিযী ও সুনানে আবু দাউদ)
کتاب الاذکار والدعوات
عَنِ ابْنِ عُمَرَ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «إِنَّ اللَّهَ يَقْبَلُ تَوْبَةَ الْعَبْدِ مَا لَمْ يُغَرْغِرْ» (رواه الترمذى وابن ماجه)

মা'আরিফুল হাদীস

হাদীস নং: ২৭৭
মু‘আশারাত ও মু‘আমালাত অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ পুরুষদের জন্য মেয়েলী পোশাক ও নারীদের জন্য পুরুষদের পোশাক ও বেশ ধারন নিষেধ
২৭৭. হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাযি. থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) ঐসব পুরুষের উপর লা'নত দিয়েছেন, যারা নারীদের সাদৃশ্য গ্রহণ করে, (অর্থাৎ, তাদের মত আকৃতি, তাদের পোশাক ও তাদের চাল-চলন অবলম্বন করে।) আর ঐ নারীদের উপরও লা'নত দিয়েছেন, যারা পুরুষদের সাদৃশ্য গ্রহণ করে। -বুখারী
کتاب المعاشرت والمعاملات
عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، قَالَ: «لَعَنَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ الْمُتَشَبِّهِينَ مِنَ الرِّجَالِ بِالنِّسَاءِ، وَالْمُتَشَبِّهَاتِ مِنَ النِّسَاءِ بِالرِّجَالِ» (رواه البخارى)

মা'আরিফুল হাদীস

হাদীস নং: ২৭৮
সলাত অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ১০ ই যিলহজ্জের ফযীলত ও সম্মান
২৭৮. হযরত উম্মু সালমা (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন: যখন যিলহজ্জের প্রথম দশদিন শুরু হয় এবং তোমাদের কেউ কুরবানী করতে চায় সে যেন কুরবানী না করা পর্যন্ত চুল এবং নখ না কাটে। (মুসলিম)
کتاب الصلوٰۃ
عَنْ أُمِّ سَلَمَةَ قَالَ : قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ : « إِذَا دَخَلَ الْعَشْرُ وَاَرَادَ بَعْضُكُمْ أَنْ يُضَحِّيَ ، فَلَا يَأْخُذَنَّ شَعْرًا ، وَلَا يَقْلِمَنَّ ظُفُرًا » (رواه مسلم)

মা'আরিফুল হাদীস

হাদীস নং: ২৭৮
আযকার এবং দোয়া অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ মুমূর্ষু ব্যক্তিদের জন্য সর্বোৎকৃষ্ট তওবা: ইস্তিগফার
২৭৮. হযরত আবদুল্লাহ ইব্‌ন আব্বাস (রা) থেকে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন: কবরে সমাহিত ব্যক্তি হচ্ছে আর্তনাদরত ডুবন্ত ব্যক্তির মতো। সে ইন্তেযারে থাকে পিতা-মাতা ভাইবোন বা কোন বন্ধু-বান্ধবের পক্ষ থেকে রহমত ও মাগফিরাতের দু'আ পৌঁছবে। যখন তা তার কাছে পৌঁছে, তখন তা সমগ্র দুনিয়া ও দুনিয়া ভর্তি সবকিছু থেকে তার কাছে প্রিয়তর হয়ে থাকে। দুনিয়াবাসীদের দু'আর কল্যাণে আল্লাহ তা'আলা কবরবাসীদের এত বিরাট ছাওয়াব দান করেন, যা পাহাড় তুল্য। আর মুর্দাদের জন্যে জীবিতদের হাদিয়া হচ্ছে তাদের জন্যে মাগফিরাতের দু'আ করা।
(বায়হাকী-শু'আবুল ঈমান)
کتاب الاذکار والدعوات
عَنْ عَبْدِ اللهِ بْنِ عَبَّاسٍ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: " مَا الْمَيِّتُ فِي الْقَبْرِ إِلَّا كَالْغَرِيقِ الْمُتَغَوِّثِ، يَنْتَظِرُ دَعْوَةً تَلْحَقُهُ مِنْ أَبٍ أَوْ أُمٍّ أَوْ أَخٍ أَوْ صَدِيقٍ، فَإِذَا لَحِقَتْهُ كَانَتْ أَحَبَّ إِلَيْهِ مِنَ الدُّنْيَا وَمَا فِيهَا، وَإِنَّ اللهَ عَزَّ وَجَلَّ لَيُدْخِلُ عَلَى أَهْلِ الْقُبُورِ مِنْ دُعَاءِ أَهْلِ الْأَرْضِ أَمْثَالَ الْجِبَالِ، وَإِنَّ هَدِيَّةَ الْأَحْيَاءِ إِلَى الْأَمْوَاتِ الِاسْتِغْفَارُ لَهُمْ " (رواه البيهقى فى شعب الايمان)
tahqiq

তাহকীক:

মা'আরিফুল হাদীস

হাদীস নং: ২৭৮
মু‘আশারাত ও মু‘আমালাত অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ পুরুষদের জন্য মেয়েলী পোশাক ও নারীদের জন্য পুরুষদের পোশাক ও বেশ ধারন নিষেধ
২৭৮. হযরত আবু হুরায়রা রাযি. থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) ঐসব পুরুষকে লা'নত দিয়েছেন, যারা নারীদের পোশাক পরে এবং ঐসব নারীকে লা'নত দিয়েছেন, যারা পুরুষদের পোশাক পরে। -আবূ দাউদ
کتاب المعاشرت والمعاملات
عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ: «لَعَنَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ الرَّجُلَ يَلْبَسُ لِبْسَةَ الْمَرْأَةِ، وَالْمَرْأَةَ تَلْبَسُ لِبْسَةَ الرَّجُلِ» (رواه ابوداؤد)
tahqiq

তাহকীক:

মা'আরিফুল হাদীস

হাদীস নং: ২৭৯
সলাত অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ সূর্য গ্রহণের সালাত এবং বৃষ্টি প্রার্থনার সালাত
জুমু'আ ও দুই ঈদের যেমন সামষ্টিক সালাতের দিন তারিখ সুনির্ধারিত, এছাড়া আরো দুই সালাত সামষ্টিকভাবে আদায় করা হয়। তবে তার দিনক্ষণ তারিখ নির্ধারিত নেই। এর মধ্যে একটি সূর্য গ্রহণের সালাত এবং অপরটি হল বৃষ্টি প্রার্থনার সালাত (সালাতুল ইস্তিসকা)

সূর্য গ্রহণের সালাত
সূর্য ও চন্দ্র গ্রহণ মূলতঃ আল্লাহ্ তা'আলার অসীম কুদরতের নিদর্শনসমূহের অন্যতম। যখন চন্দ্র অথবা সূর্যগ্রহণ হয় তখন অত্যন্ত বিনয় ও নম্রতার সাথে মহা মহিমান্বিত আল্লাহর আসনে মাথা ঝুঁকিয়ে তাঁর দয়া ও করুণা প্রার্থনা করা উচিত। উল্লেখ্য, নবী নন্দন হযরত ইব্রাহীমের বয়স যখন দেড় বছর তখন তিনি ইন্তিকাল১ করেন' এবং ঐদিন সূর্যগ্রহণও লেগেছিল। জাহিলিয়া যুগের একটি বদ্ধমূল ধারণা ছিল যে, কোন মহান ব্যক্তির তিরোধান জনিত কারণেই মূলতঃ সূর্যগ্রহণ হয়। যেন তার মৃত্যুতে সূর্যকালো চাদর গায়ে শোকের আচ্ছন্ন হয়। হযরত ইব্রাহীমের ইন্তিকালের দিন সূর্যগ্রহণ হওয়ায় মানুষ উক্ত ভুল ধারণার শিকার হতে পারত। বরং কোন কোন বর্ণনায় আছে, কোন কোন মানুষের মুখে একথা উচ্চারিত হয় যে, তাঁর মৃত্যুতেই সূর্যগ্রহণ হয়েছে। তাই সূর্যগ্রহণের সময় রাসূলুল্লাহ ﷺ ভীষণভাবে শংকিত হয়ে পড়েন এবং আল্লাহর উদ্দেশ্যে জামা'আত সহ দুই রাক'আত সালাত আদায় করেন। এ সালাত ছিল ভিন্ন ধর্মী। তিনি এতে দীর্ঘ কিরা'আত পাঠ করেন এবং কিরা'আতের মধ্যে কখনো কখনো তন্ময় হয়ে ঝুঁকে পড়তেন। আবার সোজা হয়ে কিরা'আত পাঠ করতেন। একইভাবে এ সালাতে তিনি দীর্ঘ রুকু সিজদা করেন এবং অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে সালাতে আল্লাহর দরবারে কাতর প্রার্থনা করেন। তারপর লোকদের উদ্দেশ্যে ভাষণ দেন। কারো মৃত্যু জনিত কারণে চন্দ্র-সূর্যের গ্রহণ হওয়ার বদ্ধমূল ধারণা চিরতে বিদূরিত করেন। তিনি বলেন, এ হল, জাহিলিয়া যুগের চিন্তা-চেতনারই ফল যার কোন ভিত্তি নেই। এ হচ্ছে মূলতঃ মহান আল্লাহ্ তা'আলার অসীম কুদ্রতেরই বহিঃপ্রকাশ মাত্র। তাই কখনো সূর্য কিংবা চন্দ্রগ্রহণ হলে বিনয় নম্রতার সাথে আল্লাহ্ অভিমুখী হওয়া, তাঁর ইবাদাত করা এবং দু'আ করা উচিত। এই দীর্ঘ ভূমিকার পর সূর্য গ্রহণের সালাতের সাথে সংশ্লিষ্ট কতিপয় হাদীস পাঠ করা যেতে পারে।

টিকা: ১. নবীনন্দন হযরত ইব্রাহীম (রা) দশম হিজরীতে ইন্তিকাল করেন এ বিষয় বিপুল সংখ্যক হাদীস বিশারদ ঐকমত্য পোষণ করেন। কারো কারো মতে, তিনি রাবীউল আউওয়াল মাসে ইন্তিকাল করেন। বিগত শতাব্দীর খ্যাতিমান মনীষী মরহুম মাহমূদ পাশা এ বিষয়ে ফরাসী ভাষায় একটি নিবন্ধ লিখেছেন যার আরবী তরজমা ১৩০৫ হিজরীতে মিসরে প্রকাশিত হয়েছে। তিনি উক্ত সূর্যগ্রহণের তারিখ দশম হিজরীর ২৯ শে শাওয়াল বলে উল্লেখ করেছেন। সম্ভবত ঐদিন সকাল সাড়ে আটটায় সূর্যগ্রহণ লেখেছিল।
২৭৯. হযরত মুগীরা ইবনে শু'বা (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ ﷺ -এর যুগে তাঁর ছেলে ইব্রাহীমের ইন্তিকালের দিন সূর্যগ্রহণ হয়েছিল। তখন লোকেরা বলাবলি শুরু করল যে, ইব্রাহীমের ইন্তিকালের কারণে সূর্যগ্রহণ হয়েছে। তখন রাসূলুল্লাহ ﷺ বললেন: কারো মৃত্যু জনিত কারণে চন্দ্র ও সূর্য গ্রহণ হয় না। কাজেই তোমরা গ্রহণ দেখতে পেলে সালাত আদায় করবে এবং আল্লাহর কাছে দু'আ করবে। (বুখারী ও মুসলিম)
کتاب الصلوٰۃ
عَنِ المُغِيرَةِ بْنِ شُعْبَةَ ، قَالَ : كَسَفَتِ الشَّمْسُ عَلَى عَهْدِ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَوْمَ مَاتَ إِبْرَاهِيمُ ، فَقَالَ النَّاسُ : كَسَفَتِ الشَّمْسُ لِمَوْتِ إِبْرَاهِيمَ ، فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ : « إِنَّ الشَّمْسَ وَالقَمَرَ لاَ يَنْكَسِفَانِ لِمَوْتِ أَحَدٍ وَلاَ لِحَيَاتِهِ ، فَإِذَا رَأَيْتُمْ فَصَلُّوا ، وَادْعُوا اللَّهَ » (رواه البخارى ومسلم)

মা'আরিফুল হাদীস

হাদীস নং: ২৭৯
আযকার এবং দোয়া অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ মুমূর্ষু ব্যক্তিদের জন্য সর্বোৎকৃষ্ট তওবা: ইস্তিগফার
২৭৯. হযরত আবূ হুরায়রা (রা) থেকে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন: আল্লাহ তা'আলার পক্ষ থেকে কোন মৃত নেককার বান্দার মর্যাদা জান্নাতে বৃদ্ধি করে দেয়া হয়। তখন সে জান্নাতী বান্দা জিজ্ঞেস করে, প্রভু! আমার এ মর্যাদা বৃদ্ধি কিসে ঘটলো? উত্তরে আল্লাহ তা'আলা বলেন: তোমার জন্যে তোমার অমুক সন্তানের ইস্তিগফারের বদৌলতে।
(মুসনদে আহমদ)
کتاب الاذکار والدعوات
عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: " إِنَّ اللَّهَ عَزَّ وَجَلَّ لَيَرْفَعُ الدَّرَجَةَ لِلْعَبْدِ الصَّالِحِ فِي الْجَنَّةِ، فَيَقُولُ: يَا رَبِّ، أَنَّى لِي هَذِهِ؟ فَيَقُولُ: بِاسْتِغْفَارِ وَلَدِكَ لَكَ " (رواه احمد)